আদিবাসী সম্প্রদায়ের পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ অনুষ্ঠান II কৃষকদের সচেতন করতেই কৃষি মেলার আয়োজন

1
আদিবাসী সম্প্রদায়ের পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ অনুষ্ঠান

প্রতি বছরই এই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে। এ বছরও আদিবাসী সম্প্রদায়ের অস্থি বিসর্জন ও পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ উপলক্ষ্যে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হলো। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দামোদর নদের তেলকুপি ঘাটে এই সমাগম হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিহার, ঝাড়খন্ড থেকেও প্রচুর আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ এখানে আসেন। এই উপলক্ষ্যে আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা জামালপুর ব্লক অফিস থেকে র‍্যালির মাধ্যমে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, বিডিও পার্থসারথী দে ও পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মেহেমুদ খানকে মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যান। এছাড়াও আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের মেন্টর মোহম্মদ ইসমাইল, রাজ্য এসটি সেলের চেয়ারম্যান দেবু টুডু ও মাজিবাবারা। দেবু টুডু এখানে এদিন পুণ্যস্নান করেন এবং পিতৃ পুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করেন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে পুলিশ প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক ছিল। কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে সেই জন্য মোতায়েন ছিল বিশাল সংখ্যায় পুলিশ বাহিনী। মেহেমুদ খান বলেন, প্রতিবছরই এখানে প্রচুর লোকসমাগম হয়। ব্লক প্রশাসন এবং জামালপুর থানা সহ জেলা পুলিশ প্রশাসন সতর্ক থাকেন। অস্থি বিসর্জন ও পিতৃপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে আসা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, এই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে স্থানীয় মানুষরাও প্রতিবছরই সামিল হন।

2
কৃষকদের সচেতন করতেই কৃষি মেলার আয়োজন

প্রতিবছরের মতো এ বছরও পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলী ১ ব্লকে ২৫ তম লোকসংস্কৃতি ও কৃষি মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলা শুরু হবে আগামী ১৯ জানুয়ারি। মেলাকে সফল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক স্তরে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, পূর্বস্থলী ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি দিলীপ মল্লিক প্রমুখ। এই ধরনের মেলার গুরুত্ব অপরিসীম বলে উল্লেখ করেন স্বপনবাবু। তিনি বলেন, মূলত কৃষি সংক্রান্ত নানা বিষয়ে চাষীদের সচেতন করার লক্ষ্য নিয়েই এই কৃষি মেলার আয়োজন করা হয়। এখানে উপস্থিত হয়ে কৃষকরা নানা বিষয়ে অবহিত হতে পারেন। কৃষকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের নানান জনমুখী প্রকল্প বিষয়েও তারা জানতে পারেন। এতে কৃষক বন্ধুরা প্রত্যেকেই উপকৃত হন।