1
২১ জুলাইকে কেন্দ্র করে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মীসভা
আগামী একুশে জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে শহীদ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই সভাকে সফল করার লক্ষ্যে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিকের উদ্যোগে এক কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, ২১ জুলাইকে সামনে রেখে আমাদের প্রচারকার্য ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। ওয়ার্ডে দেওয়াল লিখন, মিটিং, মিছিল ইত্যাদির মধ্যে দিয়ে একুশে জুলাইয়ের সভাকে সফল করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। ওইদিন এই ওয়ার্ড থেকে বিপুল সংখ্যক তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীরা কলকাতার ধর্মতলায় উপস্থিত হবেন।
2
চিকিৎসক দিবসকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের সম্বর্ধনা
১ জুলাই দিনটি সারা দেশজুড়ে ডক্টরস ডে অর্থাৎ চিকিৎসক দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিন এবং মৃত্যুদিন। বিধানচন্দ্র রায় বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে বর্ধমানের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের পক্ষ থেকে এই সংস্থায় আগত চিকিৎসকদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে সংস্থার ফ্রি কোচিং ইউনিটে মাধ্যমিকের সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপক সৌশয়া তেওয়ারির হাতে তার প্রয়োজনীয় কিছু পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া হয়। এগুলি তার হাতে তুলে দেন সংস্থার সভানেত্রী সুদেষ্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সম্পাদক উৎপল দত্ত বলেন, আমাদের এখানে চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের আমরা চিকিৎসক দিবস উপলক্ষ্যে সম্মান জ্ঞাপন করেছি। সারা বছর তারা যে পরিষেবা দেন তা অতুলনীয়। তাঁদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে এখানে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছাত্রকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে আমরা অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রীদেরও অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করেছি। এই ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে আবারও নেওয়া হবে বলে জানান উৎপল দত্ত।
3
বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বিধানচন্দ্র রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বাংলার রূপকার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধান চন্দ্র রায়ের ১৪৪তম জন্মদিবস ও ৬৪ তম মৃত্যুদিবস একই দিনে মর্যাদার সাথে পালিত হলো। প্রথমে প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন উপস্থিত সকলে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি, নাট্যকার, ডঃ দেবেশ ঠাকুর। সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী ডাঃ বিধানচন্দ্র রায়ের জীবনী নিয়ে সুন্দর বক্তব্য রাখেন। স্মৃতিচারণা করেন সাহিত্য গবেষক বিদ্যাভূষণ ভট্টাচাৰ্য, অধ্যাপক সুজিত চট্টপাধ্যায়, সাহিত্যিক প্রণব মুখার্জী, আনোয়ার আলী, নিতাই মুখার্জী, লক্ষণ দাস ঠাকুরা, স্বরূপ মুখার্জী, সমাজসেবী সঞ্জয় মন্ডল, শিক্ষক মানব সরকার। এই অনুষ্ঠান পর্ব সঞ্চালনা করেন সুজিত চক্রবর্তী। সঙ্গীতে অংশ নেন করবী ঘোষ, রুবি আজিম, শক্তিরাম ব্যানার্জী, মৌসুমী সিনহা, রুমা গুহ, শুভ্রা সরকার, কৃষ্ণা ঘটক, স্মৃতি কণা রায়। কবিতা পাঠে অংশ নেন তাপস ভূষণ সেনগুপ্ত, মিতা মন্ডল, রথীন পার্থ মন্ডল। স্মৃতিচারণা, গান ও কবিতা পাঠের মধ্যে দিয়ে এই মণীষীকে সম্মান জানানো হয়।


