1
প্রকৃতিপাঠে অংশ নিল বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা
ছাত্রছাত্রীদের জীবনে হাতেকলমে শিক্ষা গ্রহণের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই বর্ধমানের রমনাবাগান জুলজিকাল পার্কে ছাত্রছাত্রীরা প্রকৃতিপাঠে অংশগ্রহণ করলো। পূর্ব বর্ধমান জেলার বনদপ্তরের মুখ্য আধিকারিক সঞ্চিতা শর্মার আন্তরিক সহযোগিতায় কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা রমনাবাগানে বিনামূল্যে প্রবেশের সুযোগ পায়। আজকের প্রকৃতিপাঠে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক অনুপকুমার দত্ত জানান, সম্প্রতি রমনাবাগানে কিছু নতুন পশুপাখি আনা হয়েছে। যা এদিনের প্রকৃতি পাঠে ছাত্রছাত্রীদের কাছে বাড়তি আকর্ষণ ছিল। চিতা, কুমির, পাখি, কচ্ছপ ইত্যাদি ছোটদের কাছে বরাবরের প্রিয়। বিদ্যালয়ের
বিজ্ঞানের শিক্ষক সৌমেন লাহা বলেন, পশুপাখি বাদে এখানকার উদ্ভিদজগতও রীতিমতো দেখার ও শেখার বিষয়। বসন্তে ফুলের সমাহার সকলের মন কেড়েছে।
দশম শ্রেণীর ছাত্রী রুকসানা খাতুন জানায়, আজকের ভ্রমণ আমাদের খুব ভালো লেগেছে। রোজকার বিদ্যালয়ের রুটিন পড়াশোনা থেকে অন্যরকম আনন্দ পেলাম।
প্রধানশিক্ষক তথা জীববিদ্যার গবেষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, শুধু বইয়ের শিক্ষা অসম্পূর্ণ। চারদিকে প্রকৃতির মধ্যে পড়াকে বুঝে নিতে পারলে সেটা ছাত্রমানসে স্থায়ী হয়। প্রসঙ্গত, দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়েও আমরা একটি পাখিরালয় করেছি। যেখানে বহু পাখি বাস করে। তাদের জীবনচক্র ছাত্রছাত্রীদের মুগ্ধ করে এবং ঋতুচক্রের প্রকারভেদে বিবিধ শিক্ষায় শিক্ষিত করে। শিক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের কাছে যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
2
মেহেমুদ খানের উদ্যোগে জামালপুরে আয়োজিত হলো ইফতার মাহফিল
পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের নাগরিক জনকল্যাণ সোসাইটি শুধু জামালপুর নয়, সারা জেলাজুড়ে সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকে। বছরের বিভিন্ন সময়ে এই সংস্থা জনসাধারণের জন্য প্রচুর কাজ করে থাকে। ঈদের সময় অসহায় মানুষের হাতে খাদ্য সামগ্রী ও উপহার তুলে দেওয়া থেকে শুরু করে দুর্গাপুজোয় অসহায় মানুষের হাতে নতুন বস্ত্র এবং শীতের সময় হাজার হাজার মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেওয়ার মতো কর্মযজ্ঞের সঙ্গে তারা যুক্ত রয়েছে। এ বছর ঈদের আগে জামালপুরের নেতাজি ময়দানে পাঁচ হাজার রোজাদার মানুষকে ইফতার করিয়ে তাক লাগিয়ে দিল এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এই সংগঠনের সভাপতি হলেন মেহমুদ খান। যিনি সর্বদাই সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে যান। এই সংগঠনটি করোনার সময় হাজার হাজার মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে খাদ্য সামগ্রী। সেই সময়ই আয়োজন করেছে সাত দিনব্যাপী মহিলাদের রক্তদান শিবির। এরকম প্রচুর নজির রয়েছে কাজের।
আজকের এই ইফতার মাহফিলে ব্লকের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রোজাদার মানুষকে মেহেমুদ খান বাস, ট্রেকার, পাঠিয়ে নিয়ে আসেন এবং বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে আসেন। মানুষের প্রতি মেহেমুদ খানের এই শ্রদ্ধা, ভালোবাসা তাঁকে অনন্য করে তুলেছে। এই আয়োজন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এইভাবে আপামর মানুষের পাশে থাকার মধ্যে দিয়ে যে আনন্দ পাওয়া যায় তা আমি উপলব্ধি করেছি। (পজ্)
আজকের এই মাহফিলে তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে আসেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, পুলিশ সুপার সায়ক দাস, জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, এসবিএসটিসি চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল, এসডিও বুদ্ধদেব পান, এসডিপিও অভিষেক মন্ডল, তৃণমূলের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদার, ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, জেলা পরিষদের মেন্টর মহম্মদ ইসমাইল, রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, বিডিও পার্থসারথী দে,জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষ সহ অন্যান্যর।উপস্থিত অতিথিদের উত্তরীয় ও সুন্দর মেমেন্টো দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। (পজ্)
মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার এতবড় একটা ইফতার অনুষ্ঠানে তাঁকে ডাকার জন্য মেহেমুদ খানকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন তাঁদের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। এখানে এই সম্প্রীতির অনুষ্ঠানে তাঁর এসে ভালো লাগছে। তিনি সকলকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছাও জানান। (পজ্)
জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ বলেন, এত বড় ইফতার মজলিসে এসে তাঁর খুব ভালো লাগছে। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য মেহেমুদ খানকে তিনি ধন্যবাদ জানান। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান অবশ্য এর আগেও মেহেমুদ বাবু করেছেন। (পজ্)
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তাদের নেতা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণাতে তারা সমস্ত কাজ করে থাকেন। প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠান সাফল্যের সঙ্গে আয়োজন করার জন্য মেহেমুদ খানকে সর্বতোভাবে সাহায্য করে গেছেন তারই সহযোগী এই সংস্থার কোষাধ্যক্ষ তথা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ভূতনাথ মালিক ও তার অত্যন্ত কাছের ও প্রিয় বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি। এই আয়োজনের প্রশংসা করেন পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ সুপার সায়ক দাসও।
3
বৃষ্টির মধ্যেও বাড়ি বাড়ি ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণে কাউন্সিলার
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বর্ধমান শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে। এই কাজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক। শনিবার বৃষ্টির মধ্যেও তিনি দলের অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওয়ার্ডে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের বাড়িতে পৌঁছোন। সেইসব পরিবারের মানুষদের সঙ্গে কথা বলে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণ করেন। কোথাও কোনো ভুয়ো ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় উঠেছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্যই এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানালেন সুশান্ত প্রামাণিক।


