জামালপুরে ১৯৯৮ সালে শহীদ ফেরদৌসকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তৃণমূল কংগ্রেসের I সমাজের সাথী পত্রিকার উদ্যোগে কৃতী ছাত্রছাত্রী ও গুণীজন সংবর্ধনা I জেলা পুলিশের উদ্যোগে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা


1
জামালপুরে ১৯৯৮ সালে শহীদ ফেরদৌসকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন তৃণমূল কংগ্রেসের

১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব দল তৃণমূল কংগ্রেস গড়ে তোলেন আজকের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখন রাজ্যে বামেদের রমরমা শাসন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস দল তৈরীর পর রাজ্যের যুবক ছেলেমেয়েদের মধ্যে একটা উন্মাদনা দেখা যায়। অনেক যুবকই যোগদান করে তৃণমূল কংগ্রেসে। যেটা সেই সময় খুব ভালো চোখে নেয়নি তৎকালীন বাম সরকার। একের পর এক অত্যাচার নেমে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের ওপর। অনেক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী শহীদ হয়েছেন সিপিএমের হাতে। ১৯৯৮ সালে ৩১ মে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরের দিন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে জাড়গ্রাম অঞ্চলের মরাবাঁধ গ্রামের ফিরদৌস রহমানকে নির্মম ভাবে হত্যা করে সিপিএমের বাহিনী। দলের জন্য সেদিন শহীদ হতে হয় ফিরদৌস রহমানকে। সেদিন জামালপুরে ছুটে আসেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে প্রতিবছর আজকের দিনে ফিরদৌস রহমানের শহীদ বেদীতে মাল্যদান করে তাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানায় তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন ফিরদৌস রহমানের শহীদ বেদীতে মাল্যদান করে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক,অঞ্চল সভাপতি শেখ আলাউদ্দিন সহ অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা। (পজ্)

2
সমাজের সাথী পত্রিকার উদ্যোগে কৃতী ছাত্রছাত্রী ও গুণীজন সংবর্ধনা

বর্ধমান থেকে প্রকাশিত সমাজের সাথী পত্রিকার রজতজয়ন্তী বর্ষ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র নজরুল সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা এবং কৃতী ছাত্র-ছাত্রী ও গুণীজন সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল স্কুলে রাজেন্দ্র ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মন্ডল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বিশ্বেশ্বর চৌধুরী, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিক ইন্দ্রজিৎ রায়, রাজ কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক রবি শংকর চৌধুরী, সিএমএস স্কুলের প্রধান শিক্ষক মিন্টু রায়, বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবীর কুমার দে, জাতীয় শিক্ষক তথা গাছ মাস্টার অরুপ চৌধুরী, কবি তাপস ভূষণ সেনগুপ্ত, সাংবাদিক নিজামউদ্দিন এবং বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল বয়েজ স্কুলের প্রধান শিক্ষক অরুণাভ চক্রবর্তী ও সহকারী প্রধান শিক্ষক। এদিন সমাজের সাথী পত্রিকার পক্ষ থেকে এই ধরনের একটি মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য পত্রিকার সম্পাদক দুরন্ত নাগের প্রশংসা করেন প্রত্যেকেই। রামশঙ্কর মন্ডল বলেন, শুধুমাত্র পত্রিকা প্রকাশ নয়, তার পাশাপাশি সুস্থ-সংস্কৃতির বিকাশে এই সমাজের সাথী পত্রিকার ভূমিকা প্রশংসার দাবি রাখে। এদিন মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, আইসিএস এবং আইসিএসসি পরীক্ষায় কৃতী ছাত্র-ছাত্রীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এর পাশাপাশি সাংবাদিকতা, সংগীত চর্চা, নৃত্য চর্চা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুণীজনদেরও সম্বর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন পত্রিকার সম্পাদক দুরন্ত নাগ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এদিনের অনুষ্ঠানের সভাপতি তথা বিশিষ্ট সাংবাদিক বৈদ্যনাথ কোনার। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে উপস্থিত শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি পরিবেশন করেন। (পজ্)

3
জেলা পুলিশের উদ্যোগে কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা

পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্রাসা, হাই মাদ্রাসার কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের আয়োজন করা হয়। বর্ধমান পুলিশ লাইনে অবস্থিত অডিটোরিয়ামে ৩১ মে এই সম্বর্ধনা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সায়ক দাস, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অর্ক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে এদিন বর্ধমান সদর উত্তর মহকুমায় থাকা বিদ্যালয়ের কৃতীদের ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের আয়োজন করা হয়। পুলিশ সুপার জানান, ৮০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রীকে এদিন সম্বর্ধিত করা হয়েছে। যার মূল লক্ষ্য হলো তারা যাতে ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যেতে পারে তারজন্য অনুপ্রেরণা জাগানো। জানা গেছে, পুলিশ কর্মীদের কৃতী সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে জেলা পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।