হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠক পঞ্চায়েত মন্ত্রীর


হিমঘর মালিকদের সঙ্গে বৈঠক পঞ্চায়েত মন্ত্রীর

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাজ্য সরকার চাষীদের কাছ থেকে আলু কিনবে। কিন্তু সব ব্লকে এখনও সেইভাবে আলু কেনার কাজ শুরু হয়নি। এই নিয়ে কোথাও কোথাও চাষীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা যাচ্ছে। শুক্রবার নবান্নে কোল্ড স্টোরেজের মালিকদের নিয়ে বৈঠক করা হয়। শনিবার পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে ব্লক অফিসে কোল্ড স্টোরেজের মালিক বা তার প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করেন ব্লক প্রশাসন। সেই বৈঠকে নিজে সরেজমিনে পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান সদর দক্ষিণ মহকুমা শাসক বুদ্ধদেব পান, পুলিশের সিআই স্নেহময় চক্রবর্তী, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, বিডিও পার্থসারথী দে, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মার্কেটিং সাবির আলী, ডিডিএডাব্লিউবি পূর্ব বর্ধমান সজল ঘোষ, ব্লক কৃষি আধিকারিক বিপাশা বসু, জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষ, কৃষি কর্মাধ্যক্ষ জয়দেব দাস সহ অন্যান্যরা। প্রদীপ মজুমদার বলেন, রাজ্যে আলুর ফলন এবারে অনেক বেশী। তাই মুখ্যমন্ত্রী আলু নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন, রাজ্য সরকার সেই মোতাবেক কাজ শুরু হয়েছে। নবান্নে হিমঘরের মালিকদের সাথে বৈঠক হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে পুরো বিষয়টা দেখছেন। তিনি আজ নিজে এসেছেন জামালপুরে পুরো বিষয়টা দেখতে। সব ঠিকই আছে। কৃষকরা তাঁদের আলু হিমঘরে রাখতে পারবেন। আগামী সোমবার থেকে চাষী প্রতি ৭০ বস্তা করে আলু রাখার টোকেন দেওয়া হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ তাঁরা সকলেই চাষীদের সঙ্গে ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। জামালপুরে আলুর বিষয়টা ঠিক ভাবে দেখে নিতে মেহেমুদ খানকে নির্দেশ দেন। মেহেমুদ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথামতো সবকিছুই এখানে ঠিকঠাক করা হবে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন সেই বিষয়টি তারা অবশ্যই গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।