সিএসপি সঞ্চালক আত্মঘাতী হাওয়ায় চাঞ্চল্য | মেয়ো রোডের ঘটনায় জামালপুরে প্রতিবাদ মিছিল | বাংলা ভাষা আন্দোলন প্রতিরোধে বিজেপির চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল | স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা


1
সিএসপি সঞ্চালক আত্মঘাতী হাওয়ায় চাঞ্চল্য

এক সিএসপি সঞ্চালক আত্মঘাতী হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার অন্তর্গত ক্ষীরগ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এখানে স্টেট ব্যাংকের গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের সিএসপি সঞ্চালক গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন। তার নাম মানস কুমার দত্ত। ক্ষীরগ্রামে বাড়ি এই ব্যক্তির আনুমানিক বয়স ৪৬ বছর। তিনি বলগোনা স্টেট ব্যাংক শাখার অন্তর্গত গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের সঞ্চালক ছিলেন। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে তিনি এই গ্রাহক সেবা কেন্দ্রে পরিষেবার দায়িত্বে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আজও পর্যন্ত উপভোক্তাদের পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অভিযোগ ছিল না। কিন্তু হঠাৎ করেই তিনি আত্মহত্যা করায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অত্যন্ত দায়িত্ব সচেতন একজন সিএসপি সঞ্চালকের এইভাবে আত্মহত্যার ঘটনা গ্রাহকদের মনেও প্রশ্ন তুলেছে। তারাও এই ঘটনার কোনো কারণ এখনও পর্যন্ত অনুধাবন করতে পারেননি। জানা গেছে কাটোয়া হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

2
মেয়ো রোডের ঘটনায় জামালপুরে প্রতিবাদ মিছিল

কলকাতার মেয়ো রোডে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তৃণমূলের বাঙালি ও বাংলা ভাষার উপর আক্রমণের প্রতিবাদ জানাতে তৈরী মঞ্চ খুলে দেওয়া হয়। বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর বাংলা ভাষায় কথা বললে বাংলাদেশী তকমা দিয়ে অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার ধর্না মঞ্চ ভেঙে ফেলায় সারা রাজ্যের সঙ্গে জমালপুরেও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় পাঁচ হাজার কর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষ পা মেলান এই প্রতিবাদ মিছিলে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ও পা মেলান তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান। ছিলেন কার্যকরী সভাপতি ভূতনাথ মালিক, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পূর্ণিমা মালিক, জেলা পরিষদের দুই সদস্যা কল্পনা সাঁতরা ও শোভা দে, শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি তাবারক আলী মন্ডল, ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিট্টু মল্লিক, সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি ওয়াসিম সরকার, এস সি সেলের সভাপতি উত্তম হাজারী সহ সমস্ত প্রধান ,উপ প্রধান, অঞ্চল সভাপতি, পঞ্চায়েত সমিতির সকল সদস্যরা। মিছিল থেকে সকল নেতৃত্ব কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন। তৃণমূলের ব্লক সভাপতি মেহেমুদ খান বলেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করছে। এটা সঠিক কাজ নয়। তবে এইভাবে তৃণমূলের প্রতিবাদ আটকানো যাবে না। তিনি বলেন, মঞ্চ খুলে দেওয়া হচ্ছে খবর পেয়েই সেখানে উপস্থিত হন তাঁদের সকলের মা ,মা মাটি মানুষের সরকারের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনোভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আন্দোলন বা প্রতিবাদ বন্ধ করতে পারবে না বিজেপি। সারা রাজ্যের বেশিরভাগ মানুষ রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। মিছিল থেকে মুহুর্মুহু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে জয়ধ্বনি দিতে থাকেন তারা। প্রয়োজনে তাদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে উল্লেখ করেন মেহেমুদ খান।

3
বাংলা ভাষা আন্দোলন প্রতিরোধে বিজেপির চক্রান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল

পূর্ব বর্ধমান জেলার খণ্ডঘোষ ব্লকের বেরুগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে একটি প্রতিবাদ মিছিল সংগঠিত হলো। স্থানীয় বোঁয়াইচণ্ডী মায়ের তলা থেকে এই মিছিল যাত্রা শুরু করে। মিছিলটি শেষ হয় বোঁয়াইচণ্ডী রেল স্টেশন এলাকায়। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ তথা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অপার্থিব ইসলাম। তিনি বলেন, কলকাতার মেয়ো রোডে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির চক্রান্তে বাংলা ভাষা আন্দোলনের যে মঞ্চ তা ভেঙে দেওয়া হয়। এরই প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে এই প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হলো। এই মিছিলে অংশ নেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায়, খণ্ডঘোষ ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি শুভেন্দু কুমার পাল, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব শেখ লকাই, শাজাহান মন্ডল, অপূর্ব হাজরা, পীযূষ সাহা, মহিলা নেত্রী নীলুফা বেগম, টুম্পা দত্ত, জাহাঙ্গীর, প্রদীপ পাল সহ অন্যান্যরা। অপার্থিব ইসলাম বলেন, প্রয়োজনে আগামী দিনে তাদের এই আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার নেবে। বিজেপির যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে তারা প্রস্তুত রয়েছেন। (পজ্)

4
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

বর্ধমানের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা তেজগঞ্জ চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগে আগামী ৯ নভেম্বর সারাদিনব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন বিভাগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় বিদ্যালয় স্তরের ছাত্রছাত্রীরা সহ সর্বসাধারণ অংশ নিতে পারবেন। এ খবর জানিয়েছেন এই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সম্পাদক উৎপল কুমার দত্ত। তিনি বলেন, মূলত সুস্থ সংস্কৃতির প্রসারের লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিবছর তারা এই সংস্থার পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন। এই প্রতিযোগিতায় স্থানীয় এলাকার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে ছেলেমেয়েরা অংশগ্রহণ করে। তিনি বলেন, আমরা চাই বিশেষ করে বিদ্যালয় স্তরের ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার দিকটিকেও গুরুত্ব দিতে। আর তাই এই ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজনের মধ্যে দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের আমরা অনুপ্রাণিত করতে চাই। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এই প্রতিযোগিতাকে সাফল্যমন্ডিত করবে বলেই আমরা আশাবাদী।