ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলায় ১০ লক্ষ গাপ্পি মাছের চারা ছাড়া হয়েছে | প্রতিটি এলাকার মানুষই সেই এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন


1
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলায় ১০ লক্ষ গাপ্পি মাছের চারা ছাড়া হয়েছে

পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রামীণ এলাকার ২৩ টি ব্লকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ১৫৫৭ টি স্পটকে এ বছর চিহ্নিত করা হয়েছে। এই সমস্ত স্পটের জলা জায়গায় গাপ্পি মাছের চারা ছাড়া হয়েছে বলে জানালেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১০ লক্ষ গাপ্পি মাছের চারা জেলায় ছাড়া হয়েছে। বিশ্বনাথ রায় জানান, এ ব্যাপারে পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সবসময় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ বছরও জেলায় যাতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব কোনোভাবে দেখা না দেয়, তারজন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ধারাবাহিকভাবে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে। বিভিন্ন এলাকায় মশক নিরোধক ওষুধ স্প্রে করার কাজও চলছে। জানা গেছে, ইতিপূর্বে জেলার পৌরসভা এলাকাগুলোতেও গাপ্পি মাছের চারা ছাড়া হয়েছে।

2
প্রতিটি এলাকার মানুষই সেই এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন

সারা রাজ্যজুড়ে যেমন আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান কর্মসূচী চলছে, ঠিক তেমনই পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও এই কর্মসূচী প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে। এই কর্মসূচী চলছে জেলার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত বিভিন্ন অঞ্চলে। এ প্রসঙ্গে ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি মানস ভট্টাচার্য বলেন, এই কর্মসূচীর মধ্যে দিয়ে প্রতিটি এলাকার মানুষ তাদের এলাকার উন্নয়নে কি প্রয়োজন সে বিষয়ে তার মতামত জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। সেইসব এলাকার মানুষের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়নের কাজকে ত্বরান্বিত করছে প্রশাসন। মানুষকে এইভাবে উন্নয়নের ভাগীদার করার ক্ষেত্রে বড় রকমের সুযোগ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরফলে প্রতিটি বুথ এলাকার বাসিন্দারা তাদের এলাকার উন্নয়নের বার্তা পৌঁছে দিতে পারছেন প্রশাসনের কাছে। প্রশাসনও সেই মতো উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে।