1
পথশ্রী প্রকল্পে সাতটি রাস্তার উদ্বোধন বেরুগ্রামে
পূর্ব বর্ধমান জেলার খন্ডঘোষ ব্লকের বেরুগ্রাম অঞ্চলে পথশ্রী প্রকল্পে সাতটি রাস্তার উদ্বোধন হলো। এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার, অধ্যক্ষ অপার্থিব ইসলাম, জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়, জেলা পরিষদের এডিএম শুভলক্ষী বসু, খন্ডঘোষ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অনাবিল ইসলাম প্রমুখ। এই অনুষ্ঠানে সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে যে পথশ্রী প্রকল্পের কাজ রাজ্যজুড়ে চলছে, পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও সেই কাজ শুরু হয়েছে। এরফলে গ্রামীণ রাস্তাঘাটের যথেষ্ট উন্নতি ঘটছে। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের পক্ষে অনেক সুবিধা হচ্ছে। অপার্থিব ইসলাম বলেন, পথশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে রাস্তাঘাটের উন্নতি করেছেন তাতে পরিবহণ ব্যবস্থা অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এরফলে সাধারণ মানুষ দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছতে পারছেন। রাস্তা ভালো হওয়ার কারণে দুর্ঘটনার সংখ্যাও কমেছে। এই উদ্যোগকে প্রতিটি এলাকার মানুষ সাধুবাদ জানিয়েছেন।
2
অনুষ্ঠিত হলো দামোদর মেলা
শীতকাল মানেই উৎসবের আমেজ। আর এই আমেজের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে শীতের পিকনিক, মেলা। শীতের কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল বা রোদ ঝলমলে দুপুরে দিন আনি দিন খাই মানুষগুলোর দৈনন্দিন জীবনের একঘেঁয়েমি দূর করতে বর্ধমান সদর প্যায়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি দামোদরের তীরবর্তী বিদ্যাসাগর প্রাঙ্গণে আয়োজন করেছে বাৎসরিক মিলন মেলার। যার নামকরণ করা হয় “দামোদর মেলা”। এই উৎসবে প্রায় ৯০০ মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। যার মধ্যে ছিল প্রান্তিক দুঃস্থ মানুষ , ভীক্ষাজীবি সম্প্রদায় ও স্কুল কলেজ পড়ুয়ারা। ঢাকের বাদ্য সহয়োগে দামোদর মেলার উদ্বোধন করেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক রামশঙ্কর মন্ডল।
এ বিষয়ে সংস্থার সম্পাদক প্রলয় মজুমদার জানান, পূর্ব বর্ধমান মূলত কৃষিপ্রধান জেলা। কৃষিকাজে বেশির ভাগটাই দামোদরের জল নির্ভর। আর এই জল দূষিত হচ্ছে নদী তীরবর্তী স্টীল কারখানা, সার কারখানা, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ইত্যাদির বর্জ্য পদার্থের দ্বারা। বর্জ্য পদার্থে উপস্থিত ভারী ধাতুগুলি ধীরে প্রবেশ করছে খাদ্য গোলকে । এছাড়াও বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যাচ্ছে, দামোদরের জল পান তো দূর, স্নান করলেও রয়েছে ক্যান্সারের ঝুঁকি। এদিন উৎসবের শেষ লগ্নে সকলের হাতে তুলে দেওয়া হয় শীতের কম্বল। কম্বল পেয়ে খুশি দুঃস্থ মানুষরা।
3
হেয়ারিং নিয়ে ডেপুটেশন জামালপুরে
রাজ্যজুড়ে এসআইআর প্রক্রিয়ার হিয়ারিং ও ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরেও চলছে এই হিয়ারিং ও ভেরিফিকেশন। সেই কাজ নিয়ে এবার ক্ষোভ প্রকাশ করলো জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান ও সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক ইআরও, বিডিও ও নির্বাচন কমিশনের কাছে একগুচ্ছ প্রশ্ন রাখেন। মেহেমুদ খান বলেন, হিয়ারিং কক্ষের ভিতরে কেন রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ ২দের থাকার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। যেখানে ভোট চলাকালীন ভোট কক্ষে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের এজেন্টদের থাকার অনুমতি দেওয়া হয়, এখানে কেন দেওয়া হবে না? এছাড়াও তিনি বলেন, জামালপুর ব্লক অনেক বড় ব্লক। ব্লকের শেষ প্রান্ত থেকে ব্লক অফিসের দূরত্ব প্রায় ৪০ কিমি। সেখান থেকে ৮০ থেকে ৮৫ বছরের বয়স্ক মানুষ, অসুস্থ মানুষ, গর্ভবতী মহিলাদের, প্রতিবন্ধী মানুষদের আসা খুবই অসুবিধা। তারা দাবী করছেন, এই অসুস্থ মানুষগুলোর বাড়িতে গিয়ে তাদের হিয়ারিং করতে হবে। এছাড়াও যারা পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন তাদেরও জোর করে এখানে আসতে বাধ্য করা হচ্ছে। তারা চাইছেন ভিডিও কলের মাধ্যমে তাদের হিয়ারিং করা হোক। এই সমস্ত দাবির কথা তারা ইআরও ম্যাডাম ও বিডিও সাহেবকে জানালে তাঁরা বলেন এই মর্মে তাদের কাছে কোনো অর্ডার নেই। তাদের কাছে অর্ডার এলে তারা জানাবেন বলেছেন।


