1
আন্তর্জাতিক মিউজিয়াম দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামে এলো প্রাচীন পুরাসামগ্রী
১৮ মে দিনটি সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হয় আন্তর্জাতিক মিউজিয়াম দিবস হিসেবে। জানা গেছে, ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক মিউজিয়াম দিবসের থিম হলো The future of museums in rapidly changing communities। এ প্রসঙ্গে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়াম অ্যান্ড আর্ট গ্যালারির জন্য ১৭ই মে মঙ্গলকোট থানার উদ্যোগে প্রাচীন নয় এমন একটি পাথরের কালীমূর্তি প্রদান করা হয়। এর পাশাপাশি কিছু টেরাকোটার পুরাসামগ্রীও পাওয়া গেছে। যার সংগ্রাহক হলেন সম্রাট মুন্সি। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামের দায়িত্বপ্রাপ্ত শ্যামসুন্দর বেরা জানান, এই সমস্ত পুরাসামগ্রী পাওয়ার ফলে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়াম গ্যালারী আরও কিছুটা সমৃদ্ধ হলো। আমরা এই সমস্ত সামগ্রী প্রদানকারী সম্রাট মুন্সীকে অভিনন্দন জানিয়েছি। একই সঙ্গে মঙ্গলকোট থানার কাছেও আমরা কৃতজ্ঞ। তারা অতীতেও আমাদের সহযোগিতা করে নানাভাবে সমৃদ্ধ করেছেন।
2
খণ্ডঘোষে তৃণমূলের উদ্যোগে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল
পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকে বেরুগ্রাম অঞ্চলের বোঁয়াইচন্ডিতে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এক মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে জাতীয় পতাকা নিয়ে দেশের সেনাবাহিনীর প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা নিবেদনে পা মেলান হাজার হাজার মানুষ। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ তথা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের বীর সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আজ আমরা সমস্ত মানুষ ঐক্যবদ্ধ রয়েছি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশক্রমে আমরা এই দেশের গর্ব ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সম্মান জানাতে পথে নেমেছি। সাম্প্রতিক কাশ্মীরের ঘটনায় নিরীহ পর্যটকদের হত্যা করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। আর এর পিছনে পাকিস্তানের মদত থাকার অভিযোগে ভারতীয় সেনাবাহিনী আঘাত হানে সে দেশে সন্ত্রাসবাদীদের ডেরায়। পর্যুদস্ত হয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর যাবতীয় শক্তি। ভারতীয় বীর সেনাদের এই ঐতিহাসিক সাফল্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সারা দেশবাসী। আমরাও তাদের সেই গর্বে গর্বিত। এই বীর সেনাদের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন জানানোর লক্ষ্য নিয়েই এই এলাকার আপামর মানুষ এদিন দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছেন।
3
জামালপুরে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিলে সামিল তৃণমূলের নেতৃত্ব, কর্মী ও সাধারণ মানুষ
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্যের প্রত্যেকটি ব্লকে দলের পতাকা ছাড়া শুধু জাতীয় পতাকা ও সাধারণ মানুষদের নিয়ে মিছিল করে ভারতীয় বীর সেনাদের শ্রদ্ধা জানাতে হবে। প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ভারতের বায়ু সেনার দাপটে বিপর্যস্ত হয় পাকিস্তান। একের পর এক জঙ্গি ঘাঁটি ও পাকিস্তানের এয়ারবেস ধ্বংস করে দেয় ভারতীয় সেনা। একের পর এক পাকিস্তানের মিসাইল ও ড্রোন আক্রমণ প্রতিহত করেছে আমাদের বীর যোদ্ধারা। শহীদ হতে হয় বেশ কয়েকজনকে। ভারতীয় জওয়ান দের এই বীরত্ব, সহসিকতাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাবার জন্য ১৭ ও ১৮ মে দুদিন ব্যাপী সারা রাজ্যজুড়ে চলে সেনাদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা জানানো। ১৮ মে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ব্লক অফিসের সামনে থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত ভারতীয় সেনাদের শ্রদ্ধা ও সম্মান জানিয়ে মিছিল করা হয়। মিছিলে ছিল শুধু জাতীয় পতাকা। মিছিলে পা মেলান বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, সহ সভাপতি ভূতনাথ মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, জেলার এসটি সেলের সভাপতি তারক টুডু, জেলা যুব সহ সভাপতি সাহাবুদ্দিন মন্ডল, দুই জেলা পরিষদের সদস্য কল্পনা সাঁতরা ও শোভা দে সহ সমস্ত প্রধান, উপ প্রধান এবং কর্মী-সমর্থকরা ছাড়াও এলাকার সাধারণ মানুষ। প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার মানুষ এই সম্মান ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মিছিলে এদিন পা মেলান।


