শহরজুড়ে রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে উৎসাহ ও উদ্দীপনা | বিধায়কের উদ্যোগে ২১ জুলাই নিয়ে প্রস্তুতি সভা | সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিবস পালন


1
শহরজুড়ে রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে উৎসাহ ও উদ্দীপনা

প্রতিবছরের মতো এ বছরও বর্ধমান শহরের নানান প্রান্তে রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। এদিন সকালে একদিকে যেমন বর্ধমান রাজার পিতলের রথ শহরের পথ পরিক্রমা করে, ঠিক তেমনই আবার বর্ধমান লক্ষী নারায়ণজিউ মন্দিরে রথকে কেন্দ্র করে ছোট মেলা বসে। অন্যদিকে আবার বড়মার কালীমন্দিরে রথযাত্রারকে কেন্দ্র করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এদিকে শহরের আরেক প্রান্তে কাঞ্চননগরের বিখ্যাত রথযাত্রা উপলক্ষ্যে সেখানেও মেলা বসে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার ধারেও দোকানিদের পসরা সাজিয়ে বসতে দেখা যায়। সর্বত্রই সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

2
বিধায়কের উদ্যোগে ২১ জুলাই নিয়ে প্রস্তুতি সভা

২১ জুলাই ধর্মতলা চলো, এই বার্তাকে সামনে রেখে সারা জেলার সঙ্গে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে ইতিমধ্যেই দলীয় স্তরে প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়ে গেছে। এই প্রস্তুতি পর্বকে সামনে রেখে বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাসের উদ্যোগে দলের জেলা কার্যালয়ে এক সভার আয়োজন করা হয়। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রাসবিহারী হালদার, জেলা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী নীলা মুন্সি, জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ, জেলা তৃণমূল শিক্ষা সেলের সভাপতি অতনু নায়েক সহ পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতিরা সহ দলের অন্যান্য পদাধিকারীবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের যুব, মহিলা, এসসি, ওবিসি, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতিরাও। এই সভায় আগামী ২১ জুলাই কলকাতার ধর্মতলায় শহীদ স্মরণ সভাকে সফল করার লক্ষ্যে সমস্ত শাখা সংগঠনের নেতৃত্ব ও কর্মীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। এ ব্যাপারে সকলকে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান বিধায়ক খোকন দাস। সভায় দলের পুনরায় দায়িত্বপ্রাপ্ত ও নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন শাখা সংগঠনের জেলা সভাপতিদের সম্মানিত করা হয়। বর্ধমান শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় বলেন, আগামী ২১ জুলাইয়ের সভাকে কেন্দ্র করে শহরের ৩৫টি ওয়ার্ডেই দলীয় স্তরে প্রস্তুতি পর্বের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। বিধায়কের উপস্থিতিতে সামগ্রিক এই বিষয়টি নিয়েই এদিন আলোচনা করা হয়েছে।

3
সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মদিবস পালন

বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের বর্ধমান শাখা বর্ধমান সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে সংস্থার খোসবাগানের নিজস্ব ভবনে যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হলো সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়ের ১৮৮তম জন্মদিবস। ২৬ জুন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বঙ্কিমচন্দ্রের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনী নিয়ে আলোচনা করেন সম্পাদক কাশীনাথ গাঙ্গুলী। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন নিতাই মুখার্জী। মনোরম পরিবেশে বঙ্কিমচন্দ্রের স্মৃতিচারণা করেন সাহিত্য গবেষক বিদ্যাভূষণ ভট্টাচাৰ্য, সাহিত্যিক প্রণব মুখার্জী, সাহিত্য প্রেমী দেবনাথ মুখার্জী, বরুণ মজুমদার, কবি লক্ষণ দাস ঠাকুরা, অরুণ শিকদার, সমাজসেবী সঞ্জয় মন্ডল,কবি উত্তম ব্যানার্জী। এই পর্বটি সঞ্চালনা করেন সুজিত চক্রবর্তী। সংগীতে অংশ নেন শুভ্রা সরকার, সমাপ্তিকা মন্ডল, কৃষ্ণা ঘটক, স্মৃতি কণা রায়, আনোয়ার আলী, বর্ণালী ঘোষ প্রমুখ। কবিতা পাঠ করেন তাপস ভূষণ সেনগুপ্ত, মিতা মন্ডল, সন্দীপন গুপ্ত, মিঠু চক্রবর্তী, প্রীতি বিশ্বাস প্রমুখ।

4
কেশবগঞ্জচটি বারোয়ারি দুর্গোৎসব কমিটির খুঁটিপুজোয় বিধায়ক

বর্ধমানে কেশবগঞ্জ চটি বারোয়ারি দুর্গোৎসব কমিটির খুঁটিপুজোর মধ্যে দিয়ে তাদের এই উৎসবের অনুষ্ঠানিক সূচনা হলো। রথযাত্রারকে কেন্দ্র করে এদিন এই খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। নারকেল ফাটিয়ে এই অনুষ্ঠানের সূচনা করেন বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস। তিনি বলেন, রথযাত্রার শুভ দিনে এখানে খুঁটিপুজোর আয়োজন করা হয়েছে। এবার ৬৩ তম বর্ষ এই দুর্গোৎসবের প্রারম্ভিক সূচনায় উপস্থিত থাকতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। আমি আশাবাদী একটি যথাযোগ্য থিমকে সামনে রেখে এই দুর্গোৎসব কমিটি তাদের আগামী দিনে পুজোর কাজকে সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।