1
শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ১১৬ নম্বর পার্টে ভোটার তালিকা পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে
বর্ধমান শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর সুশান্ত প্রামাণিকের উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে ভোটার তালিকা নিয়ে পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে। বুধবার এই ওয়ার্ডে ১১৬ নম্বর পার্টে ভোটার তালিকা নিয়ে পর্যবেক্ষণের কাজ শুরু হলো। স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই পর্যবেক্ষণের কাজ এগিয়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন সুশান্ত প্রামানিক। তিনি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশক্রমে এই ভোটার তালিকা নিয়ে পর্যবেক্ষণের কাজ আমরা ইতিপূর্বেই শুরু করে দিয়েছি। ওয়ার্ডে কয়েকটি পার্টে এই পর্যবেক্ষণের কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে। আজ ১১৬ নম্বর পার্টে কাজ শুরু হলো। আমরা সাধারণ মানুষের বাড়িতে পৌঁছে ভোটার তালিকা দেখে তাদের নাম সেখানে আছে কিনা তা যাচাই করে নিচ্ছি। কোথাও সমস্যা থাকলে তখনই প্রশাসনিক ভাবে যা করণীয় সেই মতো করা হচ্ছে। (
2
এ বছর জেলায় পানীয় জল পরিষেবা ঘরে ঘরে পৌঁছনোর উদ্যোগ
জেলার ২৩ টি ব্লক এলাকায় গ্রামে গ্রামে পানীয় জল পরিষেবা পৌঁছে দেবার কাজ ধারাবাহিকভাবে চলছে। এই কাজ প্রতিটি ব্লকে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। এ খবর জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তিনি বলেন, কিছু কিছু জায়গায় পানীয় জল পরিষেবা প্রদানে টেকনিক্যাল কিছু সমস্যা হয়েছে। এই সমস্যার যাতে দ্রুত সমাধান করা হয় তারজন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্দিষ্ট দপ্তরকে নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। বিশ্বনাথ বলেন, আমাদের লক্ষ্য রয়েছে ২০২৫ সালের মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রতিটি গ্রামীণ এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া। এ বছরের মধ্যে সেই লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা চলছে।
3
এ বছর এসএফআই-এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৬ হাজার
২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষে এসএফআই-এর সদস্য সংগ্রহের কাজ শেষ হয়েছে। পূর্ব বর্ধমান জেলায় গতবারের তুলনায় সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬৫৮৮। বিগত তিন বছরে এই জেলায় সদস্য সংখ্যা বাড়লো প্রায় ১০ শতাংশ। বামপন্থীরা সংসদীয় রাজনীতিতে পিছিয়ে থাকলেও লেখাপড়ার দাবিতে, আগামীর লড়াইয়ে নতুনদের আগমন চোখে পড়ার মতো। এমনটাই মনে করছেন এসএফআই জেলা নেতৃত্ব। বামপন্থী রাজনীতি বাংলায় পুনঃ প্রতিষ্ঠার কাজেই হাত লাগিয়েছে সংগঠনে আসা নবীনরা। ২০১১ সাল পরবর্তী সময়ে এই শিক্ষাবর্ষেই সদস্য সংগ্রহের পরিমাণ সর্বাধিক হয়েছে। এই বৃদ্ধি এক ধাক্কায় হয়নি। কোভিড পরবর্তী সময় থেকেই জেলাজুড়ে ধাপে ধাপে সদস্য সংখ্যা বাড়ছে এসএফআই-এর। জেলাজুড়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি এলাকা ভিত্তিক সদস্য সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার মানের অবনমন হওয়ার জন্যে জেলার ছেলেমেয়েরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জেলার বাইরে বা অনেক সময় রাজ্যের বাইরে পড়তে যাচ্ছে। এই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতিতেই গ্রাম ও শহরের এলাকা ভিত্তিক সদস্য সংখ্যা বাড়ছে। আদিবাসী, প্রান্তিক অংশের, আর্থ-সামাজিক ভাবে পিছনের সারিতে থাকা পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের এসএফআই-এর সদস্য পদ গ্রহণের প্রবণতা বেশি, এমনটাই লক্ষ্য করা গেছে। এ প্রসঙ্গে এসএফআই -এর জেলা সম্পাদক উষসী রায় চৌধুরী জানান, এবারের সদস্য সংখ্যার ৩৬ শতাংশ এসসি, ১২ শতাংশ এসটি ও ১৮ শতাংশ সংখ্যালঘু অংশের ছাত্রছাত্রী। এর পাশাপাশি ছাত্রীদের এসএফআই – এর সদস্যপদ গ্রহণের প্রবণতাও বেড়েছে। এবারের সদস্য সংখ্যার ৫৬ শতাংশ হলো ছাত্রী। জেলাজুড়ে স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে থেকেই সদস্য সংখ্যা বেশি হয়েছে।


