1
শ্মশান ভৈরবী কালী মায়ের বাৎসরিক পুজো অনুষ্ঠিত হলো
পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত বাবলাডিহি গ্রামে শ্মশানি তারা কালী মা’র আজ বাৎসরিক পুজো অনুষ্ঠিত হয়। এই কালী মায়ের মন্দিরে প্রতিদিন বিভিন্ন অসুখ বিসুখ নানান সমস্যার কথা সাধারণ ভক্তরা এসে মাকে জানান মা তাদের সব সমস্যারই সমাধান করেন। তাদের মনস্কামনা নিয়ে অগণিত ভক্ত আসেন এবং মায়ের কৃপালাভ করেন। বাৎসরিক পূজোর দিন মা শ্মশান থেকে নিজে এখানে আসেন এবং ভর করার মধ্যে দিয়ে ভক্তদের কথা শোনেন ও প্রত্যেকের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করেন।এছাড়া প্রতি অমাবস্যা ও পূর্ণিমায় মায়ের ভর হয় পুজোর পরে। প্রায় প্রতিদিনই বহুদূর-দূরান্ত থেকে এসে ভক্তরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের বার্তা মায়ের কাছে নিয়ে থাকেন। মন্দিরটি হল পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত বাবলাডিহি গ্রামে। মা এখানে সকলের কাছে শ্মশান ভৈরবী নামে পরিচিত। মায়ের বাৎসরিক পুজোর দিন হাজার হাজার মানুষ এই মন্দির প্রাঙ্গণে এসে উপস্থিত হন।
2
পলাশ নিধন রোধে সাফল্য এলো গাছগ্রুপের হাত ধরে
শিবরাত্রিকে কেন্দ্র করে পূর্ব বর্ধমান জেলার বৈকন্ঠপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াড়া গ্রামের দুটি পলাশ বন থেকে ফুল ব্যবসায়ীরা ডাল ভেঙে নিয়ে যাচ্ছিলেন। যদিও শিবরাত্রিতে পলাশ ফুলের কোনো ধর্মীয় ব্যবহার নেই, তবুও বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে এর চাহিদা বাড়ছিল। ক্রমাগত এইভাবে ডাল ভেঙে নেওয়ার ফলে বনাঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
এ খবর পেয়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গাছগ্রুপের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও জাতীয় শিক্ষক অরূপ চৌধুরী উদ্যোগ নেন। গাছগ্রুপের সদস্যরা দ্রুত বালিয়াড়া গ্রামে পৌঁছে সচেতনতা প্রচার চালান এবং পদযাত্রার মাধ্যমে স্থানীয়দের বোঝান। শুধু প্রচারেই সীমাবদ্ধ না থেকে, শিবরাত্রির দুদিন ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা বন পাহারা দেন এবং বন ধ্বংসকারীদের প্রতিহত করেন।
এই কাজে গাছগ্রুপকে সহযোগিতা করে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় পঞ্চায়েত, গ্রামবাসী এবং স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা। বিশেষ করে জেলা প্রশাসনের কৃষ্ণেন্দু মন্ডল ও তীর্থঙ্কর বিশ্বাসের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। সফল প্রচেষ্টার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন “গাছ মাস্টার” অরূপ চৌধুরী।


