আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করার উদ্যোগ | জায়ান্ট স্ক্রিনে দীঘার রথযাত্রা দেখানোর উদ্যোগ | রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে খুঁটি পুজোর আয়োজন | রাধাকৃষ্ণের পুনর্নির্মিত মন্দিরের উদ্বোধন |


1
আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করার উদ্যোগ

২৬ জুন দিনটি আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। মাদক ব্যবহারের ক্ষতি এবং অবৈধ মাদক পাচারের সমস্যাগুলো সম্পর্কে এই দিনে সরকারি ও বেসরকারি স্তরে নানান আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আলোকপাত করার চেষ্টা করা হয়। মাদক শরীর, মন এবং ভবিষ্যতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। মাদক সেবন মানুষকে অসুস্থ করে তোলে এবং সুখী জীবন যাপন করতে বাধা দেয়।
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে মাদক থেকে দূরে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই মাদকের বিরুদ্ধে “না” বলতে হবে এবং বন্ধুদেরও মাদক থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করতে হবে।
সামগ্রিক এই বিষয়টিকে সামনে রেখে সিএসআর বক্স থেকে এদিন কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে এসেছিলেন শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তার আলোচনায় বয়ঃসন্ধির ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত বিদ্যালয়ে কিরকম সমস্যার মধ্যে পড়ে এবং কিভাবে তার সমাধান করা উচিত সে কথা তুলে ধরেন। শ্রেণীকক্ষে তথা বন্ধুবৃত্তে নানা মানসিকতার পড়ুয়া থাকে, কেউ বেশি বয়সেরও হয়। তারা নেশার মতো নানারকম ক্ষতিকর অভ্যাসের দিকে অন্যদের আকর্ষণ করে।কিন্তু তা প্রত্যাখ্যান করার উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জানান, এই জাতীয় প্রোগ্রাম আমরা সবসময়েই স্বাগত জানাই। সমাজে নেশার ক্রমবর্ধমান প্রকোপের দিকে তাকিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের রক্ষা করা আমাদের সকলের কর্তব্য। তার জন্যই এই আলোচনার আয়োজন।

2
জায়ান্ট স্ক্রিনে দীঘার রথযাত্রা দেখানোর উদ্যোগ

রাজ্যে রথযাত্রার পূণ্য দিনে দীঘা থেকে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সরকারি নির্দেশে প্রতিটি ব্লকে জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে সাধারণকে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেইমতো পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক অফিসে একটি জায়ান্ট স্কিনের মাধ্যমে দীঘার জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা লাইভ দেখানো হয়। অনুষ্ঠান দেখতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি ভূতনাথ মালিক, বিডিও পার্থসারথী দে, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খান সহ অফিসের কর্মী ও অন্যান্যরা। মেহেমুদ খান বলেন, দীঘায় জগন্নাথ দেবের মন্দির প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর এই প্রথম রথযাত্রা উৎসব হচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সমস্ত মানুষকে তা দেখার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যারা সরাসরি দীঘায় পৌঁছাতে পারবেন না বা পুরি যেতে পারেন না, তারা নিজেরাই ঘরে বসে এই রথযাত্রার অনুষ্ঠান দেখতে পাবেন। তিনি মা মাটি মানুষের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

3
ইসকনের রথযাত্রার সূচনায় বিধায়ক

বর্ধমান শহরের নানা প্রান্তে রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে রথের রশিতে টান দেন সাধারণ মানুষ। ইসকনের পক্ষ থেকেও এখানে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদার, সমাজসেবী শ্যামল রায় সহ প্রশাসনের আধিকারিকবৃন্দ। এখানে এই রথযাত্রার সূচনায় বিধায়ককে বরণ করে নেওয়া হয় ইসকনের পক্ষ থেকে। রথে জগন্নাথ, সুভদ্রা, বলরামকে বসিয়ে শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে রথটি। এই রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে বহু ভক্তের সমাগম ঘটে এখানে।

4
3
রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে খুঁটি পুজোর আয়োজন

বর্ধমান শহরের বড়নীলপুর চৌরঙ্গী ক্লাব দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে রথযাত্রা উপলক্ষ্যে খুঁটি পুজোর আয়োজন করা হয়। এখানে নারকেল ফাটিয়ে এই খুঁটি পুজার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন বিধায়ক খোকন দাস। উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলম, সমাজসেবী শ্যামল রায় সহ চৌরঙ্গী ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা। একইসঙ্গে এদিন বর্ধমানে দুর্গাপুজোর অন্যতম আয়োজক সবুজ সংঘর পক্ষ থেকেও খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে দুর্গোৎসবের সূচনা করা হয়। জানা গেছে, এবারে তাদের পুজোর থিম কেরালার শ্রী পদ্যানাভান মন্দির। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান বাজেপ্রতাপপুর রামকৃষ্ণ মিশনের স্বামীজি অজ্ঞেয়ানন্দ মহারাজ। ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদার, ইন্তেখাব আলম, উমা সাঁই, সমাজসেবী তন্ময় সিংহ রায় প্রমুখ। এই দুটি ক্লাবের খুঁটি পুজোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।

5
রাধাকৃষ্ণের পুনর্নির্মিত মন্দিরের উদ্বোধন

বর্ধমানের স্বস্তিপল্লীতে রাধাকৃষ্ণের পুনর্নির্মিত মন্দিরের শুভ উদ্বোধন হলো। উদ্বোধন করলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী স্বরাজ ঘোষ, শ্যামল রায় সহ অন্যান্যরা। খোকন দাস বলেন, এখানে এই রাধাকৃষ্ণের মন্দিরটি নতুন করে পুনরায় নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে এখানে ভক্তরা নিয়মিত এসে পূজার্চনা করতে পারবেন। সকলের জন্য এই মন্দিরের দ্বার রথযাত্রার পুণ্যতিথিতে খুলে দেওয়া হলো।