1
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হলুদ পাখির পক্ষ থেকে দুঃস্থদের কম্বল প্রদান
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হলুদ পাখির বর্ধমান জেলা শাখার পক্ষ থেকে ২৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে রাস্তার ধারে শুয়ে থাকা মানুষদের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়। বর্ধমান থেকে শক্তিগড় অন্যদিকে বর্ধমান থেকে গলসীর সাঁকো পর্যন্ত রোডের দুধারে শুয়ে থাকা দুঃস্থ মানুষদের হাতে এই কম্বল তুলে দেন হলুদ পাখির জেলা সম্পাদক সৌমাভ সরকার। এছাড়া কৃষ্ণেন্দু বসাক, প্রসেনজিৎ দাস, শেখ ফিরোজ প্রমুখ এদিন গাড়িতে চেপে জি টি রোডে রাস্তার ধারে শুয়ে থাকা এমন ১০০ জন দুঃস্থ মানুষের হাতে কম্বল তুলে দেন। সৌমাভ বলেন, এই সব অসহায় মানুষদের প্রবল ঠান্ডার হাত থেকে কিছুটা সুরক্ষা দিতে আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আমাদের এই উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছেন হলুদ পাখির মেন্টর ডাক্তার সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়। এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অন্যতম সদস্য ডাক্তার তারক সরকার বলেন, মোট আড়াইশো জনকে এই শীতবস্ত্র প্রদান করা হবে। এর মধ্যে এদিন গভীর রাত পর্যন্ত ১০০ জনের হাতে কম্বল তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫০ জনের হাতে খুব শীঘ্রই এই কম্বল তুলে দেবে হলুদ পাখি।
2
৫২০ প্যাকেট কেক প্রদান তাজিবুরের
বার্তাটা ছিল হ্যাপি ক্রিসমাস ডের। আর এই বার্তাকে সামনে রেখে বর্ধমান শহর তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি তাজিবুর রহমানের উদ্যোগে ছোটনীলপুর এলাকার বাসিন্দা ও কচিকাঁচাদের হাতে কেকের প্যাকেট তুলে দেওয়া হলো। তাজিবুর জানান, এদিন মোট ৫২০ প্যাকেট কেক প্রদান করা হয়। এই ধরনের একটি উদ্যোগ গ্রহণের মূল লক্ষ্য হলো, ২৫ ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে এলাকার বাসিন্দা ও শিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটানো। সাধারণত যীশু খ্রীষ্টের জন্মদিনে কেক খাওয়ার একটা প্রচলন রয়েছে। তবে অনেক সময় এই দিনে সেটা অনেকের পক্ষে কিনে খাওয়া সম্ভব হয় না। তাই এখানকার স্থানীয় মানুষদের সকলের কথা চিন্তা করে এদিন এই কেক বিতরণ কর্মসূচীর আয়োজন করা হয় বলে জানান তাজিবুর। স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুরা হাতে কেক পেয়ে খুবই খুশি হয়েছেন। তাদের কথায়, এদিন হাতে কেক পেয়ে খুবই ভালো লেগেছে। তাজিবুর রহমানের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন সকলেই।
3
জলাশয় এবং খাল বিলের হারিয়ে যাওয়া মাছকে বাঁচাতে শুরু খাল বিল চুনো মাছ উৎসব
রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন তিন অধিনায়ক ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে উদ্বোধন হল খাল বিল চুনো মাছ উৎসব। ২৫ ডিসেম্বর থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ১ নম্বর ব্লকের বাঁশদহ বিলের পারে শুরু হয়েছে এই উৎসব। তবে কেবল খাল বিল নয়, তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পিঠে পুলি ও প্রাণী পালনও। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই উৎসব। বিগত কয়েক বছরের মতো এবারেও নিয়ম করে মন্ত্রীর উদ্যোগে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এবছর এই উৎসব রজত জয়ন্তী বর্ষে পদার্পণ করল। ২৫ বছর ধরে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছেন রাজ্যের বর্তমান প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। এই মেলায় চুনো মাছের সঙ্গে রয়েছে ভিন্ন স্বাদের পিঠে পুলিও। পিঠে পুলির দোকান ছাড়াও এই মেলায় রয়েছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনও। ডিসেম্বর মাসের ২৭ তারিখ অবধি এই মেলা চলবে।
২৫ তারিখ এই উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন প্রাণী ও মৎস্য বিজ্ঞান বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য তীর্থঙ্কর দত্ত, জেলাশাসক আয়েশা রানী এ, পুলিশ সুপার সায়ক দাস, এবং ভারতীয় ফুটবল দলের প্রাক্তন তিন অধিনায়কও। উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, সাংসদ শর্মিলা সরকার সহ বিশিষ্টরা। মৎস্য চাষীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য ঘেরা পদ্ধতিতে মৎস্য চাষের একটি প্রকল্পের সূচনা হয় এই এলাকায়।


