1
ব্যবসায় বিশেষ সাফল্যের জন্য সম্মানিত বর্ধমানের বিশিষ্ট উদ্যোগপতি বিশ্বনাথ ঘর
ব্যবসা করার অর্থ শুধুমাত্র মুনাফা নয়। পাশাপাশি লক্ষ্য থাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিও। আর সেই লক্ষ্যেই আমি আমার ব্যবসার কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি বলে উল্লেখ করলেন বর্ধমানের বিশিষ্ট উদ্যোগপতি বিশ্বনাথ ঘর। উল্লেখ্য, গন্ধবণিক শিক্ষা সমিতি কলকাতার ৮২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বর্ধমান কেন্দ্রের সভাপতি তথা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবী বিশ্বনাথ ঘর উপস্থিত থেকে এই কথাগুলি বলেন। ১৮ মে কলকাতার ফণিভূষণ বিদ্যাবিনোদ যাত্রামঞ্চে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্বনাথ ঘরকে সম্মানিত করা হয়। এই অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি অমিতাভ দত্ত,সহ সভাপতি অমর পাল সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বিশ্বনাথ ঘর বলেন, আমাদের গন্ধবণিক সমাজের কাছে ব্যবসাই অন্যতম লক্ষ্য। কারণ আমরা দেখেছি অতীতে বণিক সমাজের পুরোধা চাঁদ সদাগর কিভাবে তার বাণিজ্যের বিস্তার ঘটিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন দেশও বাণিজ্যকে গুরুত্ব দিয়ে আর্থিকভাবে সমৃদ্ধ হয়ে চলেছে। ভারতবর্ষও এক্ষেত্রে বিশ্বের মাঝে একটা গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে।
বিশ্বনাথ ঘর তার বক্তব্যে বলেন, আমার ব্যবসায়িক জীবন শুরু আমার বাবার হাত ধরে। তার আশীর্বাদ নিয়েই আমার এগিয়ে যাওয়া। সঙ্গে পেয়েছি মায়ের আশীর্বাদও। এছাড়াও আমার পাশে যারা সহযোগী হিসেবে রয়েছেন আমি তাদের কাছেও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পেয়ে চলেছি। পেয়েছি স্ত্রী ও সন্তানের আন্তরিক সহযোগিতাও। রয়েছে শুভানুধ্যায়ীদের ভালোবাসা। আমি এদের প্রত্যেককেই জীবনে এগিয়ে চলার পথে মনে রেখেছি।
এ দিনের অনুষ্ঠানে এখানে কৃতী ছাত্র-ছাত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাদের উদ্দেশ্যে বিশ্বনাথ ঘর বলেন, তোমরা জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের ক্ষেত্রে কোনো সময় হতাশ হবে না। জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যর্থতা আসতেই পারে। কিন্তু সেই ব্যর্থতাকে মানসিক দৃঢ়তা দিয়ে অতিক্রম করতে হবে তোমাদের। তবেই সাফল্য আসবে প্রত্যেকের জীবনে।
2
জামালপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জ্ঞাপন
জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও ব্লকের উদ্যোগে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা জানানোর জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় ব্লক অফিসে পঞ্চায়েত সমিতির মিটিং হলে । মূলত ৯০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর প্রাপ্ত ৩৮ জন কৃতী ছাত্রছাত্রীকে সম্বর্ধিত করা হয়। তাদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন সদর দক্ষিণ মহকুমা শাসক বুদ্ধদেব পান, বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান, জামালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক কৃপাসিন্ধু ঘোষ, আইএমডাব্লু শুভাশীষ মুখার্জী সহ পঞ্চায়েত সমিতির সকল কর্মাধ্যক্ষ, সদস্য, প্রধান, উপ প্রধান সহ অন্যান্যরা। ফোনের মাধ্যমে কৃতীদের উৎসাহিত করেন সাংসদ ডাক্তার শর্মিলা সরকার ও পিওবিসিডব্লু কৃষ্ণেন্দু কুমার মন্ডল। ছিলেন আই আই টি, খড়্গপুরের টেকনিকাল অফিসার বঙ্কিম মন্ডল । কৃতীদের উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের তোড়া দিয়ে, একটি সুন্দর মেমেন্টো, একটি মেডেল ও মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে সম্বর্ধনা জানানো হয়। এসডিও বুদ্ধদেব পান সকল কৃতীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আরও এগিয়ে যাবার কথা বলেন। তিনি বলেন, শুধু নিজে এগিয়ে গেলে হবে না, তাদের সহপাঠীদের নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। জামালপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ছাত্রদের থেকে ছাত্রীরা অনেক ভালো রেজাল্ট করেছে। তিনি তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই কন্যাশ্রীদের সামনে রেখেই বাল্যবিবাহ রোধের প্রচার করতে হবে।
বক্তব্য রাখেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি ও পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান।


