সেন্ট্রাল পার্ক কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ৩ জানুয়ারি || দলীয় সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন


1
সেন্ট্রাল পার্ক কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ৩ জানুয়ারি

সেন্ট্রাল পার্ক কাপ ২০২৬ আগামী ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষ্যে বর্ধমান গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্য প্রেস কর্ণারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সভায় আয়োজকদের তরফে সভাপতি শ্যামল রায় জানান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল পার্কে এই খেলা ওইদিন বিকেল চারটেয় শুরু হবে, চলবে রাত পর্যন্ত। খেলায় উইনার্স টিম পাবে ২৫ হাজার টাকা ও ট্রফি। আর রানার্স স্টিম পাবে ২০ হাজার টাকা ও ট্রফি। মোট ১৬ টি দলকে নিয়ে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। খেলা হবে ৫ ওভার করে। ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্যা সিরিজের পুরস্কারও থাকছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রিকেট দল এই খেলায় অংশ নেবে। এই খেলায় এন্ট্রি ফি ২০০০ টাকা। তার মধ্যে অংশগ্রহণকারী দলগুলিকে অ্যাডভান্স এক হাজার টাকা করে দিতে হচ্ছে। নকআউট পর্বে এই খেলায় অংশ নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই নটি দল তাদের আসার ব্যাপারে লিখিত সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। শ্যামল রায় বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো বর্ধমান শহর এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষদের একটি ভালো ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপহার দেওয়া। আমরা সেই চেষ্টাই করছি। সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পী জুবিন গর্গকে সম্মান জানিয়ে এবারের এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু করা হবে। উপস্থিত থাকবেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস সহ বিশিষ্ট জনেরা। আয়োজকদের তরফে সভাপতি শ্যামল রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুই বিশিষ্ট কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ সাহা ও সুরজিৎ। তারা প্রত্যেকেই বর্ধমান শহর ও শহর সংলগ্ন এলাকার ক্রীড়া প্রেমীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলাকালীন মাঠে আসার জন্য আহ্বান জানান। তারা বলেন, আমরা চাই তরুণ প্রজন্ম আরও বেশি করে মাঠে আসুক। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন।

2
দলীয় সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন

২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলার ১৬ টি আসনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই কাজ চলছে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রতেও। এই উপলক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় বলেন, এদিনের এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব জয়প্রকাশ মজুমদার, বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ। তন্ময় বলেন, মূলত আগামী এক বছরের কর্মসূচীকে সামনে রেখে এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। আগামী এক বছরের প্রতিটি দলীয় কর্মসূচীকে সফল করার জন্য দলের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কর্মীদের কাছে বার্তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। তার সঙ্গে রয়েছে এসআইআর কর্ম প্রক্রিয়া ইত্যাদি।
এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে জয়লাভ করানো। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের মধ্যে দিয়ে বিরোধী পক্ষকে পরাজিত করা। তারজন্য দলীয় কর্মসূচীকে যথাযথভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন,দলের কর্মীরাই হলেন অন্যতম সম্পদ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তারাই জনসংযোগ রক্ষা করেন। মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিরোধী দলের মোকাবিলা করেন। এই কর্মীদের মনোবলকে বজায় রাখা ও দলীয় সংগঠনকে আরও সংগঠিত করা আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলেছি।https://youtu.be/4QT-NYmzmSM?si=bTEa_KpZf6jlUw3o
1
সেন্ট্রাল পার্ক কাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ৩ জানুয়ারি

সেন্ট্রাল পার্ক কাপ ২০২৬ আগামী ৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষ্যে বর্ধমান গঙ্গা কিশোর ভট্টাচার্য প্রেস কর্ণারে আয়োজিত এক সাংবাদিক সভায় আয়োজকদের তরফে সভাপতি শ্যামল রায় জানান, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে সেন্ট্রাল পার্কে এই খেলা ওইদিন বিকেল চারটেয় শুরু হবে, চলবে রাত পর্যন্ত। খেলায় উইনার্স টিম পাবে ২৫ হাজার টাকা ও ট্রফি। আর রানার্স স্টিম পাবে ২০ হাজার টাকা ও ট্রফি। মোট ১৬ টি দলকে নিয়ে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। খেলা হবে ৫ ওভার করে। ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ ও ম্যান অফ দ্যা সিরিজের পুরস্কারও থাকছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ক্রিকেট দল এই খেলায় অংশ নেবে। এই খেলায় এন্ট্রি ফি ২০০০ টাকা। তার মধ্যে অংশগ্রহণকারী দলগুলিকে অ্যাডভান্স এক হাজার টাকা করে দিতে হচ্ছে। নকআউট পর্বে এই খেলায় অংশ নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই নটি দল তাদের আসার ব্যাপারে লিখিত সম্মতি জানিয়ে দিয়েছে। শ্যামল রায় বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো বর্ধমান শহর এলাকার ক্রীড়াপ্রেমী মানুষদের একটি ভালো ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উপহার দেওয়া। আমরা সেই চেষ্টাই করছি। সদ্য প্রয়াত বিশিষ্ট শিল্পী জুবিন গর্গকে সম্মান জানিয়ে এবারের এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু করা হবে। উপস্থিত থাকবেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস সহ বিশিষ্ট জনেরা। আয়োজকদের তরফে সভাপতি শ্যামল রায় ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুই বিশিষ্ট কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ সাহা ও সুরজিৎ। তারা প্রত্যেকেই বর্ধমান শহর ও শহর সংলগ্ন এলাকার ক্রীড়া প্রেমীদের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট চলাকালীন মাঠে আসার জন্য আহ্বান জানান। তারা বলেন, আমরা চাই তরুণ প্রজন্ম আরও বেশি করে মাঠে আসুক। সেই লক্ষ্য নিয়েই আমাদের এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন।

2
দলীয় সংগঠনকে মজবুত করতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন

২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর এই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই পূর্ব বর্ধমান জেলার ১৬ টি আসনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দলীয় সংগঠনকে আরও মজবুত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই কাজ চলছে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রতেও। এই উপলক্ষ্যে ৮ ডিসেম্বর ২৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় বলেন, এদিনের এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব জয়প্রকাশ মজুমদার, বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরবৃন্দ। তন্ময় বলেন, মূলত আগামী এক বছরের কর্মসূচীকে সামনে রেখে এই কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো। আগামী এক বছরের প্রতিটি দলীয় কর্মসূচীকে সফল করার জন্য দলের নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কর্মীদের কাছে বার্তা দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। তার সঙ্গে রয়েছে এসআইআর কর্ম প্রক্রিয়া ইত্যাদি।
এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে জয়লাভ করানো। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণের মধ্যে দিয়ে বিরোধী পক্ষকে পরাজিত করা। তারজন্য দলীয় কর্মসূচীকে যথাযথভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
এই কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত থেকে বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস বলেন,দলের কর্মীরাই হলেন অন্যতম সম্পদ। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তারাই জনসংযোগ রক্ষা করেন। মানুষের পাশে দাঁড়ান। বিরোধী দলের মোকাবিলা করেন। এই কর্মীদের মনোবলকে বজায় রাখা ও দলীয় সংগঠনকে আরও সংগঠিত করা আমাদের লক্ষ্য। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলেছি।