আমার পাঠশালা-র উদ্যোগে বর্ষবরণ উৎসব || বিডিএসএ-র আয়োজনে রক্তদান শিবির


1
আমার পাঠশালা-র উদ্যোগে বর্ষবরণ উৎসব

পারিপার্শ্বিক নানান সমাজকল্যাণমূলক কাজে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমার পাঠশালা-র পক্ষ থেকে বর্ধমানের আদর্শ বিদ্যালয়ে পালিত হলো বর্ষবরণ, গুণীজন সংবর্ধনা ও মিলন উৎসব। এদিন পাঠশালার ৩০ জন শিশুর জন্য টিফিন এবং দুপুরের আহার হিসেবে ভাত, ডাল, সবজি, চিকেন, মিষ্টি, পাঁপড় ও চাটনির আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে পাঠশালার শিশুরা নৃত্য পরিবেশন করে। আমার পাঠশালা-র অন্যতম সদস্য মোশারফ হোসেন ও কালীশংকর বিশ্বাস আবৃত্তি ও সংগীত পরিবেশন করেন। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ ভূমিকা নেন শিক্ষক পলাশ চৌধুরী ও শিক্ষিকা লাবণ্য রায়। তাঁরা এখানে উপস্থিত শিশুদের মধ্যে খাতা ও রং পেন্সিল বিতরণ করেন। উপস্থিত ছিলেন সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রিয়ব্রত মুখার্জী ও অতনু কুমার হাজরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষারত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাপস কুমার পাল, পলাশ চৌধুরী, ডাঃ ইউসুফ মন্ডল, ডাঃ ওয়াসেফ আলী, ডাঃ রামনারায়ণ দাস, ডাঃ চন্দন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী, ডাঃ শুধন্যা দ্বিবেদী, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশীষ নন্দী, ইতিহাসবিদ ড: সর্বজিৎ যশ, জহর সাধু, সুরকার ও সংগীতশিল্পী বিশ্বরূপ চক্রবর্তী, সাংবাদিক পার্থ চৌধুরী, সুপ্রকাশ চৌধুরী ও জগন্নাথ ভৌমিক। অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথিদের উত্তরীয়,স্মারক ও পাঠশালার ক্যালেন্ডার দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। এখানে উপস্থিত শিশুরা সকলেই খুব আনন্দ উপভোগ করে। এ প্রসঙ্গে আমার পাঠশালা-র সম্পাদক সন্দীপ পাঠক বলেন, এই অনুষ্ঠানে বহু গুণীজন উপস্থিত ছিলেন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের এগিয়ে চলার পথকে প্রশস্ত করেছে। এখানে আসা পিছিয়ে পড়া পরিবারের শিশুদের সঙ্গে নিয়েই আমরা পথ চলতে চাই।

2
বিডিএসএ-র আয়োজনে রক্তদান শিবির

৪৬ তম ফ্রাঙ্ক ওরেল ডে উপলক্ষ্যে সিএবি ব্লাড ডোনেশন ক্যাম্প ২৬ অনুষ্ঠিত হলো রাধারাণী স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে। এই শিবিরে এদিন মোট ৫২ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিডিএ-র চেয়ারম্যান উজ্জ্বল প্রামাণিক, কাউন্সিলর ইন্তেখাব আলম সহ অন্যান্যরা। এ প্রসঙ্গে উজ্জ্বল প্রামাণিক বলেন, এই ধরনের রক্তদান শিবির আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো মুমূর্ষু রোগীদের জীবনদানে এগিয়ে আসা। এক ফোঁটা রক্ত একটা মানুষের জীবন বাঁচানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে খেলার মাঠের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই রক্তদান করেছেন। তারা শুধুমাত্র খেলার মাঠেই জীবন অতিবাহিত করেন না, বরং সামাজিক কাজেও তাদের প্রত্যেকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এই মানুষদের সঙ্গে নিয়েই এই শিবির পরিচালনায় এগিয়ে এসেছি। আগামী দিনেও এই ধরনের উদ্যোগ এখানে বাস্তবায়িত হবে।