1
ঘন্টাখানেকের বৃষ্টিতে জলমগ্ন বর্ধমান স্টেশন চত্বর
বুধবার সন্ধ্যায় ঘন্টাখানেকের বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বর। স্টেশন চত্বরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে বেশকিছু দোকান। যেখানে খাবার থেকে পরিধান সামগ্রী সবকিছুই বিক্রয় হয়। তবে বৃষ্টি কিছুক্ষণ হলেই এইসব দোকানে জল ঢুকে পড়ে। জলের ওপরেই দাঁড়িয়ে ব্যবসা করতে হয় দোকানীদের। ফলে সমস্যায় পড়েন তারা। দীর্ঘদিন এই ভাবেই সমস্যার মধ্যে তাদের ব্যবসা করতে হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তাদের কথায়, নিয়মিত এখানে ড্রেন পরিষ্কার করা হয় না। তাই বৃষ্টি পড়লেই জল জমে যায়। বিশেষ করে বর্ষার সময় প্রতিদিনই সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় তাদের। একই সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় নিত্যযাত্রীসহ সাধারণ যাত্রীদেরও। বৃষ্টিতে এখানে জমে থাকা নোংরা জলের উপর দিয়ে তাদের যাতায়াত করতে হয়। যাত্রীদের নিয়ে যাওয়ার জন্য স্টেশনের ভেতরে থাকা টোটোগুলির চাকা প্রায় ডুবে যায়।
এই ঘটনায় বিরক্ত যাত্রীরা রেলের এই অব্যবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের প্রশ্ন ভারত সরকার যখন উন্নত আধুনিক স্টেশন গড়ে তোলার কথা বলছে, তখন বর্ধমান স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ জংশন স্টেশনে সামান্য বৃষ্টিতে এইভাবে স্টেশন চত্বর ডুবে যাওয়ার চিত্র অত্যন্ত লজ্জাজনক। রেল দপ্তরের উচিত নিয়মিত স্টেশনের চারপাশে থাকা ড্রেনগুলি পরিষ্কার করা। নজর দেওয়া উচিত স্টেশন এলাকার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায়।
2
সন্ত্রাস মুক্ত বিশ্ব গড়ার বার্তা নিয়ে লাদাখ পৌছলেন পূর্ব বর্ধমানের সুতপা দাস
এপ্রিল মাসের ২২ তারিখে কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসবাদীদের আক্রমণে নিহত হন ২২ জন নিরীহ পর্যটক। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সন্ত্রাসবাদ মুক্ত বিশ্ব গড়ার বার্তা নিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলার পূর্বস্থলীর রাজাপুর গ্রাম থেকে স্কুটিতে চেপে লাদাখের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন স্কুল শিক্ষিকা সুতপা দাস। বিভিন্ন রাজ্য অতিক্রম করে তিনি সাত দিনের মাথায় লাদাখ পৌঁছন। ৮ দিনের মাথায় পৌঁছে যান লাদাখের রাজধানী লে-তে। এখানে বিশ্বের সর্বোচ্চ মোটরেবল রোড খারদুংলা পৌঁছে সেখান থেকে বিশ্ববাসীর উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসবাদ বন্ধ হওয়ার বার্তা দেন তিনি। এরপর তিনি আসেন কাশ্মীরের ডাল লেকে। সেখান থেকেও তিনি সন্ত্রাসবাদ বন্ধ হোক এই বার্তা দেন। সুতপাদেবী বলেন, আমি একই সঙ্গে রাষ্ট্রসঙ্ঘের কাছেও বার্তা দিতে চেয়েছি, বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসবাদকে মুক্ত করার জন্য তারা যেন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। আমি আমার এই বার্তা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে চেয়ে এই অভিযানে সামিল হয়েছি।
3
রাজীব গান্ধীর ৩৫ তম প্রয়াণ দিবস পালন জেলা কংগ্রেস ভবনে
ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর ৩৫ তম প্রয়াণ দিবস পালন করা হলো পূর্ব বর্ধমান জেলা কংগ্রেস ভবনে। বর্ধমানের বিসি রোডে কংগ্রেসের নিজস্ব ভবনে ২১ মে সকালে রাজীব গান্ধী প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন জেলা কংগ্রেসের সভাপতি প্রবীর গাঙ্গুলী, জেলা কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতৃত্ব তথা চ্যাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, মুন্সী রফিকুল ইসলাম, কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার সহ অন্যান্য কংগ্রেসের নেতৃত্ব ও কর্মীবৃন্দ। শ্যামাদাস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আধুনিক ভারতের অন্যতম রূপকার ছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। শ্যামাদাসবাবু বলেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় রাজীব গান্ধীকে হত্যা করে উগ্রপন্থীরা। তাঁর মা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মতোই উগ্রপন্থীদের হাতে তাঁর জীবনাবসান হয়। আমরা তাঁর ৩৫ তম প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁর আদর্শ মেনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কংগ্রেস কর্মীরা সবসময় সচেষ্ট থাকবেন।
প্রবীর গাঙ্গুলী তাঁর বক্তব্যে প্রয়াত রাজীব গান্ধীর কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। কংগ্রেস কর্মীদের তার আদর্শে অনুপ্রাণিত হবার আহ্বান জানান।


