1
বছরভর সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা
বর্ধমানের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তেজগঞ্জ চিল্ড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন সারা বছরই নানান সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে প্রত্যেকদিন সন্ধ্যায় ৬ টার সময় কোচিং ক্লাস শুরু হয়। ক্লাস শুরুর আগে এখানে পড়তে আসা ছেলেমেয়েরা জাতীয় সংগীতে অংশ নেয়। এছাড়াও পড়াশোনা শুরুর বেশ খানিকটা আগে ছেলেমেয়েরা এখানে কিছুটা খেলাধুলাও করে। এই সংস্থার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রতিবছর জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় তিন – চারশো ছেলেমেয়ে এই বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। এই সংস্থার কার্যক্রম প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে তেজগঞ্জ চিল্ড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সম্পাদক উৎপল দত্ত বলেন, এই সংস্থার পরিচালন সমিতির সদস্যবৃন্দ প্রতি মাসে দ্বিতীয় রবিবার আলোচনায় বসেন। আলোচনায় বিগত মাসের কার্যক্রম নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে পরবর্তী মাসের কর্মসূচী নিয়েও তারা আলোচনা করে থাকেন। এই সংস্থার পক্ষ থেকে একটি চিকিৎসা পরিষেবা কেন্দ্র পরিচালনা করা হয়। এখানে সংস্থার পক্ষ থেকে প্রতিদিন গড়ে ২৫ জন করে রোগীর চিকিৎসা করা হয়। উৎপলবাবু জানান, সংস্থার ফ্রি কোচিং ইউনিটে ১৩১ জন ছেলেমেয়ে নিয়মিত ক্লাস করতে আসে। প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত বিনামূল্যে তাদের পড়াশোনা করানো হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে মহিলাদের স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে সেলাই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বর্তমানে ৪৫ জন এখানে প্রশিক্ষণ নেন। বিগত কুড়ি বছরে কয়েক শত মহিলা এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এই সংস্থার নৃত্য বিভাগে নাচ শেখানোর ব্যবস্থা রয়েছে। সংস্থার নিজস্ব জিমে প্রশিক্ষণ নেন ৪৫ জন। অঙ্কন বিভাগে ২১ জন আঁকা শেখেন। এর পাশাপাশি এখানকার কম্পিউটার ইউনিটে এখন ৯৪ জনকে কম্পিউটার শেখানো হয়। এইভাবে সারা বছর নানান কর্মকাণ্ড এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয় বলে জানা গেছে।
2
শহরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে উদ্যোগী পৌরসভা
প্রতি বছরের মতো এ বছরও বর্ষার আগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এলাকায় ঘুরে ঘুরে সাধারণ মানুষকে এ ব্যাপারে সচেতন করছেন। ডেঙ্গু রোগ যাতে না ছড়ায় তারজন্য যত্রতত্র জল জমিয়ে না রাখার ব্যাপারে সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধ করা হচ্ছে। পৌরকর্মীরাও এ ব্যাপারে তাদের সচেতনতামূলক বার্তা বিভিন্ন ওয়ার্ডে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করেছেন। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান পৌরসভার সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এমসিআইসি প্রদীপ রহমান বলেন, আমি আমার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ শুরু করেছি। এই কাজ শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডেই করা হবে। মশক নিরোধক ওষুধ স্প্রে করার কাজ শুরু করা হয়েছে। পুরসভা এ ব্যাপারে তার দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করছে।


