বর্ধমান চেম্বার অফ কমার্স কে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ II জেলার প্রতিটি ব্লকে প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প কার্যকর হবে


1
বর্ধমান চেম্বার অফ কমার্স কে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ

বর্ধমান জেলায় একসময় ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হিসেবে পরিচিত ছিল বর্ধমান চেম্বার অফ কমার্স। তবে দীর্ঘদিন এই সংগঠনের কাজকর্ম সেইভাবে পরিলক্ষিত হয়নি। এবার পুনরায় এই সংগঠনকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। তারই আন্তরিক প্রচেষ্টায় বর্ধমান পান্থশালায় শহরের বেশকিছু বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর উপস্থিতিতে একটি সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় উপস্থিত থেকে খোকন দাস বলেন, সারা দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ব্যবসায়ীদের সংগঠন হিসেবে চেম্বার অব কমার্সের এটা ভূমিকা রয়েছে। বর্ধমান শহরেও সেই ভূমিকা ছিল। মাঝে এই সংগঠনের কাজকর্ম সেইভাবে লক্ষ্য করা যায়নি। আমরা পুনরায় এখানকার ব্যবসায়ীদের নিয়ে এই সংগঠনকে নতুন করে কার্যকর করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। (পজ্)

এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শীর্ষেন্দু সাধু জানান, আপাতত পাঁচজনকে নিয়ে একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি চেম্বার অব কমার্সের প্রাথমিক কাজকর্ম পরিচালনা করবেন। এরপর আগামী ১৮ মে বর্ধমান সংস্কৃতি লোকমঞ্চে বৃহৎ আকারে সংগঠনের একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা আশাবাদী বর্ধমান চেম্বার অফ কমার্স আবার স্বমহিমায় তার কাজকর্ম শুরু করতে পারবে।

2
জেলার প্রতিটি ব্লকে প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প কার্যকর হবে

পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩ টি ব্লককে প্লাস্টিক দূষণমুক্ত রাখতে এলাকায় সচেতনতার কাজ চলছে। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে প্লাস্টিক বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একথা জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তিনি বলেন, জেলার প্রতিটি ব্লকে এই প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে যুক্তদের নিয়ে সভা করা হচ্ছে। বিশ্বনাথ জানান, ইতিমধ্যেই জেলার ২৩ টি ব্লকের মধ্যে ১৯ টি ব্লকে এই আলোচনার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। বাকি চারটি ব্লকেও এক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনার কাজ সম্পন্ন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্লাস্টিক আমাদের সমাজে মারণ রোগ ক্যান্সারের অন্যতম একটি কারণ। যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলে দেওয়ার ফলে পরিবেশের বিভিন্ন স্তরে যেমন মাটি, জল ইত্যাদি ব্যবহারযোগ্য উপাদানের সঙ্গে তা মিশে গিয়ে আমাদের শরীরে নানাভাবে প্রবেশ করছে। এর মধ্যে দিয়ে শরীরে জটিল রোগের সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। আমরা প্রতিটি এলাকার মানুষের কাছে বলছি, তারা যেন বিভিন্ন প্রয়োজনে ঘরে নিয়ে আসা প্লাস্টিক যেখানে সেখানে ফেলে না দেন। বাড়িতে নিজস্ব একটি বালতি কিংবা বস্তায় সেই প্লাস্টিক ভরে রেখে দেন। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধি দল রয়েছেন। তারা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে সেই প্লাস্টিক সংগ্রহ করে নেবেন। এই কাজ প্রতিটি এলাকায় ধারাবাহিকভাবে চলবে বলে জানা গেছে।