বর্ধমান প্রেস কর্ণারে সাংবাদিক সম্মেলন চেয়ারম্যানের | বিদায় বেলায় ব্লক কৃষি আধিকারিককে সম্বর্ধনাজ্ঞাপন


1
বর্ধমান প্রেস কর্ণারে সাংবাদিক সম্মেলন চেয়ারম্যানের

বর্ধমান গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্য প্রেস কর্ণারে এক সাংবাদিক সভা অনুষ্ঠিত হলো। এই সভায় বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার উপস্থিত থেকে বলেন, ইতিমধ্যেই কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে তাকে আক্রমণ করে কিছু সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। তিনি সাড়ে তিন বছর পৌরসভার চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন। এই সময়কালের মধ্যে অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কাজ বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে করা সম্ভব হয়েছে। অথচ সেই সমস্ত কাজগুলিকে গুরুত্ব না দিয়ে কিছু কিছু মিডিয়ায় সংবাদ পরিবেশিত হচ্ছে, বর্ধমান পৌরসভা কোনো কাজ করে না, চেয়ারম্যান অপদার্থ, অযোগ্য, অদক্ষ ইত্যাদি। পরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, যারা এই ধরনের কথা লিখছেন তারা সঠিক লিখছেন না বা সঠিক সংবাদ পরিবেশন করছেন না। বর্ধমান পৌরসভার উদ্যোগে বিগত দিনে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন,ড্রেন সংস্কার সহ বিভিন্ন রকম উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। সেই কাজের খতিয়ান কেউ চাইলে তিনি তা অবশ্যই দেখাতে পারেন। পৌরসভার কাউন্সিলরদের সম্পর্কে বলা হয়েছে তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই চেয়ারম্যানের বিরোধী। কিন্তু সেটাও সঠিক কথা নয়। পরেশবাবু বলেন, ১০ জন কাউন্সিলরও দেখান যারা আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে। আসলে আমাদের কাজ করার বিষয়টি বোর্ড মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হয়। কাজ করতে গিয়ে কিছু মতৈক্য কিছু মতানৈক্য হয়ে থাকে। কিন্তু সেটার অর্থ এই নয় যে কাউন্সিলর সকলেই চেয়ারম্যানের বিরোধী হয়ে গেলেন। পরেশবাবু বলেন, কোনো কিছু লেখার আগে প্রয়োজন হলে তার সাথে কথা বলা হোক। সঠিক তথ্য নিয়ে লেখা হোক। তাতে তার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু সঠিক তথ্য পরিবেশন না করে অহেতুক আক্রমণ করাটা যুক্তিযুক্ত নয়। এ ব্যাপারে যথাযথ ভাবনা-চিন্তা করার জন্য তিনি মিডিয়ার কাছে অনুরোধ রাখেন।

2
বিদায় বেলায় ব্লক কৃষি আধিকারিককে সম্বর্ধনাজ্ঞাপন

সরকারি চাকরিজীবী মানুষদের অধিকাংশই চাকরির স্থায়ীত্ব এক জায়গায় হয় না। নির্দিষ্ট সময় অন্তর তাদের বদলি হয়ে যেতে হয়। ফলে চাকরি জীবনে এক জায়গার মায়া কাটিয়ে আরেক জায়গায় পৌঁছুতে হয় তাদের। ঠিক তেমনই ঘটনা লক্ষ্য করা গেল পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের কৃষি দপ্তরে। এখানে ব্লক কৃষি আধিকারিক ডক্টর অসীম কুমার ঘোষ বদলি হয়ে গেলেন অন্যত্র। এলাকায় অত্যন্ত কৃষক দরদী একজন কৃষি আধিকারিক হিসেবে তিনি পরিচিত হয়ে গিয়েছিলেন। ফলে তার এই চলে যাওয়াকে অনেকেই মনের দিক থেকে মেনে নিতে পারছিলেন না। তবু নিয়মের গণ্ডিতে বাঁধা জীবনে তাকে অন্যত্র চলে যেতে হলো। কিন্তু যাওয়ার আগে তাকে সম্বর্ধনাজ্ঞাপন করলেন স্থানীয় দপ্তরের কর্মীদের পাশাপাশি ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত জনপ্রতিনিধিরাও। এ প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম বলেন, ডক্টর অসীম কুমার ঘোষ অত্যন্ত কৃষক দরদি মানুষ ছিলেন। তাই তার এখান থেকে চলে যাওয়াটা স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষদের কাছে যথেষ্টই বেদনার। তবু সরকারি চাকরির নিয়ম মেনে তাকে চলে যেতে হচ্ছে। তার মতো একজন মানুষ আমরা এখানে কর্মসূত্রে পেয়েছিলাম। কৃষি প্রধান এই ব্লককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অত্যন্ত উজ্জ্বল। তাই আজকের দিনে তাকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। তার আগামী জীবন আরও সফল হোক এই শুভকামনা রইল।