হরিসভা হিন্দু গার্লস (মর্নিং) স্কুলের উদ্যোগে ফুড ফেস্টিভ্যাল || যুবদিবস উপলক্ষ্যে ড্রাগবিরোধী সচেতনতা শিবির কাঞ্চননগর ডিএন দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে


• হরিসভা হিন্দু গার্লস (মর্নিং) স্কুলের উদ্যোগে ফুড ফেস্টিভ্যাল

ভালো ভালো খাবার দেখলে অনেকেরই সেইসব খাবার খেতে খুব ইচ্ছে করে। তবে এইসব খাবার দেখতে পাওয়ার সুযোগ সবসময় সব জায়গায় পাওয়া যায় না। ঘরে ভালো খাবার তৈরী করলেও খুব বেশি হলে একটা – দুটো করা সম্ভব। কিন্তু অনেকগুলি ভালো খাবার একসঙ্গে নিজের ঘরে করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিন্তু অনেকগুলি ভালো খাবার একসঙ্গে দেখার সুযোগ মেলে যখন এই সুস্বাদু খাবারকে কেন্দ্র করে কোনো ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করা হয়। আর ঠিক তেমনই একটি ফুড ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হলো বর্ধমান হরিসভা হিন্দু গার্লস হাইস্কুল (মর্নিং)-এ। ৮ জানুয়ারি এই স্কুলের ছাত্রীরা বিভিন্ন সুস্বাদু খাবার তৈরী করে স্টলে সাজিয়ে তা বিক্রির আয়োজন করে। এই ফুড ফেস্টিভ্যালে অনেকেই অংশগ্রহণ করেন এবং নতুন এই ফেস্টিভ্যালের আনন্দ উপভোগ করেন। এই ফুড ফেস্টিভালকে কেন্দ্র করে বিশেষ করে ছাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। তাদের কথায়, এতদিন বাড়িতে মা-ঠাকুমার হাতে তৈরী ভালো ভালো খাবার খেয়েছি। কিন্তু এবার সেইসব ভালো খাবার নিজেরা তৈরী করতে পেরে খুবই আনন্দ লাগছে। আর এইসব খাবার স্টলে সাজানোর পর মনে হচ্ছে, আমরা সকলেই খুব ভালো রাঁধুনি হয়ে গেছি। এটা একটা নতুন অনুভূতি আমাদের সকলের কাছে।

• যুবদিবস উপলক্ষ্যে ড্রাগবিরোধী সচেতনতা শিবির কাঞ্চননগর ডিএন দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে

কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে পূর্ব বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটির উদ্যোগে ১২ জানুয়ারি জাতীয় যুব দিবস ২০২৬ – বিবেকানন্দ জয়ন্তীকে স্মরণে রেখে পালিত হলো ড্রাগবিরোধী একটি প্রকল্পের অনুষ্ঠান। বস্তুত এটি একটি জাতীয় স্তরের প্রকল্প, নাম – ড্রাগ সচেতনতা এবং সুস্থতার দিশা। সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের শ্লোগান – জীবনকে হ্যাঁ বলুন, ড্রাগকে না।
উপস্থিত ছিলেন সুতপা মল্লিক – বিচারপতি বর্ধমান জাজেস কোর্ট এবং সচিব, ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিস অথরিটি।
ভাষণে বিচারপতি শ্রীমতী মল্লিক বলেন, স্বামী বিবেকানন্দের দেশ গড়ার আহ্বান আজ আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। যুবসমাজ আজ ড্রাগের নেশায় আক্রান্ত। তার থেকে রক্ষা আজ সকলের প্রাথমিক গুরুত্ব হয়ে উঠেছে।
কেউ কুসঙ্গে পড়ে ড্রাগ নিতে পারে। কিন্তু তাকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। আর সেটা তোমাদেরও কর্তব্য। কেউ একবার ড্রাগ অ্যাডিকটেড হয়ে গেলে তাকে বিনামূল্যে চিকিৎসা আর পুনর্বাসন করা হবে। এটাই অথরিটির প্রকল্প। ভুলপথে চলে গেলে তাকে বাঁচাতে হবে। সরকারিভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ ইচ্ছা করে কেনাবেচা করলে সেটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এই বার্তা তোমরা সবাইকে ছড়িয়ে দেবে। প্রয়োজনে টোল ফ্রি নম্বর : ১৯৩৩, ১৪৪৪৬, ১৫১০০ এইগুলিতে ফোন করবে।
প্রধান শিক্ষক ড সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিবেকানন্দের আদর্শ বারংবার নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাু দরকার। তাঁর তরুণের স্বপ্ন ইত্যাদি বই যাতে ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত পড়ে এবং নেশামুক্ত জীবন গড়ে তোলে সেদিকে লক্ষ্য রাখা আমাদের কর্তব্য।

#ফুডফেস্টিভ্যাল #স্কুলইভেন্ট #হরিসভাহিন্দুগার্লসস্কুল
#ছাত্রীদেরউদ্যোগ #শিক্ষারসাথেসংস্কৃতি#যুবদিবস #ড্রাগবিরোধী #ড্রাগসচেতনতা #জাতীয়যুবদিবস #বিবেকানন্দজয়ন্তী
#আইনগতসচেতনতা #ডিস্ট্রিক্টলিগালসার্ভিস #সুস্থজীবন #SayNoToDrugs