বন্দেমাতরম গানের ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপন কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে
১৮৭৫ এর নভেম্বরের ৭ তারিখে ৩৭ বছরের এক মধ্য তারুণ্যের সাহিত্যিক নৈহাটিতে লিখে ফেললেন – বন্দেমাতরম, সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাং। এর সাত বছর পরে স্বাধীনতা সংগ্রামের মঞ্চ কাঁপিয়ে সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র যে আনন্দমঠ উপন্যাস লেখেন তাতে অন্তর্ভুক্ত করেন এই বন্দেমাতরম। ৭ নভেম্বর ২০২৫ সালে এই অমর রচনার দেড়শ বছর পূর্তি, যাকে জাতীয় স্তোত্র অভিধা দিয়েছেন ভারত সরকার।
কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে সাড়ম্বরে এই দিনটি পালিত হয়। প্রাত্যহিক সম্মেলনে শিক্ষক দীপ্তসুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, কোনো জাতি দেশকে মা রূপে, কোনো জাতি পিতা রূপে সম্বোধন করে। বন্দেমাতরম এই দুই শব্দে যে ভারতমাতার বন্দনা করা হয়েছে তাঁর স্নেহচ্ছায়ায় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল আসমুদ্রহিমাচল ভারতবাসী। প্রথম স্তবক সংস্কৃত ভাষার কারণে সকলের আদরণীয় হতে পেরেছিল।
প্রধান শিক্ষক রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বনামধন্য ড সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বন্দেমাতরম এমন এক উচ্চারণ যা আমাদের ছোটবেলাকে দেশপ্রেমে উষ্ণ করেছিল এবং আজও নিরন্তর সেই মহত্তম দেশনায়কদের দেখানো পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করে। তাই শ্রদ্ধার সঙ্গে এই দিনটি আমরা পালন করলাম।


