1
রাতে বাঁশের সেতু ভেসে যাওয়ায় খড়ি নদী পেরিয়ে যাতায়াতের সমস্যা
ঘটনা পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা মহকুমার। এখানে দড়ি ধরে নদী পারাপার হচ্ছে যাত্রীরা। এমনই দৃশ্য দেখা গেল পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের দাদপুরে। নাদনঘাট থানার নসরতপুর পঞ্চায়েতের দাদপুর এবং কালনা থানার নান্দাই পঞ্চায়েতের কুটিরডাঙ্গার মধ্যে দিয়ে তির তির করে বয়ে চলেছে খড়ি নদী। নদীর এপারে রয়েছে নসরতপুর পঞ্চায়েতের দাদপুর। নদীর অপরপ্রান্তে রয়েছে নান্দাই পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুটিরডাঙা, দুপসা পারদুপসা, খরিনান সহ ১০ টি গ্রাম। এই দশটি গ্রামের মানুষজনের নিত্য প্রয়োজনীয় সমস্ত কিছু যেমন বাজারঘাট, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার জন্য স্কুল, কলেজ, রেলপথে যাতায়াতের জন্য স্টেশন, এমনকি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে হলেও নদী পারাপার করতেই হয়। এছাড়াও ওপারের বহু মানুষ দুধের ব্যবসা করেন । তাদের দুধ নিয়ে এপারে আসতেই হয়। নদী পারাপারের জন্য একমাত্র সম্বল বাঁশের তৈরী একটি সেতু । যা দিয়ে খুব সহজেই তারা এপারে আসতে পারতেন এবং তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজগুলি সেরে নিতে পারতেন। নদী পারাপারের জন্য এই বাঁশের তৈরী সেতুটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য। কিন্তু একদিন আগে গভীর রাতে প্রবল জলস্রোত এবং অত্যধিক কচুরিপানার চাপে এই বাঁশের তৈরী সেতুটি ভেসে চলে যায়। যেহেতু গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে তাই বাঁশের সেতুটিকে ভেসে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যায়নি। সেতুটি ভেসে যাওয়ায় নদীর ওপারের প্রায় ১০ টি গ্রামের মানুষজন দারুণ সংকটের মধ্যে পড়েছেন। বর্তমানে নদীর উভয় প্রান্তে দড়ি বেঁধে নৌকা দিয়ে অতি কষ্টে পারাপার হচ্ছেন মানুষজন। দড়ি ধরে ধরে নদী পারাপার রীতিমত ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান স্থানীয়রা। অপরদিকে ঘাট মালিক জানান, বাঁশের সেতুটি ভেসে যাওয়ায় প্রায় দু লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়ে গেছে। তিনি আরও জানান, মানুষজনের যাতে কোনো অসুবিধা না হয় তারজন্য বর্তমানে দড়ি বেঁধে তিনি যাত্রীদের নৌকায় পারাপার করছেন। এই অসুবিধার হাত থেকে বাঁচতে এলাকার মানুষজন এখানে একটি পাকা সেতুর দাবি জানান। স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি দ্রুত কার্যকর করুন এমনটাই চাইছেন তারা।
2
বর্ধমানে আয়োজিত হলো যোগা প্রতিযোগিতা
বর্ধমান যোগ সার্কেল এবং কাজল সুধা যোগ মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে ৫ নম্বর ইছালাবাদের ওলাইচন্ডি তলায় আয়োজিত হলো এক যোগা কম্পিটিশন। যেখানে ২৮০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু এবং ৮০বছরের বেশি বয়সী প্রতিযোগীরাও অংশগ্রহণ করেছিলেন। বর্ধমান যোগ সার্কেলের তরফে প্রণব কুমার রক্রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যোগ বিশেষজ্ঞ জয়ন্ত হোর এবং পুষ্টিবিশেষজ্ঞ প্রলয় মজুমদার। অনুষ্ঠানে প্রত্যেকেই তারা তাদের মতামত জানান।
3
১৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে রাজনৈতিক কর্মশালা
বর্ধমান শহরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক রাজনৈতিক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়, বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক, কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলম সহ অন্যান্য কাউন্সিলরবৃন্দ, বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়দেব মুখার্জী প্রমুখ। এখানে সভায় খোকন দাস বলেন, আগামী ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ওয়ার্ডেই রাজনৈতিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই কর্মশালা আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো, দলের নেতৃত্ব ও কর্মীদের আগামী নির্বাচনের জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ার বিষয়ে অবহিত করা। পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটার তালিকা সম্পর্কে বিজেপির চক্রান্তের কথা জানিয়েছেন। সে বিষয়েও আমরা দলের নেতৃত্ব ও কর্মীদের সচেতন করতে চাই। একই সঙ্গে ওয়ার্ডে দলের সংগঠনকে আরও মজবুত করাও আমাদের লক্ষ্য থাকবে। ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী দিনে সম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছাব্বিশে নির্বাচনে জয়কে সুনিশ্চিত করতে হবে।


