1
বিজেপি ও সিপিএম-এর চক্রান্তের প্রতিবাদে জামালপুরে মিছিল
রাজ্যে বিজেপি ও সিপিএম-এর যৌথ ষড়যন্ত্রে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি চলে গেছে। এরই প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে এক ধিক্কার মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি জামালপুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে জামালপুর বাজার হয়ে বাসস্ট্যান্ডের কাছে শেষ হয়। সেখানেই একটি পথসভা করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, কার্যকরী সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, ছাত্র পরিষদের ব্লক সভাপতি বিট্টু মল্লিক সহ শাখা সংগঠনের সভাপতিরা। বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি বলেন, বিজেপি এবং সিপিএম যৌথভাবে চক্রান্ত করে রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। যে ২৬০০০ শিক্ষক শিক্ষিকারা চাকরি হারা হয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দলনেত্রী তাঁদের পাশে আছেন। তাঁরা যেন চিন্তা না করেন, তারা যেন মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখেন। কারণ মুখ্যমন্ত্রী যা বলেন সেই কথা রাখেন। (পজ্)
ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, সিপিএম এবং বিজেপি চক্রান্ত করে এই ২৬০০০ শিক্ষক শিক্ষিকার চাকরি বাতিলের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সমস্ত বৈধ শিক্ষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তাই তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন তাঁদের কোনো চিন্তা নাই। কোনো ভাবেই তাঁরা যেন কারোর প্ররোচনায় না পড়েন।
2
শিক্ষকদের কর্মচ্যুত করার চক্রান্ত ও বিজেপির জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মন্ত্রীর
রাজ্যে ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা চাকরি হারিয়েছেন। তাদের এই চাকরি হারানোর পিছনে বিজেপি এবং সিপিএমের চক্রান্ত রয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। আর তারই প্রতিবাদে পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত হলো। এই মিছিল থেকে একই সঙ্গে বিজেপির নানান জনবিরোধী নীতির প্রতিবাদ জানানো হয়। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, সিপিএম এবং বিজেপি মিলে রাজ্যটাকে পিছিয়ে দিতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার উন্নয়নের কর্মযজ্ঞের মাধ্যমে এই রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। অথচ বিরোধী দল হিসেবে সিপিএম এবং বিজেপি তা মেনে নিতে পারছে না। তাই তারা নানা রকম চক্রান্ত করছে। এরই প্রতিবাদে তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীরা পথে নেমেছেন। (পজ্)
এ প্রসঙ্গে বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ডাঃ শর্মিলা সরকার বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার একদিকে যেমন গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি করেছে, তেমনই পেট্রোপণ্যের মূল্য বাড়িয়ে চলেছে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যে সমস্ত বীমা রয়েছে তার উপরে তারা জিএসটি চাপিয়েছে। এদিকে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে চলেছে। এর কোনো দিকেই ভ্রুক্ষেপ নেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের। আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে তাদের এই সমস্ত জনবিরতি নীতির বিরুদ্ধে লোকসভায় প্রতিবাদ জানিয়েছি। এখানেও পথে নেমে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত করা হচ্ছে। যার নেতৃত্ব দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।
3
তৃণমূল যুব কংগ্রেস ও তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে প্রতিবাদ মিছিল বর্ধমানে
বর্ধমান শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস এবং বর্ধমান শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হলো বর্ধমান শহরে। বর্ধমান কার্জন গেট থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে রাজবাটি পর্যন্ত পৌঁছোয়। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস সহ তৃণমূলের অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব ও কাউন্সিলরবৃন্দ। এদিন এই মিছিল থেকে বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থাকে কালিমালিপ্ত করার জন্য বিজেপি ও সিপিএমের যৌথ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে স্লোগান তোলা হয়। খোকন দাস বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী চাকরিহারা ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার পাশে রয়েছেন। তিনি তাদের পাশে থেকে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস্য দিয়েছেন। অথচ এই সমস্ত কিছুকে অতিক্রম করে বিজেপি এবং সিপিএম রাজ্যে অস্থিরতা তৈরীর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই প্রতিবাদে আমাদের পথে নামা।


