বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা | জামালপুরের চকদিঘীতে এবার আধুনিকতার ছোঁয়া | ছাত্রছাত্রীদের হাত দিয়ে মায়ের নামে বৃক্ষরোপণ


1
বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভা

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সাহিত্যের আড্ডা বসে সংস্থার নিজস্ব ভবনে। আড্ডায় আলোচনার বিষয় ছিল ঝুলন যাত্রা উৎসবে শহর বর্ধমানের সেকাল ও একাল। একইসঙ্গে কবি, নাট্যকার, সঙ্গীত শিল্পী দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ও সাহিত্যিক বলাই চাঁদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে দুজনকেই শ্রদ্ধা জানানো হয়। প্রথমে আলোচনা শুরু করেন সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী। অনুষ্ঠানে কবি, সাহিত্যিক, সংগীত শিল্পীদের উপস্থিতিতে চাঁদের হাট বসে যায়। কবি, নাট্যকার ডক্টর দেবেশ ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে বক্তব্য রাখেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক নিখিল চক্রবর্তী। অনুষ্ঠান মঞ্চে সমাজসেবিকা কাকলি মজুমদার সাহিত্য পরিষদ এর বিল্ডিং উন্নয়নের জন্য কুড়ি হাজার টাকার চেক সম্পাদকের হাতে তুলে দেন। সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী জানান, সাহিত্য পরিষদের সামনের দেওয়ালে নতুন করে প্লাস্টার ও টাইলস বসাতে ৫০হাজার টাকা লাগবে। কাকলি দেবীর দেওয়া টাকা ওই কাজে লাগানো হবে।

2
জামালপুরের চকদিঘীতে এবার আধুনিকতার ছোঁয়া

এবারে শহরের ছোঁয়া লাগলো গ্রামে। যা কিছু আমরা শহরে গেলে দেখতে পেতাম এখন সেগুলো গ্রামেতেও চলে আসছে। জামালপুরের বুকে হয়েছে স্মার্ট পয়েন্ট, হয়েছে শপিং মল। আমরা কলকাতা, বর্ধমান বা যেকোনো টুরিস্ট স্পটে গেলে সেই জায়গার নাম আই লাভ বলে লাইটের কাজের সঙ্গে করা হতো। এবার জামালপুর ব্লকে প্রথম চকদিঘী গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েতের সামনে আই লাভ চকদিঘী উদ্বোধন করা হলো। উদ্বোধন করেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান। পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ শ্রীমন্ত সাঁতরা। ছিলেন পঞ্চায়েতের সকল স্টাফ, শিল্প ও পরিকাঠামো সঞ্চালক শেখ আজাদ রহমান সহ অন্যান্যরা। আজাদবাবু বলেন, এলাকার সৌন্দর্য বাড়াতে এবং মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণাতেই এই আই লাভ চকদিঘী উদ্বোধন করা হলো। মেহেমুদ খান বলেন, জামালপুরের মধ্যে এই প্রথম চকদিঘী পঞ্চায়েত এই আই লাভ চকদিঘী এটি করে দেখালো। এটা সত্যিই এখানে সৌন্দর্য বাড়াবে বলে তিনি মনে করেন। তবে এখানেও হয়তো শহরের মতো সাধারণ মানুষরা সেলফি তুলবেন। এদিকে এমন সুন্দর একটি জিনিস হওয়ায় এলাকার মানুষ খুব খুশী। তারা বলেন এক্ষেত্রে একটা নতুনের স্বাদ পাওয়া গেল।

3
ছাত্রছাত্রীদের হাত দিয়ে মায়ের নামে বৃক্ষরোপণ

পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান দু’নম্বর ব্লকের সড্যা উচ্চ বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের হাত দিয়ে তাদের মায়ের নামে বৃক্ষরোপণ করা হয়। মূলত “এক পের মা কি নাম” এই প্রকল্পে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে কুড়ি জন ছাত্রছাত্রীর হাতে বৃক্ষচারা তুলে দেওয়া হয়। এই ছাত্রছাত্রীরা এরপর তাদের মায়ের সঙ্গে চারা গাছগুলি রোপণ করে। এই মহতী কর্মযজ্ঞের সঙ্গে যুক্ত ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। মহতী এই কাজে অংশগ্রহণের ফলস্বরূপ তাদের এই শংসাপত্র প্রদান করা হয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ডক্টর শীর্ষেন্দু দত্ত। তিনি বলেন, পূর্ব বর্ধমান জেলায় জেলাশাসকের নির্দেশ মতো তারা অপারেশন গ্রীন কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। এই কর্মসূচীতেও বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মায়েদের নামেও বৃক্ষচারা রোপণ করলো। প্রধান শিক্ষক বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদেরও পরিবেশ সচেতন করে তুলবে। একই সঙ্গে এইভাবে গোটা সমাজকেই সচেতন করে তোলা সম্ভব হবে। তাই এই ধরনের উদ্যোগ তারা আবারও ভবিষ্যতে নেবেন বলে জানান শীর্ষেন্দু দত্ত।