1
বর্ধমান বিজ্ঞান কেন্দ্রের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন
নানান অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বর্ধমান বিজ্ঞান কেন্দ্রের ৩১ তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হলো। ছিল ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে বিভিন্ন রকম বিজ্ঞানমূলক প্রতিযোগিতা। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক নিখিলেশ বিশ্বাস জানান, এবারে এই প্রতিযোগিতায় নটি বিদ্যালয়ের ১৬০ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছেন। অনলাইনে যেমন এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তেমনই বিচারকরাও তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছেন অনলাইনে। রয়েছে পুরস্কার বিতরণীর আয়োজন। প্রতিযোগিতায় যারা সেরা হবে তাদের হাতে বর্ধমান বিজ্ঞান কেন্দ্রের পক্ষ থেকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বলে জানান বিজ্ঞান কেন্দ্রের আধিকারিক।
2
বিদ্যালয়ে পালিত হল খাদ্য উৎসব
আপনার বাচ্চাকে কী খাওয়াবেন যাতে সে সুস্থ থেকে পড়ায় মন দিতে পারে ? পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা নানারকম মত দেন। এরই সূত্র ধরে রাজ্য সরকারের পরামর্শে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে সমারোহে পালিত হল খাদ্য উৎসব।
১৫ টি স্টল মিলিয়ে মোমো, চাউমিন, চিকেন, পাস্তা, পরোটা, ফুচকা, পিঠে, আলুকাবলি, কচুরি, আলুর দম, ঠেকুয়া, ঘুগনির পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন অভিভাবকরা, ছাত্রীরাও। শিক্ষক-শিক্ষিকারা, শিক্ষাকর্মীরা, ছাত্রছাত্রীরা, তাদের বন্ধুবান্ধবীরা এবং স্থানীয় মানুষজন এলেন, দেখলেন, কিনলেন, খেলেন।
এ প্রসঙ্গে উৎসবের আয়োজক শিক্ষিকা শ্যামলী দাস জানান, কাঞ্চননগর-উদয়পল্লী এলাকার অনেক মহিলা দারুণ রান্না জানেন। তারাই মূলত স্টল দিয়েছেন। বাঙাল রান্নার পিঠে একটা স্পেশালিটি। আজকের কেনবেচায় তাদের যেমন বিক্রি হল, ক্রেতারাও চেনা খাবারের কিছু অচেনা স্বাদ পেলেন।
শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডল জানালেন, সরকারের নির্দেশে বছরের শুরুতে যে স্টুডেন্টস উইক চলছে তারই একটি উদ্যোগ এটি। মূলত স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে বিদ্যালয়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি করাই উদ্দেশ্য এবং আমরা তাতে সফল হতে পেরেছি। (পজ্)
প্রধানশিক্ষক তথা পুষ্টিবিদ ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, হরদম জাঙ্ক ফুড ছোটদের হরমোন ক্ষরণ এবং স্নায়বিক ক্রিয়ায় ক্ষতিসাধন করছে। এতে তাদের মনঃসংযোগে ব্যাঘাত ঘটছে। ধৈর্য রেখে বেশিক্ষণ পড়তে পারছে না। খাদ্য উৎসবের মধ্যে দিয়ে আমরা এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি যে সাধারণ উপকরণে তৈরী খাবারও সুস্বাদু করা যায়। এতে ছোটরা সুস্থ থাকে, মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে। পাশাপাশি এই জাতীয় মিলনমেলায় স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বিদ্যালয়কে সমাজের মধ্যে অঙ্গাঙ্গীভাবে শ্বাস নিতে সাহায্য করে, বিছিন্নতা থেকে রেহাই দেয়। এটা একটা বড় প্রাপ্তি।
3
ফ্লাইট পরিষেবা বৃদ্ধির দাবি সাংসদ কীর্তি আজাদের
এই রাজ্যে দুর্গাপুর হলো তৃতীয় বৃহত্তম urban agglomeration এবং পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় শিল্পোন্নত শহর। তাই কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দর, দুর্গাপুরে মূল ফ্লাইট পরিষেবাগুলি পুনরায় চালু করার জন্য এবং ফ্লাইটের সংযোগ বৃদ্ধির জন্য সাংসদ কীর্তি আজাদ এয়ার ইন্ডিয়ার চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসারকে একটি চিঠি লেখেন। এবার সেই চিঠির প্রত্যুত্তরে এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে, ” আমরা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করছি। এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস উভয়ের নেটওয়ার্ক দলকে দুর্গাপুর নিয়ে বিশ্লেষণ করতে এবং পরিষেবা কিভাবে বাড়ানো যেতে পারে তা মূল্যায়ন করতে বলা হয়েছে।” পাশাপাশি সাংসদ কীর্তি আজাদ এই ধরনের দাবিকে গভীরভাবে মূল্য দিয়েছেন বলেও প্রত্যুত্তরে জানানো হয়েছে।


