1
১লা মে ৫০০ ইউনিটের বেশি রক্ত দেবেন শ্রমজীবীরা
প্রতিবছর ১লা মে দিনটি আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই উপলক্ষে এ বছর পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনায় তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের উদ্যোগে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। কালনা তৃণমূল বাস শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে কালনা নতুন বাসস্ট্যান্ড প্রাঙ্গণে আয়োজিত রক্তদান শিবিরে এদিন ৫০০ ইউনিটের বেশি রক্ত দেবেন শ্রমজীবী অংশের মানুষরা। এ খবর জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির সভাপতি সন্দীপ বসু। তিনি বলেন, ১লা মে শ্রমিক দিবসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে এই রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হবে। আমরা আশাবাদী বিভিন্ন হাসপাতালে ব্লাড ব্যাঙ্কে যে রক্তের সংকট গরমের সময় দেখা দেয় তা নিরসনে অনেকটাই সহযোগিতা করতে পারবো আমরা। তিনি বলেন, শ্রমজীবী অংশের মানুষরা সবসময়ই এই ধরনের সামাজিক কাজে অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে থাকেন।
2
দীঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধন উপলক্ষে সম্প্রীতির নিদর্শন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর
এই রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দীঘায় জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আগেই শুরু হয়েছে হোমযজ্ঞ। রাজ্যের প্রতিটি জেলার প্রতিটি ব্লকে জায়ান্ট স্ক্রিন করে সেই অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে। সেই অনুষ্ঠান দেখতে জামালপুরে সম্প্রীতির ছবি দেখা গেল। জামালপুর ব্লকে ব্লক অফিসে যে জায়ান্ট স্ক্রিন করা হয়েছে সেখানে বিডিও, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি , সহ সভাপতি ,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সহ প্রধান, উপ প্রধানদের সঙ্গে একত্রে বসে বিষয়টি উপভোগ করলেন বিজেপির জামালপুর ১ মন্ডল সভাপতি প্রধান চন্দ্র পাল। তিনি এ বিষয়ে রাজ্য সরকারের এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষভাবে প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, আজ পশ্চিমবঙ্গের এক গর্বের দিন। তিনি নিজেও এতে গর্ব অনুভব করছেন। অনেক সাধারণ মানুষ যাদের পুরী গিয়ে জগন্নাথ মন্দির দর্শন করা সম্ভব হবে না, তারা কিন্তু এখানে গিয়ে জগন্নাথ দর্শন করতে পারবেন। জামালপুরে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের দলনেত্রী যা করে দেখালেন তা সারা বিশ্বে এক আদর্শ হয়ে থাকবে। পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে আজ সত্যিই গর্বের দিন। মুখ্যমন্ত্রী সত্যিই অতুলনীয়া। পশ্চিমবঙ্গের অনেক মানুষের সামর্থ হতো না পুরী যাবার। এবার দীঘাতেই জগন্নাথ দর্শন করতে পারবেন মানুষ। তিনিও নিজেও জয় জগন্নাথ বলেন। এইভাবেই এক সম্প্রীতির নিদর্শন তৈরী হয় এখানে।
3
সর্বমঙ্গলা মাতার নামিত ডাকটিকিট আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হলো
৩০ এপ্রিল অক্ষয় তৃতীয়ার পুণ্য লগ্নে বর্ধমানের প্রতিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলা মাতার নামিত ডাকটিকেট ও ফার্স্ট ডে কভার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হলো। প্রকাশ করলেন দক্ষিণবঙ্গের পোস্টমাস্টার জেনারেল রিজু গাঙ্গুলী। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান তথা শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা ট্রাস্ট বোর্ডের সভাপতি পরেশ চন্দ্র সরকার, বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, স্থানীয় কাউন্সিলর স্বীকৃতি হাজরা, বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাক্তার এস কে দাস, শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা ট্রাস্ট বোর্ডের অন্যতম সদস্য বিশিষ্ট আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ প্রমুখ।
(পজ্)
এদিন এই অনুষ্ঠানে রিজু গাঙ্গুলী বলেন, বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী সর্বমঙ্গলা মাতার মন্দির ৩০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন। আমাদের ডাক বিভাগের চেয়েও প্রাচীন এই মন্দির। তাই এই সর্বমঙ্গলা মাতার নামিত ডাকটিকিট প্রকাশ করতে পেরে আমরা ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে অত্যন্ত গর্বিত। ডাক বিভাগ সবসময় সামাজিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকে। যার মধ্যে অন্যতম হলো আমাদের কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকে মানুষের সামনে তুলে ধরা। আমরা এই ডাকটিকিট প্রকাশের মধ্যে দিয়ে সেই কাজটাই করার প্রচেষ্টা নিয়েছি। শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা ট্রাস্ট বোর্ড এই কাজে আমাদের আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। তারজন্য তাদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানাই। (পজ্)
পরেশ চন্দ্র সরকার ও খোকন দাস দুজনেই ডাক বিভাগের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান। সর্বমঙ্গলা মাতার নামিত ডাক টিকিট প্রকাশের মধ্যে দিয়ে মায়ের মন্দিরের এই যে প্রচার দেশ ও বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে তারজন্য ডাক বিভাগের প্রতি তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। (পজ্)
সঞ্জয় ঘোষ বলেন, ভারতীয় ডাক বিভাগ এখানে শ্রী শ্রী সর্বমঙ্গলা মাতার নামিত ডাক টিকিট প্রকাশের যে উদ্যোগ তাকে আজ বাস্তবায়িত করেছে। এরজন্য আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। এখানে যে ফার্স্ট ডে কভার প্রকাশিত হলো তা মন্দির থেকে দর্শনার্থীরা পাবেন। পাঁচ টাকার বিনিময়ে এই কভার পাওয়া যাবে। আমাদের কাছে আজকের দিনটি অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের।


