1
মাদ্রাসা শিক্ষক শিক্ষাকর্মী সমিতির উদ্যোগে ইফতার মজলিস
মাদ্রাসা শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী সমিতি পূর্ব বর্ধমান জেলা শাখার পক্ষ থেকে ইফতার মজলিসের আয়োজন করা হয়। স্থানীয় কেশবগঞ্জচটি হাই মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই ইফতার মজলিসে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের প্রাক্তন সভাধিপতি দেবু টুডু, বিশিষ্ট শিক্ষাব্রতী বাগবুল ইসলাম, শিক্ষা অনুরাগী রথীন মল্লিক সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। এই অনুষ্ঠানে উজ্জ্বল প্রামাণিক বলেন, আমাদের এই বাংলায় সব ধর্ম সব সম্প্রদায়ের মানুষরা বসবাস করেন। তারা নিজেদের ধর্মাচরণ করেন। প্রতিটি সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে তারা পরস্পর অংশগ্রহণ করেন। এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই উৎসবগুলি পালন করা হয়। সামনেই ঈদ উৎসব রয়েছে। এই ঈদকে কেন্দ্র করে এক মাসব্যাপী রোজা পালন করেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা। সেই রোজা পালনকে কেন্দ্র করেই এখানে এই ইফতারের আয়োজন।
2
আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ইফতার পার্টির আয়োজন
আর কয়েকদিন পরেই ঈদ উৎসব। ঈদকে কেন্দ্র করে এক মাসব্যাপী রোজা পালন করছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরা। ৯ মার্চ রোজা শেষে তাদের জন্য ইফতার পার্টির আয়োজন করলো ২৯ নম্বর ওয়ার্ড আইএনটিটিইউসি। এ প্রসঙ্গে জানা গেছে, বর্ধমান হাসপাতালের এমার্জেন্সি গেট আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙ্গা মসজিদে এই ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক এবং বর্ধমান হাসপাতাল গেট আইএনটিটিইউসির কর্মকর্তারা। এদিন এই ইফতার পার্টিতে স্থানীয় এলাকার শিশুরাও অংশ নেয়। এ প্রসঙ্গে সুশান্ত প্রামাণিক বলেন, আমরা প্রত্যেকটি সম্প্রদায়ের মানুষের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করি। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটা কথা বলেছেন, ধর্ম যারযার উৎসব সকলের। তাঁর সেই বার্তাকে পাথেয় করে আমরা দুর্গোৎসবের মতোই এখানে ঈদ উৎসব পালন করি। এই উৎসবগুলিতে সব ধর্মের মানুষরা অংশ নিয়ে পরস্পরকে আলিঙ্গন করেন। এর মধ্যে দিয়ে এক সম্প্রীতির পরিবেশ গড়ে ওঠে। সেটাই আমাদের সকলের কাছে কাম্য। এটাই আমাদের রাজ্য তথা সারা দেশের মানুষের সনাতন সংস্কৃতি। এই সংস্কৃতিকে সুরক্ষিত রাখাটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই এখানে এই আয়োজন করা হয়েছে।


