পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ,জামালপুর ব্লক ও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির ব্যবস্থাপনায় জামালপুর ব্লক অফিস প্রাঙ্গণে বীর সংগ্রামী শহীদ বিরসা মুন্ডার ১৫০ তম জন্মজয়ন্তী মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হলো। এই অনুষ্ঠানের ভার্চুয়াল শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই উপলক্ষ্যে আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলা সভাধিপতি শ্যমপ্রসন্ন লোহার,জেলাশাসক আয়েশা রাণী এ, বর্ধমান পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ ডাঃ শর্মিলা সরকার,জেলা প্রকল্প আধিকারিক তথা জেলা কল্যাণ আধিকারিক অনগ্রসর শ্রেণী কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তর কৃষ্ণেন্দু কুমার মন্ডল, সদর দক্ষিণ মহকুমা শাসক বুদ্ধদেব পান, বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, বিডিও পার্থ সারথী দে,পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান সহ অন্যান্যরা। আজকের এই মঞ্চ থেকে আদিবাসী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন গুণী মানুষদের সংবর্ধিত করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ব্লকের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে স্থানীয় আদিবাসী সম্প্রদায়ের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করা ছাত্র ছাত্রীদের উৎসাহিত করতে পুরস্কৃত করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মাঝিবাবা। তাঁদের প্রত্যেককে একটি সুন্দর মেমেন্টো, একটি ধুতি ও একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর উদ্বোধনী বক্তৃতায় রাজ্যের আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য কী কী করা হয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে আদিবাসীদের যে উন্নয়ন হয়েছে তার কথাও বলেন। উপস্থিত সকল অতিথিরা তাঁদের বক্তব্যে বিরসা মুন্ডার জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন । স্বপন দেবনাথ বলেন, আজকে রাজ্য সরকার যেভাবে আদিবাসীদের বা মুন্ডাদের দেবতা বিরসা মুন্ডার জন্মদিন পালন করছে বা আদিবাসীদের সংস্কৃতিকে তুলে ধরছে বা সংরক্ষণ করছে এতে রাজ্যের আপামর আদিবাসী সমাজ খুব খুশী। আজকের এই অনুষ্ঠানে প্রায় ২ থেকে ৩ হাজার আদিবাসী মানুষ আসেন এবং মন দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য শোনেন। মেহেমুদ খান বলেন, আমাদের সকলের কাছেই এই দিনটির তাৎপর্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আদিবাসী সমাজের সার্বিক উন্নয়নে রাজ্য সরকার যেভাবে সক্রিয় রয়েছে তাতে তারা খুশি। ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই এই উন্নয়নের কাজ ক্রমশ এগিয়ে চলেছে।


