1
শ্যামল চৌধুরী ও ফাল্গুনী মুখার্জী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট স্মৃতিকাপ ২০২৫
বর্ধমান শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে পৌষালী উৎসব ও ট্রাফিক কলোনি বারোয়ারি এবং ৪ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেস পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। ২৩ জানুয়ারি শ্যামল চৌধুরী ও ফাল্গুনী মুখার্জী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট স্মৃতিকাপ ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয় স্থানীয় খেলা হবে উদ্যানে। ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শেখ নুরুল আলমের উদ্যোগে আয়োজিত এই টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় প্রয়াত দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব শ্যামল চৌধুরী ও ফাল্গুনী মুখার্জীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ আলী সহ শ্যামল চৌধুরী ও ফাল্গুনী মুখার্জীর পরিবারের সদস্যবৃন্দ। প্রয়াত শ্যামল চৌধুরী ও ফাল্গুনী মুখার্জীর পরিবারের পক্ষ থেকে শেখ নুরুল আলমের উদ্যোগে এই ধরনের একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজনের প্রশংসা করা হয়। কাউন্সিলরের পাশে থেকে তাকে সব কম ভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেওয়া হয়। (পজ্)
এই অনুষ্ঠানে বিধায়ক খোকন দাস বলেন, আমাদের জীবনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে যারা অভিভাবক হিসেবে সবসময় কাজ করেন তাদের আমরা অবশ্যই মনে রাখি। ফাল্গুনী মুখার্জী ও শ্যামল চৌধুরী তেমনই দুজন ব্যক্তিত্ব যাদের পরামর্শ আমাদের এগিয়ে চলার পথকে মসৃণ করেছে। এই মানুষগুলি আমাদের পাশ থেকে চলে যাওয়া মানে একটা বিরাট শূন্যস্থান তৈরী হওয়া। তাই এদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে নুরুল আলমের উদ্যোগে যে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে তা সার্থকতা লাভ করুক। (পজ্)
নুরুল আলম বলেন, প্রতিবছরই আমরা এখানে ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করি। ইতিপূর্বে শ্যামল চৌধুরী স্মরণে এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন ফাল্গুনী মুখার্জী। আমরা এবার তার স্মরণেও এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টকে সার্থক করে তুলতে চলেছি। এই দুই ব্যক্তিত্ব আমাদের জীবনে এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে ভীষণভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাদের পরিবারও আমাদের পাশে থেকেছেন। আমরা তাই তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। ক্রীড়া চর্চায় এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনে সহযোগী হয়ে উঠবে বলে আশা রাখছি।
2
কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মেতে উঠল ছাত্রছাত্রীরা। বিভিন্ন দূরত্বের রেস, বল রেস, স্যক রেস, লং জাম্প,হাই জাম্প, ডিসকাস শটপাট, জ্যাভলিন থ্রো, গো অ্যাজ ইউ লাইক, মিউজিকাল চেয়ার এবং নানারকম ইভেন্টে সরগরম হয়ে ছিল বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ। শিক্ষিকাদের জন্য মিউজিকাল চেয়ার এবং শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের জন্য ছিল হিট দ্য উইকেট ইভেন্ট।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, গ্রিন হন্টারের কর্ণধার অর্ণব দাস, সাংবাদিক ও কবি উদিত সিংহ।
উদিত সিংহ জানান, তিনি এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র এবং পরিচালন সমিতির প্রাক্তন সদস্য। কাঞ্চননগরের মাটির প্রতি তাঁর টান অবিচ্ছেদ্য। সেই টান তিনি এখনও অনুভব করেন। ক্রীড়া আসলে পঠনপাঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিষয়।
বিশেষ অতিথি হরমোহন বন্দ্যোপাধ্যায় বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করে ছাত্রছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, মানুষ গড়ার কারিগর দীননাথ দাস যে উচ্চাশা পোষণ করতেন তাতে শিক্ষা আর স্বাস্থ্য অঙ্গাঙ্গী ছিল। ক্রীড়া সেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি স্বতস্ফুর্ত ধারা।
উচ্চমাধ্যমিকের বিদায়ী ছাত্র এবং সফল অ্যাথলিট নিত্যানন্দ রায় জানায়, বিগত বছরগুলোতে এই বিদ্যালয়ে তার অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতার কথা। নবম শ্রেণীর ছাত্রী অপর্ণা গায়েন অনেক পুরস্কার জিতে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ক্রীড়া শিক্ষক সঞ্জীব নন্দী প্রতিযোগিতার সঙ্গে যুক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান
3
জামালপুরে একের পর এক সমবায় নির্বাচনে জয়ী তৃণমূল
একের পর এক সমবায় নির্বাচন হচ্ছে আর ততই দৈন্যদশা দেখা যাচ্ছে বিরোধীদের। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে এর আগে যতগুলি সমবায় নির্বাচন হয়েছে তাতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। জামালপুরের জোতশ্রীরাম অঞ্চলে শিয়ালি সমবায় সমিতির ৪৩ টি আসনে, গুড়েঘর মাধবপুর সমবায় সমিতির ৪০ টি আসনে ও মহিষগড়িয়া সমবায়ের ৯ টি আসনে নির্বাচন হয়। সেখানে দেখা যায় তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়া অন্য কোন দল প্রার্থীই দিতে পারেনি। নির্বাচনকে ঘিরে পুলিশী নিরাপত্তা ছিল যথেষ্ট। কর্মীদের উৎসাহিত করতে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অলোক কুমার মাঝি, ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান, কার্যকরী সভাপতি ভূতনাথ মালিক, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা শোভা দে ও কল্পনা সাঁতরা, অঞ্চল সভাপতিরা তপন দে, আলাউদ্দিন শেখ, শেখ মনতাজ সহ অন্যান্যরা। মেহেমুদ খান বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যে উন্নয়ন করছেন তাতে বিরোধীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। তাই তারা সমবায় নির্বাচনে কোনো প্রার্থী দিতে পারে না। মানুষ নিজের চোখে রাজ্য সরকারের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন দেখছেন। তাই রাজ্যে আর অন্য কোনো দলের ঠাঁই নেই।
বিধায়ক তাঁর বক্তব্যে বলেন, এর আগেও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। আসলে বিরোধীদের রাজনীতি করার আর কোনো জায়গাই নেই। ভূতনাথ মালিক বলেন, সমবায় নির্বাচনের ফলই বলে দিচ্ছে আগামীতে তৃণমূল ছাড়া অন্য কোনো দলের অস্তিত্ব থাকবে না এখানে।


