অঙ্কনার্কর দ্বাদশ বর্ষ চিত্র প্রদর্শনী II পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের নিয়ে সরস্বতী পুজোর আয়োজন

1
অঙ্কনার্কর দ্বাদশ বর্ষ চিত্র প্রদর্শনী

কুঁড়ি শিল্পীদের কুসুমিত হয়ে ওঠার আন্তরিক প্রয়াসকে সামনে রেখে বার্ষিক চিত্র প্রদর্শনী ২০২৫ – এর আয়োজন করেছিল ছবি আঁকার স্কুল অঙ্কনার্ক। বর্ধমানের হটুদেওয়ানে সানসাইন শিশু মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই চিত্র প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় ২ ফেব্রুয়ারি। সূচনা পর্বের এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওঁয়াড়ি হাইস্কুলের শিক্ষিকা অদিতি মন্ডল মাঝি, বর্ধমান বিদ্যার্থী ভবন স্কুলের শিক্ষক পার্থপ্রতিম দেবনাথ, বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী শ্যামাপ্রসাদ চৌধুরী, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী পৌলমী মুখার্জী, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী নম্রতা রায়, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী প্রদ্যুৎ পাল, বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী ও আবৃত্তিকার উত্তম বন্দোপাধ্যায় সহ অন্যান্য গুণীজনেরা। এই চিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে বলতে গিয়ে অঙ্কনার্কর অধ্যক্ষ পার্থসারথি মন্ডল বলেন, এখানে প্রায় ৫০০ ছবি নিয়ে এই চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় আড়াইশো শিল্পী এই চিত্র প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছেন। দ্বাদশ বর্ষ এই চিত্র প্রদর্শনী আলোকিত হয়েছে বহু গুণীজনের উপস্থিতিতে। এখানে সাড়ে তিন বছর বয়স থেকে প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী শিল্পীরা সকলেই অংশগ্রহণ করেছেন। এই প্রতিষ্ঠান বর্তমানে তার নানান শাখা প্রশাখা বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছে। উপস্থিত ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের সভাপতি চন্দ্রচূড় নাগ, প্রদর্শনী সম্পাদক রাজা রক্ষিত প্রমুখ।

2
পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের নিয়ে সরস্বতী পুজোর আয়োজন

বাগদেবীর আরাধনা সাধারণত আমরা করতে দেখি বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের। তারা যেমন পারিবারিকভাবে এই পুজো করে থাকে, তেমনই আবার তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতেও সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়। কিন্তু আমাদের সমাজে আজও এমন কিছু কচিকাঁচা, শিশু-কিশোর রয়েছে যারা পিছিয়ে পড়া পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে লেখাপড়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত থেকে যায়। সুবিধাবঞ্চিত এই শিশুদের একাংশকে শিক্ষার আলোকে নিয়ে আসার ব্রতে এগিয়ে এসেছে বর্ধমানের নবাবহাট সংলগ্ন তালপুকুর এলাকায় আমার পাঠশালা স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। এবার তাদেরই উদ্যোগে এইসব শিশুদের নিয়ে আয়োজন করা হয় সরস্বতী পুজোর। পুজোর আনন্দে মেতে ওঠে কচিকাঁচারা। তাদের সঙ্গে ছিলেন অভিভাবকরাও। উপস্থিত ছিলেন আমার পাঠশালার সম্পাদক সন্দীপ পাঠক, অতনু ঘোষ, তপন পাল, কামারুজ্জামান চৌধুরী, কালিশংকর বিশ্বাস প্রমুখ। এদিন পুজো শেষে এইসব শিশুদের জন্য মধ্যান্যভোজনের আয়োজন করা হয়। আমার পাঠশালার সম্পাদক সন্দীপ পাঠক বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ আমরা এর আগেও গ্রহণ করেছি। সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে এখানে পাঠরত শিশুরা পূজার্চনায় অংশগ্রহণ করে। সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন তাদের অভিভাবকরা। আমার পাঠশালার প্রত্যেক সদস্যর আন্তরিক প্রয়াস এই ধরনের একটি উদ্যোগকে সফল করতে সাহায্য করেছে বলে উল্লেখ করেন সন্দীপ পাঠক।