1
প্রাইমারি স্পোর্টসে রাজ্যস্তরে অংশগ্রহণকারী দুই প্রতিযোগীকে সম্বর্ধনা
কয়েকদিন আগে শালবনিতে হয়ে যাওয়া রাজ্য প্রাইমারি স্পোর্টসে অংশ নিয়ে ক বিভাগে লং জাম্পে সারা রাজ্যে প্রথম হয়েছিল জামালপুর ব্লকের বাণী নিকেতন রঙ্কিনি মহুলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী রিমা ভূমিজ। তারই সাথে শিয়ালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আর এক ছাত্রী ২০০ মিটার দৌড়ে অংশ গ্রহণ করে। যদিও সে কোনো স্থান পায়নি। তবে এবার একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিয়ালী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাদের দুজনকে বিশেষ সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়াও রিডিং কর্ণার হিসেবে একটি কক্ষেরও উদ্বোধন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, জামালপুর চক্রের এসআই অনিন্দিতা সাহা, এলাকার বিশিষ্ট সমাজসেবী তপন দে সহ ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পবিত্র কুমার কোলে, বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্লকের বিশিষ্ট শিক্ষক আব্দুর রহমান। মেহেমুদ খান বলেন, এই প্রাইমারি স্কুলেই কিছুদিন আগে খুব সুন্দরভাবে শিশু সংসদ নির্বাচন হয়েছে। যা সত্যি নতুনত্বের দাবি রাখে। আর রাজ্যস্তরের স্পোর্টসে অংশগ্রহণকারী দুজনকে এখানে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হলো। যার মধ্যে রিমা রাজ্যে প্রথম হয়েছে। এদের সম্বর্ধনা দেওয়া সত্যিই খুব ভালো উদ্যোগ। তিনি চান এই দুজন আগামীতে আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক। (পজ্)
এসআই অনিন্দিতা সাহা বলেন, সত্যি খুব ভালো লাগছে এই অনুষ্ঠানে এসে। বেশ সুন্দর পরিবেশ এই স্কুলের। আর রাজ্যস্তরে অংশগ্রহণকারী দুজনকে যে সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তাতে আগামী দিনে ওরা আরও অনুপ্রাণিত হবে। এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।
2
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগের ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন শিবির
বর্ধমান শহরের তেজগঞ্জে অবস্থিত তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনে বিভিন্ন শ্রেণীতে পাঠরত ছাত্রছাত্রীদের অবৈতনিক শিক্ষা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এই কাজ ইতিপূর্বেই শুরু করা হয়েছে। এ বছর মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে এই সংস্থার অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগের ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন শিবির অনুষ্ঠিত হলো। এই শিবিরে এখানে পাঠরত ১৩১ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ১১৮ জন উপস্থিত ছিল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আশি জন অভিভাবক সহ ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা। ছিলেন এই শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত শান্তনু চন্দ্র, সংস্থার সম্পাদক উৎপল দত্ত সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে মানস দত্ত, সুপর্ণা সিংহ সহ অন্যান্যরা। এ প্রসঙ্গে উৎপল দত্ত বলেন, এখানে অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগে মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছেলেমেয়েদের পাঠদানের বিষয়টিকে অধিক প্রাধান্য দেওয়া হয়। এদিনের শিবিরে এখানকার পাঠদানের মূল্যায়ন, ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতির হার, তাদের চাহিদা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অভিভাবকরাও তাদের মতামত জানান। উৎপল দত্ত বলেন, সকলের ভাবের আদান-প্রদানের মধ্যে দিয়ে আমরা এই অবৈতনিক শিক্ষা বিভাগের কাজকে ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে আগামী দিনে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।
3
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সম্মাননা জ্ঞাপন
