অণুজীববিদ্যা বিষয়ে পাঠচক্র দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে
অণুজীববিদ্যার বিভিন্নতা ও উপকার তথা অপকার বিষয়ে একটি মনোগ্রাহী পাঠচক্রের আয়োজন করা হয় কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। এই অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এবং ছাত্রছাত্রীরা।
অধ্যাপক ড শুভ্রকান্তি মুখোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় ইউজিসির পাঠক্রমের “সোশাল আউটরিচ প্রোগ্রাম”- এই নামের অনুষ্ঠানের সূচনাপর্বে অধ্যাপক সোমাশ্রী দাম মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে অণুজীবের আত্মীয়তার কথা বলেন। খাদ্য কিভাবে মস্তিষ্ককে তথা ব্যক্তিত্বকে প্রভাবিত করে তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেন তিনি।
এরপর বিভাগীয় ছাত্রছাত্রীরা অণুজীববিদ্যার বিজ্ঞানীদের ছবি দেখিয়ে পরিচয় করিয়ে দেন। বিভিন্ন যে সব যন্ত্রে তাদের দেখা বা অস্তিত্ব জানার উপায় আছে সেগুলির সম্বন্ধে জানানো হয়। ব্যাকটেরিয়া ফাঙ্গি ভাইরাস ইত্যাদি কিভাবে কালচার করা হয় সে বিষয়ে বলা হয়। স্যানিটাইজ ডিসইনফেকশন স্টেরিলাইজ ইত্যাদির বিষয়েও ছাত্রছাত্রীরা প্রেজেন্টেশন দেন। বার্ড এভিয়ন ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিপা ভাইরাস সম্বন্ধেও অবহিত করা হয়।
অধ্যাপক প্রদীপ্ত সাহা কৃষি শিল্প খাদ্য চিকিৎসা ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে অণুজীবের ব্যাপক ব্যবহার ও প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। মতামত দেন বিদ্যালয়ের সংস্কৃত পণ্ডিত দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত ডঃ সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, আমরা ভুলে গেছি যে অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের শরীরে এবং প্রকৃতিতে তৈরী হয়। সেসবের ব্যবহার করতেই প্রকৃতি আমাদের আহ্বান জানায়। আমরা তা অবহেলা করে নিজেদের বিপদ ডেকে এনেছি। এমনকি অণুজীব মাটিকে উর্বর করে আমাদের খাদ্যশৃঙ্খল, পরিপাক ও পুষ্টি ঠিক রেখেছে। এই বিষয়গুলি নিয়েই এখানে আলোচনা করা হয়।


