বর্ধমান দক্ষিণে বামফ্রন্টের প্রার্থী সুদীপ্ত গুপ্ত | রাষ্ট্রপতিকে অবমাননার প্রতিবাদে বর্ধমানে আদিবাসী সংগঠনের মিছিল, ডিএম-এর কাছে ডেপুটেশন | কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান | মন্ত্রীর বাড়িতে আক্রমণ, প্রতিবাদে ওয়ার্ডে বাইকরালি কাউন্সিলরের


1
বর্ধমান দক্ষিণে বামফ্রন্টের প্রার্থী সুদীপ্ত গুপ্ত

১৬ মার্চ বামফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা ঘোষিত হয়েছে। ১৯২টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন সিপিআইএমের সুদীপ্ত গুপ্ত। পেশায় শিক্ষক সুদীপ্ত গুপ্ত দীর্ঘদিন শিক্ষক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বাম শিক্ষক সংগঠনের কেন্দ্র ও রাজ্যস্তরে তিনি নেতৃত্বের দায়িত্ব রয়েছেন। খুব অল্প বয়স থেকেই তিনি সিপিআইএম পার্টির একজন সক্রিয় সদস্য। পার্টির বিভিন্ন কর্মযজ্ঞে তাকে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গেছে। অত্যন্ত ভদ্র ও মার্জিত রুচিসম্পন্ন এই শিক্ষক নেতাকে প্রার্থী হিসেবে পেয়ে ইতিমধ্যেই বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের সিপিআইএম নেতৃত্ব ও কর্মীরা তার সমর্থনে পথে নেমে পড়েছেন। সুদীপ্ত গুপ্তকে নিয়ে ১৬ মার্চ সন্ধ্যাতেই শহরের বেশ কিছু এলাকায় তারা মিছিল করেন। মিছিল থেকে বামফ্রন্টের এই প্রার্থীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানানো হয়।

2
রাষ্ট্রপতিকে অবমাননার প্রতিবাদে বর্ধমানে আদিবাসী সংগঠনের মিছিল, ডিএম-এর কাছে ডেপুটেশন

রাষ্ট্রপতিকে অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে প্রতিবাদের আবহের মধ্যে সোমবার পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করলো ইউনাইটেড ফোরাম অফ অল আদিবাসী অর্গানাইজেশনের পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখা। সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্ধমান শহরে একটি প্রতিবাদ মিছিল ও জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। সোমবার বর্ধমান রেলস্টেশন চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা জিটি রোড অতিক্রম করে কার্জন গেট পর্যন্ত মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। আদিবাসীদের মিছিলটি বর্ধমানের কার্জন গেট এলাকায় আসার আগেই জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে ব্যারিকেডে ঘিরে ফেলা হয়। মিছিলে আদিবাসী সমাজের বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বিভিন্ন দাবিদাওয়া ও প্রতিবাদের স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। সংগঠনের সদস্যরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানারের পাশাপাশি তীর ধনুক নিয়ে প্রতিবাদে সামিল হন।
মিছিল শেষে প্রতিনিধিদল পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দপ্তরে গিয়ে একটি স্মারকলিপি জমা দেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির মতো দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তিকে অবমাননা করা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই ঘটনার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আদিবাসী সংগঠনগুলি প্রতিবাদ কর্মসূচী পালন করছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে।

3
কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠান

আমাদের প্রত্যেকেরই স্বীকৃতি দরকার – জীবনপথে চলার জন্য এটি একপ্রকার ইন্ধন। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে বাৎসরিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ছিল এটাই মূল সুর। সব মিলিয়ে ৩৬টি বিভাগে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের সুদৃশ্য মেমেন্টো, মেডেল ও সার্টিফিকেট দিয়ে ভূষিত করা হয়। ক্রীড়াক্ষেত্রে বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়, লম্ফন, নিক্ষেপ, মিউজিকাল চেয়ার, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আবৃত্তি, অভিনয়, প্রবন্ধ রচনা, অঙ্কন, ছড়া লেখা, বানান ইত্যাদি বিষয়ে পুরস্কার প্রাপ্তিতে সফলদের মুখগুলি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে।
এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া বিভাগের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সঞ্জীব নন্দী এবং সাংস্কৃতিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায় জানান, সব শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মীদের সহযোগিতায় এদিনের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হতে পেরেছে।
রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ড সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, নতুন শিক্ষানীতি শুধু শ্রেণীকক্ষে সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন বয়সোচিত কর্মকাণ্ড তথা নেতৃত্বদানের দক্ষতা ছাত্রছাত্রীদের কিভাবে পরিপার্শ্বে অভিযোজিত করবে সেই চ্যালেঞ্জ আমাদের সবাইকে নিতে হবে। আর সমাজে এই বার্তা জানাবার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার সঠিক ব্যবহারটাও দরকার। এক্ষেত্রে সঠিক পথ সম্পর্কেও ছাত্র-ছাত্রীদের অবহিত হতে হবে।

4
মন্ত্রীর বাড়িতে আক্রমণ, প্রতিবাদে ওয়ার্ডে বাইকরালি কাউন্সিলরের

গত ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর অভিযোগ এদিন এই সভাকে কেন্দ্র করে কলকাতায় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি আক্রান্ত হয় বিজেপির দুষ্কৃতিদের হাতে। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বর্ধমান শহরে ২১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীদের নিয়ে বাইকরালি করলেন এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শ্যামাপ্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমরা এই বাইকরালি থেকে ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের কাছে এই বার্তা দিয়েছি যে, আমরা পথে রয়েছি, সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছি। যারা বাংলা বিরোধী, যারা বাংলাকে অশান্ত করতে চায়, যারা বাংলাকে ধর্মীয় বিভাজনে ভাগ করতে চায় তাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠুন। আগামী দিনে তাদের প্রত্যাখ্যান করুন। ভোটের বাক্সে তাদের যাবতীয় নোংরামির জবাব দিন। শ্যামাপ্রসাদ বলেন, যেভাবে রাজ্যের একজন মহিলা মন্ত্রীর বাড়ি আক্রান্ত হলো, যেভাবে তাকে হেনস্থা করার চেষ্টা করা হলো, যেভাবে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মারধর করা হলো, তাতে একটা জিনিস বোঝা গেল, বিজেপি আগামী দিনে কি চাইছে। তারা গণতন্ত্রকে হত্যা করতে চায়, বিরোধীদের কণ্ঠ রোধ করতে চায়, বাংলার মাটিকে কলুষিত করতে যায়। তাই বিজেপির এই চক্রান্তকে ব্যর্থ করার জন্যই আমরা এই প্রতিবাদ কর্মসূচীতে সামিল হয়েছি।