1
হোলিকে কেন্দ্র করে স্বয়ম্বর গোষ্ঠীর মহিলাদের হাত ধরে বাজারজাত করা হলো ভেষজ আবির
হোলি এসেছে দ্বারে , চারদিকে রং এর উৎসব প্রায় শুরু হয়ে গেছে। কিন্তু এই রং-এর ভয়েই অনেকে ভীত। কারুর বিষাক্ত রং থেকে চামড়ায় সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে , কারুর আবার আবিরের রুক্ষ দানায় ত্বক ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় থাকে। আর সেসব থেকে মুক্তির উপায় এবার বাতলে দিচ্ছেনা কিছু স্বনির্ভর গোষ্টির মহিলারা। তাদের উদ্যোগেই জৈব জিনিষ থেকে, যেমন,বিট গাজর কাঁচা হলুদ কিংবা গাঁদা ফুল বা গোলাপের পাপড়ি থেকে তৈরী হচ্ছে ভেষজ আবির। যা পৌঁছে যাবে বাজারে মাত্র ২০০টাকা প্রতি কেজিতে। পূর্ব বর্ধমানের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা স্টার্ট আপ ফাউন্ডেশনের তরফে প্রশিক্ষণ দিয়ে ৫টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্টীর ৩৫ জন মহিলাকে আবির বানানো শেখানো হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফেই সেই আবির বাজারজাত করা ও বিক্রীর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ নেওয়া সঞ্চিতা পাল বা অনিতা ভকতরা বলছেন, প্রথমে ভেবেছিলাম গৃহস্থের কাজ সামলে অবসর সময়ে দোলে শুধু বাড়িতে ব্যবহারের জন্যই আবির বানাবো। এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে, পরে এটা বাণিজ্যিক ভাবে উৎপাদন করার ভাবনা মাথায় আসে। বিষয়টি আমাদের আর্থিক আনূকূল্য ও স্বনির্ভরতার সুযোগ দিচ্ছে। যারা এই প্রশিক্ষণ ও বাজারজাত করার ব্যবস্থা করেছেন, গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নতি নিয়ে কাজ করা সেই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার তরফে সন্দীপন সরকার জানান, এই কাজে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। তেমনই সাধারণ মানুষ কম পয়সায় সুষম আবির হাতে পাচ্ছেন । এটা সবরকম ভাবে নিরাপদ ও উৎকৃষ্ট মানের। সংস্থার তরফে জেলা স্তরের আধিকারিকদের কাছে এই আবির উপহার হিসাবেও পাঠানো হচ্ছে। প্রায় ২৫০ কেজি আবির উৎপাদন হয়েছে। কিছু বাঁধা খরিদ্দার ছাড়াও সমাজ মাধ্যমে প্রচার করে ক্রেতাদের কাছে আবির বিক্রী করা হচ্ছে। দোলের আগের দিন বিজয় তোরণের সম্মুখে এই আবির বিক্রীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভেষজ আবির কেনার জন্য যোগাযোগ করতে পারেন এই নম্বরে — ৮২৫০৯৮৭০৭০।
2
বসন্তকে কেন্দ্র করে দোল উৎসবের আয়োজন বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ে
বসন্ত মানেই রঙের মেলা। প্রকৃতি সেজে ওঠে শিমুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়ার রঙে। আর প্রকৃতির পাশাপাশি এই বসন্তে মানুষও নিজেকে রাঙিয়ে তোলে দোল ফাগুনের উৎসবে। এবার সেই উৎসবেরই আয়োজন করা হয়েছিল বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। এই উৎসবকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেতে ওঠে আনন্দে। বসন্তকে কেন্দ্র করে নানান নাচে,গানে, কবিতায় ভরিয়ে তোলে তারা এই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারাও এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। এ প্রসঙ্গে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবীর কুমার দে জানান, বর্ধমান আদর্শ বিদ্যালয়ে এই প্রথম বসন্ত উৎসব পালিত হলো। আমরা আগামী দিনে এই উৎসব আরও বড় আকারে পালন করবো। এদিন এই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছ গ্রুপের সহযোগিতায় একটি অশোক বৃক্ষ রোপণ করেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক দেবব্রত পাল। উপস্থিত ছিলেন এ আই অফ স্কুল কুণাল জ্যোতি দাস, এ আই অফ স্কুল সুকল্যাণ বসু সহ বিশিষ্ট সমাজসেবী ও পরিবেশপ্রেমী মিসকিন আলী। এদের সকলের উজ্জ্বল উপস্থিতি এই উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।


