1
বর্ধমান মডেল স্কুলের ২৫ তম বর্ষ উদযাপন
বর্ধমান মডেল স্কুলের ২৫ তম বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষ্যে ২১ ডিসেম্বর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত নানান অনুষ্ঠান হয়। বর্ধমান মডেল স্কুল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত সাঁতারু সায়নী দাস। তিনি বলেন, আমি এই ধরনের একটি অনুষ্ঠানে আসতে পেরে অত্যন্ত খুশি। এই প্রতিষ্ঠানের সাফল্য কামনা করি। লেখাপড়ার পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। (পজ্)
এই প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, আমরা প্রতিবছর এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকি। এর মধ্যে দিয়ে ছাত্রছাত্রীরা আনন্দ লাভ করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি এখানে সাংস্কৃতি ও ক্রীড়া উভয়েরই চর্চা করা হয়। ছাত্রছাত্রীরা উভয় ক্ষেত্রেই অংশগ্রহণ করে
2
২৬ তম বর্ধমান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু ২৬ ডিসেম্বর
প্রতিবছরের মতো এবছরও বর্ধমান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। এবার এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে বংশ গোপাল টাউন হলে। ২৬ তম এই বর্ধমান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সূচনা হবে অভিজিৎ গুহ ও সুদেষ্ণা রায় পরিচালিত চলচ্চিত্র “আপিস” দিয়ে। এই উপলক্ষ্যে বর্ধমান গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্য প্রেস কর্ণারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সভায় এই উৎসবের অন্যতম আয়োজক বর্ধমান চলচ্চিত্র চর্চা কেন্দ্রের সম্পাদক বাপ্পাদিত্য দাঁ জানান, ২৬ তম বর্ষের এই চলচ্চিত্র উৎসবে দেশ-বিদেশের নানান চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডার পাশাপাশি ইরান, কাজাকাস্থানের ছবিও এবারের চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শন করা হবে। তিনি জানান, এবারের উৎসবে শতবর্ষে স্মরণ করা হবে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিনহাকে। পরিবেশিত হবে তার নির্মিত চলচ্চিত্র ক্ষুধিত পাষাণ। এদিনের সাংবাদিক সভায় উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র চর্চা কেন্দ্রের পক্ষে অন্যতম শীর্ষেন্দু সাধু সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
3
বড়দিনে সম্প্রীতির নিদর্শন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে
২৫ ডিসেম্বর দিনটি যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিন হিসেবে সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হয়। বিভিন্ন চার্চে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেন খ্রিস্টান ধর্মের মানুষজন। এদিকে সম্প্রীতির নিদর্শন হিসেবে বড়দিনে চার্চে গিয়ে ধর্মীয় উপাসনায় অংশ নিলেন জামালপুরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান ও জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষ। তাঁরা আজ জামালপুরের দক্ষিণ শুঁড়ায় চার্চে যান। সেখানে তখন ধর্মীয় উপাসনা চলছিল। সেখানে ফুলের স্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান ফাদারদের।উপস্থিত ছিলেন ওই চার্চের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেপালবাবু। সেখানে গিয়ে তাঁরা উপস্থিত মানুষদের বড় দিনের শুভেচ্ছা জানান। চার্চের পক্ষ থেকে তাঁদের হাত দিয়ে উপস্থিত ভক্তদের শীতের চাদর বিতরণ বিতরণ করা হয়। মেহেমুদ খান বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার, এ কথা আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় বলে থাকেন। তাই আজকের এই দিনে নেপালবাবুদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে এখানে উপস্থিত হয়েছি। তিনি ভগবান যীশুর কাছে সকলের মঙ্গল কামনা করেন। সুস্থ জীবন কামনা করেন এলাকার সকল মানুষের।


