কাঞ্চননগরে শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয়ে বাগদেবীর আরাধনা | জামালপুরে পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তার উদ্বোধন


1
কাঞ্চননগরে শতবর্ষ প্রাচীন বিদ্যালয়ে বাগদেবীর আরাধনা

বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগরের শতবর্ষপ্রাচীন দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় বর্ধমান শহরে দ্বিতীয় প্রাচীনতম। বর্ধমান রেলস্টেশন যখন তৈরী হয়নি, কাঞ্চননগর তখন শিল্পবাণিজ্যে সমৃদ্ধ এক অঞ্চল। এই বিদ্যালয়ে এককালে দুর্গাপূজা হত। সংবাদ প্রভাকরের মতো প্রাচীন সংবাদপত্রে জানা যায়, বর্ধমানের মহারাজা নিজে পুজোর উদ্যোগ নিতেন। সেই ঐতিহ্যে এখনও চলে আসছে। এখানকার ধার্মিকমনোভাবাপন্ন তথা ঐতিহ্যশালী সংস্কৃতিবিশিষ্ট অধিবাসীদের বিভিন্ন পুজো, যার মধ্যে রয়েছে সরস্বতী পুজো।
পুজোতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করলো মৌসুমী, সরমা, সোহিনী, সুরজ, অনঙ্গ, সোনালী, সুনীতা, ইতু এবং আরও অনেকে। শিক্ষিকা শ্যামলী দাস, কৃষ্ণা ঘোষ, অনন্যা ঘোষ, সুনীতা সাহা এবং অন্যান্যদের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়ের পূজামঞ্চ সেজে উঠেছিল অপরূপ ভঙ্গীতে।
মাকে ভোগ নিবেদন করা হয় লুচি, মিহিদানা, খেজুর, চিনির বাতাসা, কাজু, কিসমিস, কলা, শাঁক আলু, আপেল, কুল, নারকেল, নারকেলের নাড়ু, দুধ, দই, খেজুর গুড় আর ছানার সন্দেশ, খেজুর গুড়ের মুড়কি, সাদা চিঁড়ে, শসা, পেয়ারা, নাশপাতি, সাদা মিষ্টান্ন।
পুজোর অন্যতম ব্যবস্থাপক শিক্ষক সঞ্জিৎ পাল বলেন, বাগদেবীর ভোগে আমিষ থাকে না। ভোগের সামগ্রী সব ছিল উদ্ভিদজাত। সয়াবিন, দুধ, দই, ছানা, ঘি, গমের আটা, ময়দা, আখের চিনি, খেজুর রসের গুড়, এবং ফল, ধান থেকে জাত চিঁড়ে, খইয়ের মুড়কি।
প্রধানশিক্ষক পরিবেশবিদ ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জানান, সব মিলিয়ে বিদ্যালয়ের এই পুজো ছিল পরিবেশবান্ধব। প্রতিমার গায়ে কোনো রাসায়নিক রঙ ব্যবহার করা হয়নি। প্রসাদের পাত্র পাতার তৈরী। পুজোর অন্যান্য উপকরণ ছিল বায়োডিগ্রেডেবল। সেভাবেই সব কিছু খেয়াল করে ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুজোর ব্যাপারে সমস্ত কিছুর তদারকির দায়-দায়িত্ব ছিল বিদ্যালয়ের সংস্কৃত পন্ডিত সহশিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের উপর।

2
জামালপুরে পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তার উদ্বোধন

পূর্ব বর্ধমান জেলার জামালপুরে একের পর এক পথশ্রী প্রকল্পের রাস্তা উদ্বোধন হচ্ছে। এবার পাড়াতল ২ ‘নম্বর অঞ্চলে এক কোটি একাত্তর লক্ষ তিপান্ন হাজার তিনশত চৌত্রিশ টাকা ব্যয়ে একটি পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তার উদ্বোধন করলেন জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান। সঙ্গে ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ভূতনাথ মালিক, তাবারক আলী মন্ডল, প্রধান মারিয়া বেগম শেখ, উপ প্রধান সরস্বতী টুডু,আনোয়ার সরকার সহ অন্যান্যরা। রাস্তাটি বাহাদুরপুর খেলার মাঠ থেকে শুরু হয়ে গারোলমুরি হয়ে শিপতাই স্কুল পর্যন্ত করা হয়েছে। ফিতে কেটে রাস্তাটির উদ্বোধন করা হয়। এই উপলক্ষ্যে এলাকার সাধারণ মানুষ এখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। মেহেমুদ খান বলেন, রাজ্যের প্রতিটি ব্লকের প্রতিটি অঞ্চলে অঞ্চলে উন্নয়ন পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জামালপুর ব্লকে পথশ্রী প্রকল্পে প্রচুর রাস্তা ইতিমধ্যেই তৈরী হয়েছে। এবার এই রাস্তাটির উদ্বোধন করা হলো।