1
ভোটার লিস্ট বিষয়ে শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের সঙ্গে আলোচনা
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতা নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের একটি দলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের প্রতিটি এলাকায় তৃণমূলের নেতৃত্ব ও কর্মীদের ভোটার লিস্ট ভুয়ো ভোটের চিহ্নিতকরণের কথা বলেন। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে ৫ মার্চ বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর এবং তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়ার্ড সভাপতিরা। ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান পৌরসভার চেয়ারম্যান পরেশ চন্দ্র সরকার, শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায়, জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শিখা দত্ত সেনগুপ্ত প্রমুখ। এই সভায় উপস্থিত নেতৃত্ব প্রতিটি ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি ঘুরে, ভোটার লিস্টে ভুয়ো ভোটার চিহ্নিতকরণের বিষয়ে দিক নির্দেশ করেন।
2
উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে টোটো পরিষেবার ব্যবস্থা আইএনটিটিইউসির
শুরু হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা। আর ছাত্রছাত্রীরা যাতে পরীক্ষা কেন্দ্রে যথাযথভাবে পৌঁছতে পারে তারজন্য পূর্ব বর্ধমান জেলা আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে এই জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিনামূল্যে টোটো পরিষেবা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানালেন এই সংগঠনের জেলা সভাপতি সন্দীপ বসু। তিনি বলেন, আমরা মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ও জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরীক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে টোটো পরিষেবার ব্যবস্থা করেছিলাম। এবার উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ও একই ভাবে বিনামূল্যে টোটো পরিষেবা ব্যবস্থা করেছি। এরফলে পরীক্ষার্থীরা তাদের গন্তব্যস্থলে খুব সহজেই পৌঁছতে পারছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিভাবকরা পরীক্ষার্থীদের নিয়ে সাইকেল, মোটরসাইকেল, গাড়ি করে গন্তব্যস্থলে পৌঁছোন। অনেক সময় আবার ট্রেন ও বাসেও পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যান। কিন্তু নির্দিষ্ট সেন্টারে পৌঁছতে তাদের সময় লাগে। তাই আমরা আইএনটিটিইউসির পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় স্টেশন ও বাসস্ট্যান্ডে পরীক্ষার্থীদের জন্য টোটো পরিষেবার ব্যবস্থা করায় পরীক্ষার্থীদের খুবই সুবিধা হয়েছে। টোটো চালকরা এই কাজে অনেকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
3
শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্য রুখতে তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ঘোষিত কর্মসূচীতে অংশ নিতে গিয়েছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসু। সেখানে তাকে নজিরবিহীন ভাবে আক্রমণ করা হয় এসএফআই ও অতি বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে বলে অভিযোগ। শিক্ষামন্ত্রীর উপর এই বর্বরোচিত আক্রমণের প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃত্ব ও সদস্যরা পথে নামেন। তারা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন এই সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তিনি বলেন, বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি কখনোই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে না। তারা নানাভাবে অতীতেও শিক্ষাক্ষেত্রকে কলুষিত করেছে। এখনও সেই কাজ তারা ধারাবাহিকভাবে করে চলেছে। তাই রাজ্যের একজন মন্ত্রীর উপরে আক্রমণ করার মতো ঘটনা তারা ঘটাতে পেরেছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল শিক্ষা সেলের চেয়ারম্যান তথা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উপর আক্রমণের প্রতিবাদে কালনার মধুপুর এলাকায় পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে উপস্থিত থেকে এই কথাগুলি বলেন বিশ্বনাথ রায়। এদিনের এই কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে অংশ নেন কালনা ১ পঞ্চায়েত সমিতির জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ বিমল সিংহ রায়, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ চঞ্চল সিংহ রায়, বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ প্রকাশ পোদ্দার, শিক্ষক নেতৃত্ব সৌমিত্র নাথ, আজমত আলী খাঁ, শিশির মন্ডল, সন্দীপ পাল, পিন্টু দাস প্রমুখ। প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা এদিনের এই কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন।


