1
শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ তম জন্ম মহোৎসব পালন
পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুর ব্লকের আবুজহাটী সৎসঙ্গ কেন্দ্রের উদ্যোগে জৌগ্রাম স্টেশন ফুটবল ময়দানে শ্রী শ্রী অনুকূলচন্দ্রের ১৩৮ তম জন্ম মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জামালপুরের বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি। এছাড়াও বক্তব্য রাখেন জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মেহেমুদ খান। অলোক মাঝি বলেন, অনুকূলচন্দ্র মানব ধর্মের কথা বলে গেছেন। যে ধর্ম জাতি, বর্ণ, শ্রেণী, সম্প্রদায় সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে মানুষ এই পরিচয়ে মানুষের পাশে থাকার কথা বলে। সেই ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র। আসুন, আমরা সেই মহান যুগপুরুষোত্তমের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজেদের জীবনকে পরিচালনা করি। তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের জীবনকে মানব কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই মানুষের পাশে থেকে কাজ করে গেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর তিনি ৯০ টির বেশি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন। রাজ্যজুড়ে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র প্রত্যেকটি মানুষকে এই ভাবেই নিজেদের জীবনধারণের কথা বলেছেন। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যার আদর্শ উদাহরণ। আমাদের প্রিয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঠিক একইভাবে মানুষের পাশে থেকে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেছেন। আমরা জন প্রতিনিধি হিসেবে তাই মানব কল্যাণে কাজ করার ব্যাপারে সবসময় সচেষ্ট রয়েছি। শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূলচন্দ্র সেই পথই আমাদের দেখিয়েছেন।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী মেহেমুদ খান। তিনি বলেন, শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকূল চন্দ্রের মতো মহাপুরুষরা প্রতিটি মানুষকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন গঠনের কথা বলেছেন। মানবতার বন্ধনে সমাজকে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। এটা সম্ভব যদি আমরা প্রত্যেকে এই মহাপুরুষের আদর্শে নিজেদের অনুপ্রাণিত করতে পারি।
2
বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে শনিবারের সাহিত্য আড্ডা
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত শনিবার সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হলো সাহিত্য পরিষদ ভবনে। শীতের আড্ডা এদিন জমে ওঠে কথায় কবিতায় গানে। শীতের প্রাকৃতিক পরিবেশ, উৎসব, খাওয়া দাওয়া নিয়ে আলোচনার সঙ্গে গান, কবিতা পাঠে অংশ নেন অনেকে। সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী প্রথমেই সুন্দর বক্তব্য রেখে শীতের আড্ডা জমিয়ে দেন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, সাহিত্যপ্রেমী দেবনাথ মুখার্জী, আনোয়ার আলী, মৃদুল কুমার মিত্র, ফজরুল হক, বরুণ মজুমদার, স্বরূপ মুখার্জী, রুবি আজিম, স্বাতী ব্যানার্জী প্রমুখ। সঞ্চালক ছিলেন সুজিত চক্রবর্তী। সংগীত ও কবিতা পাঠে অংশ নেন স্থানীয় শিল্পী ও কবিরা। অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন প্রবীণ সংগীত শিল্পী শক্তি ব্যানার্জী। মনোরম পরিবেশে শীতকালীন আড্ডা এদিন জমজমাটি হয়ে ওঠে।


