1
যুব সাথী প্রকল্পে যুবদের পাশে দাঁড়ালেন কাউন্সিলর
রাজ্যে যুব সাথী প্রকল্পে ফর্ম ফিলাপ ও ফর্ম জমা দেওয়ার দিন শেষ হলো ২৬ ফেব্রুয়ারি। এই সংক্রান্ত ফর্ম পূরণ করে তা আবার নিজেই জমা দেওয়ার দায়িত্ব নিলেন শহরের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এমসিআইসি সুশান্ত প্রামাণিক। জানা গেছে, তিনি তার বাড়ি থেকেই যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করার ব্যাপারে যেমন যুবক-যুবতীদের সহযোগিতা করেছেন, তেমনই সেই ফর্ম নিয়ে গিয়ে পৌরসভায় জমা দিয়েছেন। আবার রিসিভ কপি যুবক-যুবতীদের ফেরতও দিয়েছেন। সুশান্ত বলেন, এমন ৪০০ জনের যুব সাথী প্রকল্পের ফর্ম পূরণ করা সহ তা পৌরসভায় জমা দেওয়ার কাজ আমি নিজেই করেছি। ওয়ার্ডের যুবদের কোনোভাবে যাতে সমস্যা না হয় তারজন্য এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। তিনি বলেন, আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের ।রাজ্য বাজেট পেশ করার সময় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করেন। এই খাতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। উপভোক্তারা এপ্রিল মাস থেকে তাদের টাকা পাবেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে। এর ফলে তারা সকলেই উপকৃত হবেন।
2
নকশা উপস্থাপত্য নিয়ে বিদ্যালয় আলোচনা
বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আর্কিটেকচার ও ডিজাইন নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথা বললেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যবিদ্যার ছাত্রী তথা গবেষক তনুশ্রী রায়। আমাদের বাড়িঘর বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষ অফিস হাসপাতাল ইত্যাদির স্থাপত্য কেন ও কিভাবে পরিকল্পনা করা হয় সে বিষয়ে স্লাইডের মাধ্যমে দেখানো হয়।
আমাদের চারদিকে নানা ডিজাইন আমরা দেখি, তাতে সৌন্দর্য যেমন থাকে তেমন কতটা কার্যকরী সেটাও একটা পয়েন্ট। সেই ডিজাইনের বস্তু যাঁরা ব্যবহার করেন তাঁদের মতো করে কাস্টমাইজ করা হয়।
মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর ডিজাইন নিয়ে তোমরা ডিপ্লোমা করতে পার, কেরিয়ারের সুযোগের কথা জানালেন তনুশ্রী। তার পরেও প্ল্যানিং বা আর্কিটেকচার নিয়ে পড়াশোনা করতে পারে।
রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত,জাতীয় মেন্টর, গবেষক, পরিবেশবিদ ও শিক্ষারত্ন জানান, জেনারেল স্ট্রিমে পড়ুয়া সংখ্যা ক্রমেই কমে আসছে। পাশাপাশি অসংখ্য কেরিয়ারের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে যা কাজে লাগাতে পারলে উপার্জনের দরজা খুলে যাবে। আমি আশা করি, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা ডিজাইন আর আর্কিটেক্ট নিয়ে কেরিয়ার গড়ার কথা ভাববে।


