প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিঠেপুলি উৎসবের আয়োজন
পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত এড়াল গ্রাম পঞ্চায়েতে চন্ডীপুরডাঙ্গা আদিবাসী অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিঠেপুলি উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসবে বিদ্যালয়ের প্রায় ৮০ জন ছাত্রছাত্রী উপস্থিত ছিল। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরাও অনেকেই এসে উপস্থিত হন। উপস্থিত ছিলেন এড়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ১৮ টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা। ছিলেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান টানো মাড্ডি। এই উৎসবে পিঠে বানানোর কাজে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মা, কাকিমা, দিদিমা সহ আত্মীয় পরিজন সকলেই। তাদের আন্তরিক সহযোগিতায় এদিনের পিঠেপুলি উৎসব সার্থক হয়ে ওঠে। তারাই তৈরী করেন চাচির পিঠে, নারকেল পিঠে, পোস্ত পিঠে, দুধ পিঠে, ভাজা পিঠে, আর মালপোয়ার সঙ্গে খেজুর গুড়ের পায়েস। অত্যন্ত সুস্বাদু এই সমস্ত খাবার খেয়ে খুশি আগত সকলেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুমিত রায় বলেন, আমরা এই উৎসবের মধ্যে দিয়ে গ্রাম বাংলার একটা থিম তৈরী করেছি, যেখানে গ্রামের মানুষরা ধান কাটার পর সেই ধান ঝাড়াই করছেন, সেখান থেকে চাল তৈরী হচ্ছে, সেই চাল ঢেঁকিতে গুঁড়ো করে তারপর পিঠে তৈরী হচ্ছে। এই দৃশ্য সকলকেই আকৃষ্ট করেছে। ছাত্রছাত্রীরাও প্রত্যেকেই এই উৎসবে অংশ নিতে পেরে খুশি হয়েছে।
লক্ষ্মী এলো ঘরে তথ্যচিত্র প্রদর্শন
পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গ্রামে গ্রামে “লক্ষ্মী এলো ঘরে” এই তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের ব্লক সভাপতি তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন,” লক্ষ্মী এলো ঘরে “এই তথ্যচিত্রে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার ফলে সাধারণ মানুষ কিভাবে উপকৃত হচ্ছেন তা তুলে ধরা হয়েছে। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিয়েছি। গ্রামে গ্রামে এই তথ্যচিত্র প্রদর্শনের মধ্যে দিয়ে প্রকৃত বাস্তব চিত্রটাকে তুলে ধরা হচ্ছে। অপার্থিব বলেন, রাজ্য সরকার যেসব প্রকল্প কার্যকর করেছে তার সুবিধা সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখাটা অত্যন্ত জরুরি। সেই উদ্যোগ সরকারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা সরকারের সেই প্রচেষ্টার কথাই মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি।


