1
পারিবারিক বাসন্তী পুজো ঘিরে ধুমধাম
পূর্ব বর্ধমানের উড়োচটি থেকে অনতিদূরে কালনা গ্রামে চক্রবর্তী পরিবারে ৫ প্রজন্ম ধরে বাসন্তী পুজোর আয়োজন করা হয়ে আসছে। এ বছরও গ্রামে এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। জানা যায়, প্রায় দুশো বছর আগে দশরথ চক্রবর্তীর হাত ধরে এই পুজো উদযাপন করা হয়েছিল। মূলত পরিবারের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য সেইসময় এই পুজোর সূচনা হয়। এ প্রসঙ্গে চক্রবর্তী পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম বর্ধমানের তেজগঞ্জ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, এই সময়কালে পরিবারের পঞ্চম প্রজন্মের সদস্যদের হাত ধরে বাসন্তী পুজো উদযাপিত হচ্ছে। এখানে ষষ্ঠীর দিন ষষ্ঠী কল্পনা দিয়ে পুজোর শুরু হয়। সপ্তমীতে কলা বউ স্নান, অষ্টমীর দিন সন্ধিপুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। এরপর নবমীর দিন এখানে ধুমধামের সঙ্গে পুজোর আয়োজন করা হয়। সন্ধিপুজোয় বড় মন্ডা বলি হয়। দশমীর দিন পারিবারিক নিয়ম মেনে নিরঞ্জন করা হয় দেবী মূর্তির। আর তখন থেকেই শুরু হয়ে যায় পরের বছরের জন্য প্রতীক্ষার পালা।
2
বন্ধন উৎসবকে কেন্দ্র করে রক্তদান শিবির
পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরের আমতারা বিশালক্ষ্মী মাতা ক্লাবের উদ্যোগে তিনদিন ব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ বন্ধন উৎসব পালন করা হলো। বুধবার ছিল তার শেষ দিন। শেষ দিনে তারা মহতী রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে। এই উপলক্ষ্যে রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট সমাজসেবী মেহেমুদ খান। ছিলেন জারোগ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নূরজাহান বিবি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবী শেখ আলাউদ্দিন,সমাজসেবী সরোজ মান্না, মনতাজ আলী, সফিকুল ইসলাম, বিধান সর্দার সহ অন্যান্যরা। ক্লাবের সভাপতি শেখ রহিম আলী ও সম্পাদক সুভাষ পন্ডিত জানান, মোট ৪৫ জন রক্তদাতা রক্তদান করেছেন। সংগৃহীত রক্ত তুলে দেওয়া হয়েছে টেরিজা মেমোরিয়াল হাসপাতালের হাতে। মেহেমুদ খান বলেন, বিশালক্ষ্মী মাতা ক্লাবের এই ভূমিকা সত্যি প্রশংসা যোগ্য। ক্লাবগুলি যদি এই ভাবে সামাজিক কাজে এগিয়ে আসে তাহলে সমাজের উপকার হয়। তিনি এই ক্লাব সদস্যদের বলেন, রক্তদানের মত মানবিক উদ্যোগের পাশাপাশি অন্যান্য সামাজিক কাজও তারা যেন এগিয়ে আসেন।


