1
২১ অক্টোবর নেতাজির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন বর্তমান জেলা ব্যবসায়ী সুরক্ষা সমিতির
২১ অক্টোবর দিনটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে এই দিন সিঙ্গাপুরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে গঠিত স্বাধীন সরকার একাধিক বিদেশী রাষ্ট্রের স্বীকৃতি লাভ করেছিল। আজাদ হিন্দ সরকার গঠনের এদিন ছিল ৮৩ তম বর্ষ। এই উপলক্ষ্যে বর্ধমান জেলা ব্যবসায়ী সুরক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে বর্ধমান কোর্ট কম্পাউন্ডে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান জেলা ব্যবসায়ী সুরক্ষা সমিতির কার্যকরী সভাপতি শীর্ষেন্দু সাধু, সহ-সভাপতি গোপাল দাস ও সুভাষ বসু, সাধারণ সম্পাদক সুকান্ত দাস, রোটারিয়ান সঞ্জয় মন্ডল, শম্পা কোনার, বর্ধমান সদর পেয়ারা নিউট্রিশন ওয়েলফেয়ার সোসাইটি সাধারণ সম্পাদক প্রলয় মজুমদার, উদ্যোগপতি গৌতম রায় প্রমুখ। এ প্রসঙ্গে শীর্ষেন্দু সাধু জানান, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে ২১ অক্টোবর দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যময়। আজ থেকে ৮৩ বছর আগে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে স্বাধীন আজাদ হিন্দ সরকার গঠিত হয়েছিল এই দিনে। তাই এই দিনটিকে স্মরণে রেখে আমরা সুভাষচন্দ্র বসুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। ভবিষ্যতেও এই বিশেষ দিনটি আমরা যথাযথ মর্যাদা সহকারে পালন করবো।
2
কালীপুজোয় নিজের হাতে ভোগ বিতরণ করলেন সুশান্ত প্রামাণিক
বর্তমানে ইন্দুর স্মৃতি সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত কালীপুজো ৫৪ বছরে পদার্পণ করল ক্লাবের ঐতিহ্য মেনে প্রতিবছরের মতো এ বছরও এখানে আগত ভক্তদের ও বিতরণ করা হয় পথ চলতি সাধারণ মানুষ ও এলাকার বাসিন্দাদের হাতে এলেন লুচি পোলাও আলুর দম বোঁদে ও পায়েস তুলে দেওয়া হয়। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত এই ইন্দু স্মৃতি সংঘের পুজোয় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বর্ধমান পৌরসভার এম সি আই সি সুশান্ত প্রামানিক তিনি বলেন এখানে আগত ভক্তদের নিজের হাতে ভোগ বিতরণ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে প্রতি বছর ইন্দু স্মৃতি সংঘের পক্ষ থেকে ক্লাব প্রাঙ্গণে ভোগ বিতরণের আয়োজন করা হয়। তাদের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই সুশান্তবাবু জানান, এই ক্লাবের পক্ষ থেকে নানান সমাজ সেবামূলক কাজ করা হয়ে থাকে তাই তাদের এই মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
3
বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ-এর বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনী, মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হলো সংস্থার নিজস্ব ভবনে। কবি, সাহিত্যিক ও গানের শিল্পীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি, নাট্যকার দেবেশ ঠাকুর। সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী সূচনায় বিজয়া সম্মেলনের তাৎপর্য নিয়ে সুন্দর বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছাও জানান তিনি। শুভেচ্ছা জানান সাহিত্য গবেষক বিদ্যাভূষণ ভট্টাচাৰ্য, সাহিত্যিক নিখিল চক্রবর্তী, সাংবাদিক পঞ্চানন মুখার্জী, আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ, উদয় শঙ্কর কোনার, কবি কল্লোল চৌধুরী, সঞ্জয় মন্ডল, সাহিত্যিক নিতাই মুখার্জী, শিক্ষক মানব সরকার, সমাজসেবী ফজরুল হক, সাংবাদিক দুরন্ত নাগ। সঞ্চালনায় ছিলেন সুজিত চক্রবর্তী, দেবনাথ মুখার্জী। সংগীতে অংশ নেন বিশিষ্ট শিল্পীরা। কবিতা পাঠে অংশ নেন কবি সাহিত্যিকরা। অনুষ্ঠানের সকলকে বিজয়া ও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানানো হয়।


