১৪ দফা দাবি নিয়ে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ডেপুটেশন | হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সাংবাদিক সভা


1
১৪ দফা দাবি নিয়ে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির ডেপুটেশন

১৪ দফা দাবিকে সামনে রেখে নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ অফিসে চেয়ারম্যানের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হলো। এদিন মিছিল করে এসে শিক্ষক শিক্ষিকারা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদ অফিসে জমায়েত হন। সেখানে তারা তাদের দাবির কথা উল্লেখ করেন। নেতৃত্বের পক্ষ থেকে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো ২৫ শতাংশ ডি.এ. দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনোরকম উচ্চবাচ্য করা হচ্ছে না। প্রাথমিক শিক্ষকদের হেল্থ স্কিমের সুবিধে প্রদান করা হয় না। এই সুবিধে প্রাথমিক শিক্ষকদেরও দিতে হবে। প্যারা টিচাররা যথেষ্ট দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেন। অথচ তাদের মাইনে ১০ হাজার টাকার কম। আমরা দাবি জানাচ্ছি, শিক্ষক হিসেবে সমমর্যাদায় তাদের সমান বেতন দিতে হবে। অধিকাংশ স্কুলেই একজন করে মাত্র শিক্ষক রয়েছেন। অথচ শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যানের সদিচ্ছা থাকলেও শিক্ষা দপ্তরের প্রশাসনিক স্তর থেকে এই কাজে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গ্রুপ সি গ্রুপ ডি পদে স্টাফ নেই বললেই চলে। এই স্টাফ নিয়োগ করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করতে গেলে শিক্ষা দপ্তরকে সদর্থক মানসিকতা নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।

2
হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সাংবাদিক সভা

বর্ধমান হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে কলেজ প্রাঙ্গণে এক সাংবাদিক সভার আয়োজন করা হয়। ৫ মার্চ আয়োজিত এই সাংবাদিক সভায় এই কলেজের ডিরেক্টর ডাক্তার অসীম কুমার সামন্ত বলেন, বর্তমানে এই কলেজের বয়স ৪৮ বছর অতিক্রম করেছে। গভর্নমেন্ট এডেড এই কলেজের জন্য সরকারের কাছ থেকে বছরে কিছু টাকা পাওয়া যায়। তবে বর্তমানে নিটের আন্ডারে এই কলেজে ছাত্রছাত্রী ভর্তির বিষয়টি কার্যকর হওয়ায়, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ক্রমশ কমছে। এর ফলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে কলেজকে। এছাড়াও আরও কিছু সমস্যা উপস্থিত হয়েছে। আমরা চাইছি সকলের সমবেত প্রচেষ্টায় এই কলেজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। এখানকার হসপিটালকে আরও বেশি করে কার্যকরী করে তুলতে। এরফলে আর্থিক সমস্যা কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে। তাই এই বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়ানোর দিকটিও আমরা গুরুত্ব দিয়েছি। (পজ্)

এই কলেজকে নিয়ে বেশকিছু সমস্যা তৈরী হয়েছে। যে সমস্যাগুলি খানিকটা ইচ্ছাকৃতভাবেই করা হয়েছে। এ বিষয়ে আলোকপাত করেন ডাঃ তারক রায়। তিনি বলেন, এই কলেজ পরিচালনার কাজে যাতে বাধা না আসে তারজন্য আমরা জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এখানকার হসপিটাল আরও উন্নতমানের করা নিয়েও ভাবনাচিন্তা করা হয়েছে।