1
শহরে নতুন পরিবহন ব্যবস্থা কার্যকর করার উদ্যোগ
বর্ধমান শহরে যানজট বিষয়টা নিত্যদিনের ঘটনা। প্রতিদিনই সাধারণ মানুষকে এই যানজট অতিক্রম করে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছুতে হয়। তবে আগামী দিনে যানজটের সমস্যাকে এড়িয়ে শহর বর্ধমানের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পৌঁছানোর একটা দিশা দেখাচ্ছে বর্ধমান পৌরসভা। আর এ ব্যাপারে যিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন তিনি হলেন এই পৌরসভার এমসিআইসি প্রদীপ রহমান। তার কথায়, ২০২৬ সাল থেকে বর্ধমান শহরে নতুন পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যকর হচ্ছে। শহরের মধ্যস্থল দিয়ে প্রবাহিত বাঁকা নদের জলপথে নিয়মিত বোট চলাচল করবে বলে জানান প্রদীপবাবু। তিনি বলেন, বর্ধমান শহরের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে এই বোটগুলি দাঁড়াবে। সেখান থেকে ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষদের তুলে নিয়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেবে। এই ধরনের পরিবহণ ব্যবস্থায় বিশেষ করে স্কুল – কলেজের ছাত্রছাত্রীরা বেশি উপকৃত হবে। বর্ষাকালে কোথাও জল জমে থাকলে ছাত্র-ছাত্রীদের আসা যাওয়ার সমস্যা হয়। কিন্তু বাঁকায় পরিবহণ ব্যবস্থা কার্যকর থাকলে এই সমস্যার মুখে তাদের পড়তে হবে না। খুব সহজেই তারা যাওয়া – আসা করতে পারবে। শহরের রথতলা, আলমগঞ্জ, ভাতছালা, সর্বমঙ্গলা পাড়া, উৎসব ময়দান, ইছলাবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই বোটগুলি দাঁড়াবে। এখান থেকে যাত্রীদের নামিয়ে ও তুলে গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেবে। এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই পৌরসভার বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান প্রদীপ রহমান। তিনি আরও বলেন, বাঁকায় যাতে সারা বছর পর্যাপ্ত পরিমাণে জল প্রবাহিত হয় সেই দিকটিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়টি নিয়েও পৌরসভায় আমরা আলোচনা করছি। এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে বর্ধমান শহরে যানজট অনেকটা কমবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন প্রদীপ রহমান।
2
মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে ক্যাম্প তৃণমূল ছাত্র পরিষদের
রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। আর এই মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় পরীক্ষা কেন্দ্রের বাইরে ক্যাম্প করা হয়েছে বলে জানালেন সংগঠনের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ। তিনি বলেন, এই সমস্ত হেল্প ডেস্ক বা ক্যাম্প থেকে পরীক্ষা কেন্দ্রে আগত ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের যেকোনো সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতৃত্ব ও কর্মীরা ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ইতিমধ্যেই প্রথম দিন পরীক্ষা শুরুর আগে আমরা বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে আগত ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে গোলাপ ফুল, জলের বোতল ও পেন তুলে দিয়েছি। জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষায় তারা যাতে সফল হয় তার জন্য তাদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছি। স্বরাজ বলেন, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা চলার সময়ও আমরা একইভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকবো। তাদের যে কোন সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নেব।


