1
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত এক শিশুর জন্য রক্ত দিলেন ৪০ জন
থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত প্রত্যুষার জন্য একই দিনে রক্ত দিলেন ৪০ জন। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হলুদ পাখি এবং ভরুকা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত এই শিশুর জন্য একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। এই মহতী রক্তদান শিবিরে ৪০ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। এ প্রসঙ্গে হলুদ পাখির অন্যতম সদস্য ডাক্তার তারক সরকার বলেন, সাধারণত একজন থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুকে প্রতি মাসে ২ থেকে ৩ বোতল রক্ত দিতে হয়। ফলে সারা বছরে তার ২৪ থেকে ৩৬ বোতল রক্ত লাগে। আমরা এইভাবে এক একটি শিশুর জন্য সারা বছরের রক্ত সংগ্রহ করে রাখার উদ্যোগ নিয়েছি। এদিন যে ৪০ জন রক্তদাতা রক্ত দিলেন, তাদের সেই রক্ত ব্লাড ব্যাংক থেকে প্রত্যুষার পরিবার বিনামূল্যে পাবেন। যেটুকু রক্ত বাড়তি থাকবে, সেটাও অন্য থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুর পরিবার সংগ্রহ করতে পারবেন। এদিনের এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন হলুদ পাখির মেন্টর ডাক্তার সিদ্ধার্থ শংকর রায় তথা সংগীতশিল্পী সিধু, সম্পাদক সৌমাভ সরকার। ছিলেন ভরুকা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ডিরেক্টর তানিয়া দাস প্রমুখ। ২৮ আগস্ট আয়োজিত এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হওয়ার পাশাপাশি এখানে দশ জন শিশুর ব্লাড ট্রান্সফিউশনও করা হয়। ডাক্তার তারক সরকার জানান, প্রতি মাসেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়ে থাকে। বর্ধমান হোমিওপ্যাথি মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়।
2
ডেঙ্গু প্রতিরোধে ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন কাউন্সিলর ও স্বাস্থ্য কর্মীদের
প্রতিবছরই বর্ষার সময় ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়ার মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয় বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে। এবারও সেই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে। ডেঙ্গু সচেতনতামূলক কাজে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সহায়িকাদের নিয়ে এলাকায় বাড়ি বাড়ি পরিদর্শন করলেন সুডার পক্ষ থেকে ডিআরপি রত্না দাস, বর্ধমান পৌরসভার স্বাস্থ্য দপ্তরের এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক সহ পৌরসভার ডেঙ্গুর ভিপিএমও, সুপারভাইজার ও রোড সরকার শম্ভু চক্রবর্তী। বর্ধমান শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধ বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার জন্য এলাকায় বাড়ি বাড়ি পৌঁছেছি। সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কি কি করণীয় তা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা তাদের বুঝিয়েছেন। সাধারণ মানুষ এ ব্যাপারে সহযোগিতা করলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করার কাজ অনেকটাই সহজসাধ্য হবে। আমরা আশাবাদী ওয়ার্ডের বাসিন্দারা এ ব্যাপারে অবশ্যই তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন।


