1
চন্দ্রপুর কলেজে নবীনবরণে নবাগতদের হাতে গাছের চারা প্রদান
চন্দ্রপুর কলেজে বাংলা বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ উদ্যোগ নিতে দেখা গেল কলেজ কর্তৃপক্ষকে। প্রতিবছরের মতো এ বছরও বিভাগীয় ঐতিহ্য মেনে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। যেখানে নবাগত ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গোলাপ ফুলের বদলে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ফুল ও ফলের গাছের চারা। (পজ্)
ঠিক এই ফুল ও ফলের গাছের চারার মতোই উজ্জীবিত নবীনরা এই নতুন উপহার হাতে পেয়ে অত্যন্ত আপ্লুত। এ প্রসঙ্গে কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ডক্টর তন্দ্রা পাল জানান, তাদের বিভাগে বিগত সাত-আট বছর ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই রীতি মেনে চলছেন তারা। কলেজে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের যেমন প্রকৃত শিক্ষার পাঠদান করা হয়ে থাকে, তেমনই তাদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে প্রকৃতিকে সবুজে ভরিয়ে তোলার একটা বার্তা দেওয়া হয়। এবছর তাদের এই উদ্যোগের পাশের এসে দাঁড়িয়েছে গাছ গ্রুপের ভাতাড় শাখা। তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় এই নবীনবরণ অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে। বাংলা বিভাগের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন গাছ গ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তথা জাতীয় শিক্ষক অরূপ চৌধুরী। তার কথায়, চন্দ্রপুর কলেজ কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও অনুপ্রাণিত করুক, সেটাই আমাদের কামনা। এই অনুষ্ঠানে ভাতাড় গাছ গ্রুপের পক্ষে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক নবীনানন্দ হাজরা, গাছপ্রেমী শেখ আশিক ও তন্ময় হাজরা এই কলেজ প্রাঙ্গণে একটি পলাশ ও একটি অশোক ফুলের চারা রোপন করেন। তারা প্রত্যেকেই কলেজ কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে আগামী দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
2
ভোটার তালিকা নিয়ে বাড়ি বাড়ি পর্যবেক্ষণে কাউন্সিলর
ওয়ার্ডে ভোটার তালিকায় কোনো ভুতুড়ে ভোটারের নাম রয়েছে কিনা তা সরেজমিনে দেখার জন্য নিজের ওয়ার্ডে কাজ শুরু করেছেন কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক। ইতিমধ্যেই ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন পার্টে এই পর্যবেক্ষণের কাজ ঘুরে ঘুরে করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুশান্তবাবু। ইতিপূর্বে ১১৪ নম্বর পার্টে এই কাজ করা হয়েছে। এবার কাজ চলছে ১১৩ নম্বর পার্টে। এ প্রসঙ্গে সুশান্ত প্রামাণিক জানান, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশক্রমে তাদের এই ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের কাজ ওয়ার্ডের শুরু করা হয়েছে। এই কাজের সঙ্গে তিনি যেমন যুক্ত রয়েছেন, তেমনই ওয়ার্ডের বিভিন্ন বুথের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্টরাও যুক্ত আছেন। ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতায় ভোটার তালিকা থেকে ভুতুড়ে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া সেই কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, বিজেপি ইতিপূর্বে বিভিন্ন রাজ্যে ভিন রাজ্যের ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় ঢুকিয়ে ভোটে জয়লাভ করেছে। পশ্চিমবঙ্গেও তারা তাই করতে চাইছে। কিন্তু সেটা সম্ভব হবে না। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশক্রমে ইতিমধ্যেই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ভুতুড়ে ভোটারদের চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করেছি।