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধীনে বিদ্যালয়গুলিতে বিভিন্ন বৃত্তিমূলক শিক্ষায় ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট বিষয়ে মোট ২১৮ জন ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্টেন্টের কাজ চলে গেছে। যদিও তাদের পরিষেবা ছিল সন্তোষজনক এবং বিভিন্ন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেকথা স্বীকার করেন। স্বাভাবিকভাবেই
এই বিষয়ে সম্প্রতি সোচ্চার হয়েছেন কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। তিনি জানিয়েছেন, আমাদের বিদ্যালয়েও কিছু বছর দুজন ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্টেন্ট সাফল্যের সঙ্গে কাজ করেছেন। হেল্থ কেয়ার বাদেও বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান বিভাগের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি বিষয় যথা ভূগোল, জীবনবিজ্ঞান, পরিবেশ, রসায়ন, ডেটা সায়েন্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিক সায়েন্স ল্যাবে তাদের সহায়তা পেলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সুবিধেই হয়। আমাদের বিদ্যালয়ে তারা দক্ষতার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষত উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ছাত্রছাত্রীদের প্র্যাকটিকাল ক্লাস ঠিকভাবে পরিচালনা করতে ল্যাব অ্যাসিস্টেন্টদের ভূমিকা হলো অপরিহার্য। বিষয়টি নিয়ে তাই সরকারি স্তরে ভাবনাচিন্তা করা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, রাষ্ট্রপতি পুরস্কার ও শিক্ষারত্ন পুরস্কার প্রাপ্ত জাতীয় শিক্ষক ড. সুভাষ দত্তের শিক্ষা ও পরিবেশ বিষয়ক কিছু পরামর্শ ইতিমধ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে গৃহীত হয়েছে। এই বিষয়েও তাঁর মতো শিক্ষাবিদের মূল্যবান পরামর্শ নিশ্চয়ই বিবেচিত হবে।
একবিংশ শতাব্দীতে স্কিলড বেল্ট এডুকেশন বা হাতে কলমে শিক্ষাকে শক্তপোত্ত ভিতের উপর দাঁড় করাতে হলে ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ভোকেশনাল ট্রেনার বিদ্যালয়ে অবশ্যই থাকা দরকার ।
এবার কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের এন এস কিউ এফ-এর দুজন ভোকেশনালের ল্যাব অ্যাসিস্ট্যান্ট, প্রধান শিক্ষক তথা জাতীয় শিক্ষক ও শিক্ষারত্ন, জাতীয় মেন্টার ও স্টেম এডুকেটর, পরিবেশবিদ ও গবেষকের কাছে কৃতজ্ঞতার কথা জানাবার জন্য উপস্থিত হন l
ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্টেন্টদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ একটি অনুষ্ঠানে ড. দত্তকে সম্মাননা জানানো হয়।
4
স্কুলছুটদের স্কুলে ফেরানোর উদ্যোগ গ্রহণ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের
কিছুদিন আগেই পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের নির্দেশে জেলার বিভিন্ন স্কুলগুলিকে স্কুলছুট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে ফেরানোর উদ্যোগ নিতে বলা হয়। সেই প্রচেষ্টা শেষ করেই এবার স্কুলে অনিয়মিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়মিত উপস্থিতির জন্য উদ্যোগ নিলেন বর্ধমান – ২ নং ব্লকের সড্যা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এদিন তাঁরা গাঙ্গুয়া গ্রামে গিয়ে অনিয়মিত ছাত্র ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা করেন। একথা জানান প্রধান শিক্ষক শীর্ষেন্দু দত্ত। শিক্ষক পবিত্র প্রামাণিক ও রমেন ঘোষ বলেন, আগামী কয়েকদিনে তাঁরা স্থানীয় বড়শুয়া ও কারোরি গ্রামে গিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করবেন। স্কুলে আসন্ন সামুদায়িক মূল্যায়নে সকল ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করবেন । গ্রামবাসীরা ও বিদ্যালয়ের সভাপতি সুব্রত সোম শিক্ষকদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এর ধারাবাহিকতা রক্ষায় সচেষ্ট থাকার কথা বলেন।


