শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন | শিক্ষকদের বাড়ি পৌঁছে তাদের সম্মানিত করলেন দুই


1
শিক্ষক দিবসে শিক্ষকদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন

৫ সেপ্টেম্বর দিনটি সারা দেশজুড়ে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের জন্মদিনকে কেন্দ্র করে এই দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবে তারই ইচ্ছা অনুসারে পালন করা হয়ে থাকে। এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে পালন করা হলো পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন স্কুলে। এদিন এই জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের সরঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সম্মানিত করলেন এই ব্লকেরই বাসিন্দা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম ও জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তারা দুজনেই এই বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এখানে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের পর বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে গোলাপ ফুল, একটি করে পেন ও মিষ্টি তুলে দেন তারা। অপার্থিব ইসলাম বলেন, আমরা জীবনে যা কিছু শিখেছি তার অর্ধেকটা শিখেছি পরিবারে বাবা-মা ও অভিভাবকদের কাছে। আর বাকি অর্ধেকটা শিখেছি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে। এই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে আমরা যদি শিক্ষা গ্রহণ না করতাম, তাহলে আমাদের জীবন পরিপূর্ণতা পেত না। তাই তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানো আমাদের কর্তব্য।
বিশ্বনাথ রায় বলেন, আমি নিজেও একজন শিক্ষক। তাই আমার মনে হয় দেশ গড়ার কারিগর হলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অর্থাৎ ছাত্র-ছাত্রীদের জীবন গড়ার ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সমাজে তাঁরা আমাদের সকলের কাছে একটা আলাদা স্থান করে নিয়েছেন। তাই আজকে শিক্ষক দিবসের দিনে তাঁদের সম্মানিত করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। (পজ্)

2
শিক্ষকদের বাড়ি পৌঁছে তাদের সম্মানিত করলেন দুই জনপ্রতিনিধি

শিক্ষক দিবসের পুণ্যদিনে নিজদের শিক্ষাগুরুদের সম্মান,শ্রদ্ধা জানাতে তাঁদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছলেন দুই প্রাক্তন ছাত্র, যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত।
কথায় আছে শিক্ষকরা হলেন মানুষ গড়ার কারিগর। একদিকে তাঁদের হাত দিয়ে যেমন শত শত ডাক্তার, উকিল, বড় বড় চাকুরীজীবী তৈরী হন , আবার অনেকে একটু অন্য পেশায় গিয়ে মানুষের মত মানুষ হয়ে নিজেরাই নিজেদের কে সমাজ গড়ার কাজে যুক্ত করেন। আজ আমরা সেইরকম দুই ছাত্রের কথা তুলে ধরবো। তাঁদেরই একজন হলেন জামালপুরের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান। আর অন্য জন পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক। দুজনেই বেড়ুগ্রাম আচার্য্য গিরিশ চন্দ্র বসু বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন ছাত্র। দীর্ঘদিন আগেই তাঁরা বিদ্যালয় ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন। কিন্তু আজও তাঁদের কাছে বিদ্যালয়ের দিনগুলির স্মৃতি সতেজ হয়ে আছে। যেমন ভুলতে পারেননি তাঁদের বিদ্যালয়ের ফেলে আসা দিনগুলি, ঠিক তেমনই ভুলতে পারেননি তাঁদের সময় কালের শিক্ষকদের। শিক্ষকদের কথা , স্কুল জীবনের পুরানো দিনের কথা বলতে গিয়ে আজও তাঁদের গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠে। সেই স্কুল থেকেই পড়ে এসে আজ তাঁরা সমাজের বিভিন্ন কাজের সাথে নিজদের যুক্ত করেছেন। তাঁদের আজকের এই প্রতিষ্ঠার পিছনে যাঁদের সবচেয়ে বড় অবদান তাঁরা হলেন শিক্ষক। তাই আজকের শিক্ষক দিবসের এই পুণ্যদিনে তাঁরা তাঁদের সময়ের চারজন শিক্ষকের বাড়ি পৌঁছে গেলেন তাঁদের সম্মান, শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাতে। শেখ গোলাম এহিয়া, শেখ শামসুদ্দিন, শক্তি প্রসাদ ধারা ও পরেশ চন্দ্র দত্ত এই চারজন বেড়ুগ্রাম এ জি সি বি বিদ্যাপীঠ এর প্রাক্তন শিক্ষক। আজ মেহেমুদ বাবু ও ভূতনাথ বাবু তাঁদের প্রাক্তন শিক্ষকদের বাড়িতে গিয়ে তাঁদের প্রণাম করে, তাঁদের হাতে একটি ফুলের তোড়া, একটি পেন, একটি মিষ্টির প্যাকেট ও পাঞ্জাবী ও পাজামা উপহার স্বরূপ তুলে দিলেন। শিক্ষকরাও তাদের এই প্রাক্তন ছাত্রদের এদিন কাছে পেয়ে খুশি ও আনন্দ প্রকাশ করলেন। (পজ্)