1
রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন, স্বাস্থ্য শাখার সম্মেলন
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মচারী ফেডারেশন, স্বাস্থ্য শাখা — বর্ধমান মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল ইউনিটের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো স্বাস্থ্য দপ্তরের অডিটোরিয়ামে। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, সিএমওএইচ জয়রাম হেমব্রম, বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মৌসুমী ব্যানার্জী, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সুপার ডাক্তার তাপস ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।
এই সম্মেলনে বিধায়ক খোকন দাস বলেন, রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের কাছে যথাযথ স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিকাঠামোগত উন্নয়নে সবরকম প্রচেষ্টা নিয়েছেন। আধুনিক চিকিৎসা পরিষেবা ব্যবস্থাকে কার্যকর করেছেন। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের কাছে অনুরোধ তারা যেন এই পরিষেবা প্রদানে সহযোগী মানসিকতা পোষণ করেন। খোকন দাস বলেন, সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবা কেন্দ্রে এসে একজন রোগী যেন যথাযথ চিকিৎসা পান সে দিকটা নজর দিতে হবে। তার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি করে আন্তরিক হতে হবে।
সিএমওএইচ জয়রাম হেমব্রম বলেন, বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটাই এগিয়ে আছে। তবে আরও আমাদের খানিকটা এগিয়ে যেতে হবে। স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের বিষয়টি একটি টিম ওয়ার্ক। সকলের সম্মিলীত প্রচেষ্টা থাকলে তবেই এতে সাফল্য পাওয়া সম্ভব। আমি আশা রাখবো এই স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকেই তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন এবং পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের যে অবস্থান তাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সহযোগিতা করবেন।
এ বিষয়ে বর্ধমান মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাক্তার মৌসুমী ব্যানার্জী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হবে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবস্থান সারা রাজ্যে পাঁচ-ছ নম্বরে রয়েছে। আমাদের আরেকটু প্রচেষ্টা গ্রহণ করলে এক থেকে তিনের মধ্যে আমরা চলে আসতে পারবো। আমি এই স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত এখানে প্রত্যেককে বলবো তারা যেন সকলে তাদের বেস্টটা দেন। এই বেস্ট পরিষেবাটা দিতে পারলেই এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অবস্থান অনেকটাই সামনের সারিতে চলে আসবে।
2
আধুনিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষে গুরুত্ব প্রদানের আহ্বান
আধুনিক পদ্ধতিতে মৎস্য চাষে গুরুত্ব দিতে হবে। এই কাজ মৎস্য চাষীদের আন্তরিকভাবে করতে হবে বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের মৎস্য মন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী। বর্ধমানে একোয়া ফার্মার্স এন্ড ফিশারম্যান ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সংক্রান্ত এক কর্মশালায় উপস্থিত থেকে এই কথাগুলি বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মৎস্য চাষ করার ক্ষেত্রে চাষীদের পুকুরের বিষয়ে যত্নশীল হতে হবে। দূষণমুক্ত পরিবেশ তৈরী করতে হবে। তবেই পুকুর মৎস্য চাষের উপযোগী হয়ে উঠবে। মন্ত্রী বলেন, মৎস্য চাষীরা চাষের জন্য ব্যাংক থেকে লোন নেন। কিন্তু এই লোন শোধ করার ক্ষেত্রে তাদের অনেক গাফিলতি থাকে। এই বিষয়টিতে নজর দিতে হবে। রাজ্য সরকার নানাভাবে মৎস্য চাষীদের সহযোগিতা করে। এই সহযোগিতা গ্রহণের ক্ষেত্রেও তাদের আরও বেশি করে আন্তরিক হবার আহ্বান জানান মন্ত্রী। এদিনের এই কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। তারা সকলেই মৎস্য চাষে আরও আধুনিকীকরণে গুরুত্ব আরোপ করেন।


